Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Legal Study
Tuesday , December 18 2018

নিলাম সংক্রান্ত অধিকার, লংঘন ও প্রতিকার, পর্ব-০২

আপিলের সুযোগ আছে কি?

 আছে। (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫১ধারা)

কোথায় আপিল করতে হবে?

সার্টিফিকেট অফিসারের কোন আদেশের বিরূদ্ধে কালেক্টরের নিকট আপিল করা যাবে।

কতদিনের মধ্যে?

১৫ দিনের মধ্যে

কালেক্টরের কোন আদেশের বিরূদ্ধেও আপিল করা যাবে।

কোথায় আপিল করতে হবে?

বিভাগীয় কমিশনারের নিকট।

কতদিনের মধ্যে?

৩০ দিনের মধ্যে।

রিভিশনের সুযোগ আছে কি?

আছে। (যদি আপিল করা না হয়)

(১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫৩ধারা)

অসন্তুষ্ট ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে সার্টিফিকেট অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কালেক্টর নিকট, কালেক্টর প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কমিশনারের নিকট এবং বিভাগীয় কমিশনার প্রদত্ত যে কোনো আদেশ ভূমি আপিল বোর্ড এর নিকট রিভিশন বা পূণনীরিক্ষণের জন্য দরখাস্ত করতে হবে। আদেশ দানের ৩০ দিনের মধ্যে রিভিশন/সংশোধন করতে পারেন। জেলা প্রশাসক নিজে উক্ত আদেশটি রিভিশন/পূননীরিক্ষণ করতে পারবেন।

কতদিনের মধ্যে?

সকল আদেশের ক্ষেত্রে আদেশ দানের ৩০ দিনের মধ্যে রিভিশন/সংশোধন এর জন্য দরখাস্ত করতে হবে।

রিভিউ করার অধিকার আছে কি?

আছে। (যদি আপিল বা রিভিশন করা না হয়)

(১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫৪ ধারা)

নিলাম সম্পর্কে বিস্তারিতঃ

  • ক্রোক/নিলামযোগ্য সম্পত্তির বর্ণনা
  • নিলাম বাতিলের আবেদনের পদ্ধতি
  • নিলাম চূড়ান্তকরণ
  • সম্পত্তি নিলাম হলে তার প্রতিকার
  • রেন্ট সার্টিফিকেট সংক্রান্ত মামলায় যা জানা দরকার।

ক্রোক/নিলামযোগ্য সম্পত্তির বর্ণনাঃ জমি, ঘর, বাড়ি, নগদ টাকা, চেক, বন্ড, লোন, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, এফ. ডি. আর এবং অন্যান্য বিক্রয় যোগ্য সামগ্রী৷

ক্রোক/নিলাম অযোগ্য সম্পত্তির বর্ণনাঃ পরিধেয় পোষাক, বিছানা, রান্নার সামগ্রী, হালের বলদ, কৃষি যন্ত্রপাতি, আবশ্যক বাসগৃহ, মজুরের পারিশ্রমিক, বেতনের /অংশ, ভবিষ্যত ভাতার অধিকার, সরকারী বৃত্তি ইত্যাদি (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ১৭ ধারা, ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ধারা)

নিলাম ক্রেতার স্বত্ব অর্জনঃ যথাযথ ভাবে বাস্তবায়িত সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত কোনো সম্পত্তি, কোনো ব্যক্তি নিলামে ক্রয় করলে তাতে দেনাদারের বিদ্যমান সকল স্বত্ব, স্বার্থ ও অধিকার নিলাম ক্রেতার উপর বর্তাবে। এমনকি ১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৭ ধারার নোটিস হওয়ার পর দেনাদার ঐ সম্পত্তি কারো নিকট গোপনে হস্তান্তর করলেও দেনাদারের বিদ্যমান সকল স্বত্ব, স্বার্থ ও অধিকার নিলাম ক্রেতার উপর বর্তাবে। (দি পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী এক্ট ১৯১৩ আইনের ১৭ধারা) এবং (১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ধারা)

<<< পর্ব-০১ পর্ব-০৩ >>>

Check Also

নিলাম সংক্রান্ত অধিকার, লংঘন ও প্রতিকার, পর্ব-০৫

সার্টিফিকেট সহকারীর কাজঃ সার্টিফিকেট রিকুইজিশন পাওয়ার পর তা যাচাই ও আদেশপত্রভুক্ত করে সার্টিফিকেট  অফিসারের নিকট …