Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Friday , April 26 2019

কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা, পর্ব-৭

মৌজাওয়ারী যোগ্য ভূমিহীনদের অগ্রাধিকার তালিকা প্রণয়নের প্রকাশ্য সভাঃ

  • প্রাথমিক সভার পরে ভূমিহীনদের যথার্থতা যাচাইয়ের জন্য সম্ভব হলে প্রতিটি মৌজায়, এবং তা না হলে প্রতিটি ইউনিয়নের একটি প্রকাশ্য স্থানে উপজেলা ভূমি বন্টন কমিটির একটি বিশেষ সভা হবে৷
  • এই সভার তারিখ নির্ধারণ এবং যাবতীয় প্রচারের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার৷ যেখানে সম্ভব সেখানে তিনি জনসংযোগ বিভাগের সহায়তা নেবেন৷ নির্বাহী অফিসার আবশ্যিকভাবে এলাকায় সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে এই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন ৷ সভায় উপস্থিত জ্যেষ্ঠ জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধিকে এই সভায় যথাক্রমে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি করা যাবে৷ উপজেলা ভূমি সংস্কার কমিটির সভাপতিই এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন৷
  • সভার প্রারম্ভে সরকারের ভূমি সংস্কার অভিযানের উদ্দেশ্য এবং খাস জমি বন্টনের সামাজিক সুফলাদি সম্পর্কে ব্যাখ্যা করে জনগণের সহযোগিতা কামনা করতে হবে৷
  • কমিটির প্রাথমিক সভায় নির্বাচিত মৌজাওয়ারী খসড়া অগ্রাধিকার তালিকা থেকে একজন করে ভূমিহীন পরিবারের প্রধানকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তাদের প্রাপ্য যোগ্যতা ও অগ্রপ্রাপ্যতা সাব্যস্ত করতে হবে৷
  • এই সভায় নির্বাহী অফিসার উপস্থিত চেয়ারম্যান,ওয়ার্ড মেম্বারদের সনাক্তির ভিত্তিতে আবেদনকারীদের দরখাস্তের সাথে প্রদত্ত ছবি সত্যায়িত করে নেবেন এবং ছবির অপর পিঠে প্রত্যয়ন স্বাক্ষর দেবেন৷ প্রত্যয়িত ছবির কপি কবুলিয়ত ফরমে এবং ১ কপি পুনর্বাসন কার্ডের সাথে যুক্ত হবে৷
  • উপজেলার সর্বত্র (প্রতি ইউনিয়ন কমপক্ষে একবার) এভাবে সকল আবেদনকারীদের সরেজমিনে পরীক্ষার পর বাতিলকৃত দরখাস্তসমূহ বাদে অবশিষ্ট দরখাস্তে ক্রমিক নম্বর সমম্বয় করে চূড়ান্ত অগ্রাধিকার তালিক প্রণযন করতে হবে৷ উপজেলা সদরের সকল অফিস, ইউনিয়ন, তহশীল অফিস ও থানায় অগ্রাধিকার তালিকা টানিয়ে বিরুদ্ধে কারো কোন অভিযোগ থাকলে তা পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসকের নিকট দাখিল করতে বলা হবে ৷ জেলা প্রশাসকের কাছে তালিকায় মুদ্রিত পরিবারদের ভূমিহীন হিসাবে যোগ্যতা এবং অগ্রগণ্য তালিকায় অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন করা ছাড়া তালিকা প্রস্তুতের বৈধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না৷ এই ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত৷
  • প্রকাশিত এই চূড়ান্ত তালিকায় সুস্পষ্ট ভাবে ইহা উল্লেখ করতে হবে যে, অগ্রপ্রাপ্য তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তি কোন ক্রমেই জমি প্রদানের কোন প্রকার নিশ্চয়তা বহন করবে না ৷ জমি বন্টনের সময় অগ্রপাপ্য তালিকার সাথে ভূমিহীনদের বাসস্থান, খাস জমির অবস্থান এবং বর্তমান দখল অবস্থাও কমিটির সভায় বিবেচনা করা হবে৷
  • উপরোক্ত সকল পর্যায়ের জন্য জেলা প্রশাসক তার সুবিধামত সর্বশেষ সময়সীমা বেধে একটি গণবিজ্ঞপ্তি দেবেন৷

(১৯৯৮ সনে ১৫ সেপ্টেম্বরের গেজেটে প্রকাশিত খাস জমি বন্দোবস্ত নীতিমালার সংশোধনী মতে)

Check Also

যে সকল দলিল রেজিস্ট্রেশনের জন্য বাধ্যতামূলক নয়

যে সকল দলিল রেজিস্ট্রেশনের জন্য বাধ্যতামূলক নয় যদিও ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন এক্টে বলা হয়েছে যে …

Messenger icon