Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Legal Study
Tuesday , December 18 2018

Bar Council Exam, CrPC Lecture, Section 1 to 5

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮
(১৮৯৮ সালের ৫নং আইন)
[ফ্রী ভার্সন]
নোটিশঃ আপনি ফ্রী ভার্সন ব্যবহার করছেন। প্রিমিয়াম ভার্সন ব্যবহার করতে চাইলে 01703924452, 01688107393 (সকাল ১০.০০টা থেকে রাত ১০.০০টা) এই নাম্বারগুলোতে কল দিয়ে প্রিমিয়াম ভার্সনে নিবন্ধন করে নিন।

লগইন বা নিবন্ধন করতে ক্লিক করুন

লগইন বা নিবন্ধন করতে ক্লিক করুন

নির্দেশনাঃ আপনি যদি আমাদের প্রিমিয়াম মেম্বার হয়ে থাকেন তাহলে নিচের লগইন ফরম ব্যবহার করে ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। যারা ফেইবুকের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন তারা লগইন ফরমের নিচে ফেইসবুক লগইন বাটনে ক্লিক করে প্রবেশ করুন। আর যারা নতুন নিবন্ধন করতে চান তারা লগইন ফরমের নিচে নির্দেশিত পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

ফেইসবুক লগইন

ফেইসবুকের মাধ্যমে নিবন্ধনঃ ফেইসবুকের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে চাইলে নিচের ফেইসবুক রেজিষ্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করুন। (বিঃদ্রঃ সফলভাবে রেজিষ্ট্রেশন করার পর এপ্রুভালের জন্য আমাদের হট লাইন ০১৭০৩৯২৪৪৫২, ০১৬৮৮১০৭৩৯৩ নাম্বারে কল দিন)

ফেইসবুক রেজিষ্ট্রেশন

ফেইবুকের মাধ্যমে লগইন না হলে কি করব?

আপনি যদি ফেইসবুকের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করতে না পারেন তাহলে, নিচের ফরমটি পূরণ করে আপনি আপনার রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারেন। (বিঃদ্রঃ পরবর্তীতে লগইন করার জন্য ইউজার নেইম ও পাসওয়ার্ড সংরক্ষন করুন এবং এপ্রুভালের জন্য আমাদের হট লাইন ০১৭০৩৯২৪৪৫২, ০১৬৮৮১০৭৩৯৩ নাম্বারে কল দিন)

REGISTRATION FORM

কেন অনলাইনে জয়েন করব?

১) আপনি হয়তো বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ফিজিক্যালি কোচিং করেন। কেউ স্থান, কাল, পাত্র ভেদে ৩,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকায় ভর্তি হয়েছেন কিন্তু, সেখানে জ্যাম ঠেলে (বিশেষ করে ঢাকা শহরে) কোচিং করতে যাওয়া-আসা একটা বিরক্তিকর ও সময়ের ব্যাপার। আপনার জন্য আমাদের অনলাইন গাইডলাইন ভীষণ হেল্পফুল হবে। কেননা এটা একটা ভালো বইয়ের সমতুল্য।

২) একদল মেধাবী আইনজীবী প্রতিনিয়ত তথ্য উপাত্ত আপডেট করে থাকেন অর্থ্যাৎ আপনি নির্ভুল শিখবেন।

৩) আপনি হয়তো শিক্ষানবীশ আইনজীবী। কিন্তু কোর্টের ব্যস্ততায় পড়ার সময় সঙ্কুচিত। ফেসবুক ব্রাউজিং এর পাশাপাশি একটু নিরিবিলি সময় পেলেই ব্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন আমাদের অনলাইনে।

৪) আপনি হয়তো চাকুরীজীবী। ফিজিক্যালি কোচিং এ ভর্তি হবার সুযোগ নেই। সময়ও কম। সে কারনে ই-লার্নিং আপনার জন্য সর্বোত্তম পন্থা।

৫) আমাদের রয়েছে দক্ষ অনলাইন কর্মী যারা আপনাকে সকাল ১০.০০ টা থেকে রাত ১০.০০ পর্যন্ত অনলাইন সেবা প্রদান করবেন।

৬) আমাদের ই-লার্নিং সেবাটি এন্ড্রয়েড মোবাইলেও ব্যবহার করা যায় সাবলীলভাবে এবং ২৪ ঘন্টাই ব্যবহার করতে পারবেন।

৭) আমরা আর্ন্তজাতিক মানের সার্ভার (ইউএসএ সার্ভার) ব্যবহার করি অর্থ্যাৎ সার্ভার ডাউন হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

৮) আমাদের রয়েছে আর্ন্তজাতিক মানের কমোডো এস.এস.এল সার্টিফিকেট সুতরাং আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল থাকবে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

এরকম অসংখ্য কারণেই আপনি আমাদের সাথে জয়েন করতে পারেন।

ই-লার্নিং সম্পর্কে বিস্থারিত জানতে ক্লিক করুন

ই-লার্নিং সম্পর্কে বিস্থারিত জানতে ক্লিক করুন

ই-লানিং এর মাধ্যমে কি কি পাব?

