Legal Study বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি, ফৌজদারী কার্যবিধির ভিডিও লেকচার-১৫ - Legal Study
Saturday , March 23 2019

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি, ফৌজদারী কার্যবিধির ভিডিও লেকচার-১৫

54-BBC CrPC Header

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮
(১৮৯৮ সালের ৫নং আইন)
[ফ্রী ভার্সন]
আপনি ফ্রী ভার্সন ব্যবহার করছেন। প্রিমিয়াম ভার্সন ব্যবহার করতে চাইলে 01716409127, 01729820646, 01703924452, 01688107393 (সকাল ১০.০০টা থেকে রাত ১০.০০টা) এই নাম্বারগুলোতে কল দিয়ে প্রিমিয়াম ভার্সনে নিবন্ধন করে নিন।
ধারা ১৭৭ থেকে ১৯৯খ

35-BBC Sectional Analysis Directions

সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

নির্দেশনাঃ প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, এই অংশে সংশ্লিষ্ট আইনের বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি নিবন্ধিত ফ্রী মেম্বার বা নিবন্ধিত না হয়ে থাকেন তাহলে ধারাগুলো সম্পর্কে একটি ধারণা পাবেন। শুধুমাত্র প্রিমিয়াম মেম্বারদের জন্য বিশ্লেষণাত্মক অংশটুকু ধারাগুলোর নিচে প্রদর্শিত হবে। মনে রাখা ভাল, “আইন হচ্ছে বুঝার বিষয়, মুখস্তের বিষয় নয়”।

সংশ্লিষ্ট ভিডিও লেকচার

1421-YouTube Subscribe

বিঃ দ্রঃ ইউটিউবের মাধ্যমে ভিডিও লেকচার পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটিকে Subscribe করুন। Subscribe না করলে ভিডিও লেকচারের Notifications পাবেন না। Subscribe করতে নিচের SUBSCRIBE NOW বাটনটিতে ক্লিক করে Active থাকুন।

SUBSCRIBE NOW

<<< পূর্ববর্তী পরবর্তী >>>

ধারা ১৭৭। অনুসন্ধান ও বিচারের সাধারণ স্থানঃ প্রত্যেকটি অপরাধ যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয় সাধারণতঃ সেই আদালত কর্তৃক উহার অনুসন্ধান ও বিচার হবে।

ধারা ১৭৮ ৷ বিভিন্ন দায়রা বিভাগে মামলার বিচারের আদেশ দিবার ক্ষমতাঃ ১৭৭ ধারায় যাই থাকুক না কেন, সরকার নির্দেশ দিতে পারবেন যে, যে কোন জেলায় বিচারের জন্য প্রেরিত কোন মামলা বা কোন শ্রেণীর মামলাগুলির বিচার যে কোন দায়রা বিভাগে হতে পারবে ।

ধারা ১৭৯ ৷ অপরাধ সংঘটনের জেলায় বা পরিণাম ঘটার স্থানে আসামীর বিচার হবেঃ যে কাজ করা হয়েছে বা উহার পরিণাম দেখা দিয়াছে ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হলে এরূপ অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কাজ করা হয়েছে সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উহার পরিণাম দেখা দিয়াছে সেই আদালতে হতে পারবে।

উদাহরণঃ

ক) ক নামক এক ব্যক্তি ভ নামক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হলো এবং ঘ নামক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারমধ্যে মৃত্যু মুখে পতিত হলো। ক-এর প্রাণ নাশ করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার ভ বা ঘ আদালতে হতে পারবে।

খ) ক ভ আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হলো এবং ঘ আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে দশদিন এবং ঘ আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে আরও দশদিন যাবৎ তার দৈনন্দিন কাজ করতে পারিল না। ক-কে গুরুতর রূপে আহত করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার ভ, ম বা ঘ আদালতে হতে পারবে ।

গ) ক-কে ভ আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ভীতি প্রদর্শনকারীর নিকট সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করা হলো। ক-এর নিকট হতে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার ভ বা ম আদালতে হতে পারবে।

ঘ) ক ঢাকায় আহত হলো, এবং ইহার ফলে চট্টগ্রামে মারা গেল। ক-এর মৃত্যু ঘটাবার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার চট্টগ্রামে হতে পারবে।