  • ৩০০+ মডেল টেষ্ট (আইনগত ব্যাখ্যাসহ);
  • ৩০০০+ ইউনিক এম.সি.কিউ;
  • বিষয়ভিত্তিক মডেল টেষ্ট;
  • বিষয়ভিত্তিক ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন;
  • ধারাভিত্তিক ভিডিও লেকচার;
  • লিখিত পরীক্ষার জন্য বিষয়ভিত্তিক হেন্ডনোট;
  • মৌখিক পরীক্ষার জন্য সার্বিক সহযোগীতা।

আইন সংক্রান্ত ভিডিও লেকচার কিভাবে দেখব?

আমাদের YouTube চ্যানেলে প্রতিদিন নতুন নতুন ভিডিও আপলোড করা হবে। YouTube চ্যানেলে Subscribe না করলে নতুন ভিডিও লেকচারের Notifications পাবেন না। ফ্রী ভিডিও লেকচারের Notifications পেতে নিচের “সাবক্রাইব করুন” বাটনে ক্লিক করুন।

সাবসক্রাইব করুন

বিঃদ্রঃ যারা মোবাইলে ব্যবহার করবেন তারা Google Play Store এ প্রবেশ করে legalstudy এক সাথে লিখে সার্চ দিন অথবা নিচের GET IT ON Google Play বাটনে ক্লিক বা স্পর্শ করে Apps ডাউনলোড করতে পারেন।

সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহ

ধারা ১ থেকে ৫ পর্যন্ত দেখতে ক্লিক করুন

ধারা ১ থেকে ৫ পর্যন্ত দেখতে ক্লিক করুন

ধারা ১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, আরম্ভ ও ব্যাপ্তিঃ
(১) এই আইন ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি নামে অভিহিত হবে; এবং ইহা ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকরী হবে।
(২) ইহা বাংলাদেশের সর্বত্র প্রযোজ্য হবে; তবে বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে ইহা বর্তমানে বলবৎ কোন বিশেষ অথবা স্থানীয় আইন, কোন বিশেষ এখতিয়ার অথবা ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন দ্বারা নির্ধারিত কোন বিশেষ কার্যবিধি লংঘন করবে না।
ধারা ৩। (১) বাতিল।
(২) পূর্বেকার আইনে ব্যবহৃত শব্দঃ এই কার্যবিধি বলবৎ হওয়ার পূর্বে যে সমস্ত আইন পাস হয়েছে, তাতে “ম্যাজিষ্ট্রেটের পূর্ণ ক্ষমতাসম্পন্ন অফিসার” স্থলে “প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট”, “প্রথম শ্রেণীর অধস্তন ম্যাজিষ্ট্রেট” স্থলে “দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট”, ২য় শ্রনীর “অধস্তন ম্যাজিষ্ট্রেট” এর স্থলে “তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট, “জিলার ম্যাজিষ্ট্রেট” স্থলে “জিলা ম্যাজিষ্ট্রেট” পড়তে হবে।
ধারা ৪। সংগাঃ
(১) বিষয়বস্তু অথবা প্রসংগ হতে ভিন্ন অভিপ্রায় প্রতীয়মান না হলে এই বিধিতে নিম্নলিখিত শব্দ অভিব্যক্তির নিম্নলিখিত অর্থ হবেঃ
(ক) “এডভোকেট” কোন আদালতের কার্যক্রম প্রসংগে ‘এডভোকেট” অর্থ বলবৎ আইন অনুযায়ী এরূপ যেকোন আদালতে আইন ব্যবসা করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এডভোকেট বা মোক্তার এবং ইহা এরূপ কার্যক্রমে আদালতের অনুমতিক্রমে নিযুক্ত যেকোন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
(কক) “এটর্নি জেনারেল” অর্থ বাংলাদেশের অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অথবা সহকারী এটর্নি জেনারেল অথবা সরকারী এডভোকেট অথবা বিভিন্ন সময়ে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এরূপ দায়িত্ব পালনের জন্য অফিসারকে অর্ন্তভূক্ত করবে।
(খ) “জামিনযোগ্য অপরাধ” অর্থে বাংলাদেশের জন্য নিযুক্ত এটর্নি জেনারেল এবং সেই সমস্ত অপরাধ যা দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখান হয়েছে অথবা যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিনযোগ্য করা হয়েছে; এবং “জামিনের অযোগ্য অপরাধ” বলতে অন্য যেকোন অপরাধ বুঝাবে।
(গ) “চার্জ” একাধিক দফা সম্বলিত চার্জের যেকোন দফার অন্তভূক্ত হবে।
(ঘ) বাতিল
(ঙ) “রাষ্ট্রীয় কেরানী” এই আইন দ্বারা রাষ্ট্রীয় কেরানীকে প্রদত্ত কার্য সম্পাদনের জন্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক বিশেষভাবে নিযুক্ত যেকোন অফিসার ও রাষ্ট্ৰীয় কেরানী অন্তর্ভুক্ত হবে।
(চ) “আমলাযোগ্য অপরাধ” ও আমলযোগ্য কেস” অর্থ সেই সমস্ত অপরাধ ও মামলা বুঝায় যাহার জন্য বা যাহাতে দ্বিতীয় তফসিলে বর্ণিত অথবা বর্তমানে কার্যকরী বুঝাইবে।
(ছ) বাতিল
(জ) “নালিশ” অর্থ ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক এই আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে তার নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে, কিন্তু এতে পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট অন্তভূক্ত হবে না।
(ঝ) বতিল।
(ঞ) “হাইকোর্ট বিভাগ” অর্থ ফৌজদারী আপীল অথবা রিভিশনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ।
(ট) “ইনকোয়ারী” অর্থ এই আইন অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা আদালত কর্তৃক পরিচালিত বিচার ব্যতিত সমস্ত ইনকোয়ারী।
(ঠ) “তদন্ত” অর্থ সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন পুলিশ অফিসার অথবা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি (ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রম।
(ড) “বিচারিক কার্যক্রম” সেই সমস্ত কার্যক্রম সেই সমস্ত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হবে যাতে আইনসংগতভাবে শপথপূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে।
(ঢ) “আমলের অযোগ্য অপরাধ” ও “আমলের অযোগ্য কেস” অর্থ সই সমস্ত অপরাধ ও কেস যে সমস্ত ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারেন না ।
(ণ) “অপরাধ” অর্থ সেই সমস্ত কার্য অথবা কার্য-বিরতি যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে শাস্তিযোগ্য। এতে সেই সমস্ত কার্য অন্তর্ভুক্ত হবে, সে সম্পর্কে ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর বে-আইনী প্রবেশ আইনের ২০ ধারা অনুসারে অভিযোগ দায়ের করা যাবে পারে।
(ত) “থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার” সেই সমস্ত অফিসারকেও অন্তর্ভুক্ত করবে, যারা কনষ্টেবল পদের উপরে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসারের অব্যবহিত নীচে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসারের অনুপস্থিতি, অসুস্থতা অথবা অন্য কোন কারণে তিনি তার কার্য সম্পাদন করতে না পারলে, তার স্থলে থানায় উপস্থিত থাকেন; অথবা সরকার নির্দেশ দিলে উপস্থিত অন্য যেকোন পুলিশ অফিসারকেও বুঝাবে।
(থ) “স্থান” এর মধ্যে বাড়ি, দালান, তাবু ও নৌযান ইহার অন্তভুক্ত।
(দ) বাতিল
(ধ) “থানা” অর্থ সরকার কর্তৃক সাধারণভাবে অথবা বিশেষভাবে থানা বলে ঘোষিত কোন ঘাটি অথবা স্থান। এবং সরকার কর্তৃক এই প্রসংগে নির্ধারিত কোন স্থানীয় এলাকাও ইহার অন্তর্ভুক্ত।
(ন) “পাবলিক প্রসিকিউটর” অর্থ অত্র আইনের ৪৯২ ধারা অনুসারে নিযুক্ত যেকোন ব্যক্তি এবং পাবলিক প্রসিকিউটরের নির্দেশক্রমে কার্যরত ব্যক্তি উহার অন্তর্ভুক্ত হবে।
(প) “উপজেলা” অর্থ উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন) এ যে সংঙ্গায়িত করা হয়েছে।
(ফ) বাতিল।
(ব) বাতিল।
(২) যে সমস্ত শব্দ দ্বারা কোন কার্য করা হয়েছে বলে বুঝাবে, উহা দ্বারা উক্ত কার্য হতে বে-আইনীভাবে বিরত থাকাও বুঝাবে, এবং দণ্ডবিধিতে সে সমস্ত শব্দের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছেঃ এইখানে যা ব্যবহার করা হয়েছে অথবা ইতিপূর্বে সংজ্ঞা দেয়া হয়নি, সেই সমস্ত শব্দের সংজ্ঞা যথাক্রমে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত মতেই বুঝতে হবে।
ধারা ৪ক। উল্লেখ করা হয়েছে এইরূপ শব্দাদির ব্যাখ্যাঃ
(১) অত্র বিধি মতে, প্রসঙ্গ অন্যরূপ নির্দেশ না করিলে, কাহাকে উল্লেখ করিলে তাহার অর্থ হিইবে নিম্নরূপঃ
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেটের উল্লেখ থাকিলে উহা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটকে উল্লেখ করা হইয়াছে বলিয় বুঝিতে হইবে;
(খ) বিশিষ্টার্থক শব্দসহ কিন্তু ঐ শব্দ পরিষ্কারভাবে কোন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ করে না তাহা হইলে তাহা দ্বারা উপধারা (২)(খ)-এ নির্দেশিত প্রকারের একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে উল্লেখ করা হইয়াছে বলিয়া বুঝিতে হইবে;
(গ) কোন মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট উল্লেখ করা হইলে ‍বুঝিতে হইবে তাহা দ্বারা উল্লেখ করা হইয়াছে-
অ) একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে, যদি পালনীয় দায়িত্বসমূহ উপধারা (২) – এর দফা (খ) – এ নির্দেশিত প্রকৃতির হয়; অথবা
আ) মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটকে, কিংবা, যথা যেমন প্রযোজ্য, মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটকে, যদি দায়িত্বসমূহ উপধারা মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটকে, যদি পালনীয় দায়িত্বসমূহ উপধারা (২) – এর দফা (ক)- এ নির্দেশিত প্রকৃতির হয়;
(ঘ) সহকারী দায়রা জজ উল্লেখ থাকিলে যুগ্ম দায়রা জজকে বুঝাইবে;
(ঙ) কোন এলাকা যাহা কোন মহানগর এলাকার অন্তর্গত তাহার উল্লেখ থাকিলে তাহা দ্বারা অনুরূপ মহানগর এলাকা বুঝিতে হইবে;
(চ) কোন মহানগর এলাকার অন্তর্ভূক্ত প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটর উল্লেখ থাকিলে ঐ এলাকায় শাসনাধীন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করিয়াছেন এমন মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটকে বুঝাইবে;
(ছ) মহানগর এলাকার বহির্ভূত কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উল্লেখ থাকিলে ঐ এলাকায় শাসনাধীন ক্ষেত্র প্রয়োগ করিয়াছেন এমন প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটকে বুঝাইবে।
(২) যেই ক্ষেত্রে অত্র কার্যবিধি ব্যতীত বর্তমানে বলবত অন্য কোন আইনের অধীন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের সম্পাদিত কার্যাবলী এমন কোন বিষয়াবলি সংশ্লিষ্ট হয়-
ক) যাহাতে এমন কোন সাক্ষ প্রমান মুল্যায়ন বা যাচাই করা হয় বা সিদ্ধান্ত প্রহণ করা হয় যাহার ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি দন্ড বা জরিমানার সম্মুখীন হয় কিংবা তদন্ত বা অনুসন্ধান বা বিচার বা অন্য কোন কর্যক্রম সাপেক্ষে হেফাজতে আটকের সম্মুখীন হয় কিংবা উপযুক্ত মুল্যায়ন, যাচাই বা সিদ্ধান্ত প্রহণের পরিণতিতে সেই ব্যক্তি বিচারের জন্য আদালতে সোপর্দ হয়, তাহা হইলে তৎসমুদয় অত্র কার্যবিধির বিধান সাপেক্ষে, একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্যের অধীন হইবে, কিংবা
খ) যাহা লাইসেন্স প্রদান, লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিলকরণ, ফৌজদারী মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান বা অনুরূপ মামলা প্রত্যাহার ইত্যাকার প্রশাসনিক বা নির্বাহী প্রকৃতির কার্যাবলীর সহিত সম্পর্কিত হাতা হইলে তৎসমুদয়, পুর্বোক্তরূপ বিধান সাপেক্ষে, একজন নির্বহী ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্যের অধীন হইবে। (২০০৯ সালের ৩২ নং আইন দ্বারা সন্নিবেশিত)
ধারা ৫। দণ্ডবিধি অনুসারে অপরাধের বিচারঃ
(১) দণ্ডবিধিতে বর্ণিত সমস্ত অপরাধের তদন্ত, ইনকোয়ারী, বিচার, অন্য ব্যবস্থা অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে করা হবে।
(২) অন্যান্য আইন অনুসারে অপরাধের বিচারঃ অন্য আইনে বর্ণিত সকল অপরাধের তদন্ত, ইনকোয়ারী, বিচার ও অন্য ব্যবস্থা এই এই বিধান অনুসারে করা হবে; কিন্তু বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে এই সকল অপরাধের তদন্ত, ইনকোয়ারী, বিচার অথবা অন্য ব্যবস্থা গ্রহণের পদ্ধতি অথবা স্থান সম্পর্কে বিধান থাকলে তা-ই প্রযোজ্য হবে।

সংশ্লিষ্ট ভিডিও লেকচার
আপডেট চলছে….

ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর
আপডেট চলছে….

Check Also

পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণী এবং জীবনযাত্রা সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিবরণী, করবর্ষঃ ২০১৮-২০১৯