ধারা ১৭৮ ৷ বিভিন্ন দায়রা বিভাগে মামলার বিচারের আদেশ দিবার ক্ষমতাঃ ১৭৭ ধারায় যাই থাকুক না কেন, সরকার নির্দেশ দিতে পারবেন যে, যে কোন জেলায় বিচারের জন্য প্রেরিত কোন মামলা বা কোন শ্রেণীর মামলাগুলির বিচার যে কোন দায়রা বিভাগে হতে পারবে ।

ধারা ১৭৯ ৷ অপরাধ সংঘটনের জেলায় বা পরিণাম ঘটার স্থানে আসামীর বিচার হবেঃ যে কাজ করা হয়েছে বা উহার পরিণাম দেখা দিয়াছে ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হলে এরূপ অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত কাজ করা হয়েছে সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উহার পরিণাম দেখা দিয়াছে সেই আদালতে হতে পারবে

উদাহরণঃ

ক) ক নামক এক ব্যক্তি ভ নামক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হলো এবং ঘ নামক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারমধ্যে মৃত্যু মুখে পতিত হলো। ক-এর প্রাণ নাশ করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার ভ বা ঘ আদালতে হতে পারবে ।

খ) ক ভ আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে আহত হলো এবং ঘ আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে দশদিন এবং ঘ আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে আরও দশদিন যাবৎ তার দৈনন্দিন কাজ করতে পারিল না। ক-কে গুরুতর রূপে আহত করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার ভ, ম বা ঘ আদালতে হতে পারবে ।

গ) ক-কে ভ আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ভীতি প্রদর্শনকারীর নিকট সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করা হলো। ক-এর নিকট হতে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার ভ বা ম আদালতে হতে পারবে।

ঘ) ক ঢাকায় আহত হলো, এবং ইহার ফলে চট্টগ্রামে মারা গেল। ক-এর মৃত্যু ঘটাবার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার চট্টগ্রামে হতে পারবে।

ধারা ১৮০। কৃতকার্য যে ক্ষেত্রে অন্য কোন অপরাধের কারণে অপরাধ সেক্ষেত্রে বিচারের স্থানঃ যখন কোন কাজ অন্য কোন কাজের সাথে সম্পর্ক যুক্ত হবার অপরাধ বলে পণ্য হয় এবং এরূপ অন্য কাজটিও অপরাধ অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অপরাধ করার সমর্থ বলে উহা অপরাধ বলে গণ্য হয়। তখন যে আদালতের এখতিয়ার স্থানীয় এলাকার মধ্যে দুইটি কাজের যে কোন একটি সংঘটিত হয়, সেই আদালতে প্রথমোক্ত অপরাধের, অনুসন্ধান বা বিচার হতে পারবে ।

উদাহরণঃ

ক) অপরাধের সহায়তা দিবার অনুসন্ধান বা বিচার যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সহায়তা দেয়া হয়েছে, সেই আদালতে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত সহায়তা ভিত্তিক অপরাধ সংঘটিত হয়েছে সেই আদালতে হতে পারবে ।

খ) চোরাই মাল গ্রহণ বা রাখার অভিযোগের অনুসন্ধান বা বিচার যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত মাল চুরি করা হয়েছে সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত মালের যে কোন একটি কোন সময়ে অসৎভাবে গ্রহণ করা হয়েছে বা রাখা হয়েছে, সেই আদালতে হতে পারবে ।

গ) অপহৃত বলে জ্ঞাত কোন ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে গোপন করে রাখার অভিযোগের অনসন্ধান বা বিচার যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অন্যায়ভাবে গোপন করে রাখা হয়েছে সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অপহরণ করা হয়েছে, সেই আদালত হতে পারবে ।

ধারা ১৮১। ঠগ হওয়া অথবা ডাকাতের দলভুক্ত হওয়া, হেফাজত হতে পলায়ন করা ইত্যাদিঃ

(১) ঠগ হবার অপরাধ, ঠগ হয়ে খুন, ডাকাতি, খুনসহ ডাকাতি, ডাকাতদলের সঙ্গে থেকে অপরাধ করার অথবা হেফাজত হতে পলায়ন করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার অভিযুক্ত ব্যক্তি যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে রয়েছে সেই আদালতে হতে পারবে।

অপরাধজনক তছরূপ ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গঃ

(২) অপরাধজনক তছরূপ বা অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির কোন অংশ গ্রহণ করেছে বা রেখেছে অথবা অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে সেই আদালতে হতে পারবে।

চুরিঃ

(৩) চুরির অপরাধ অথবা চুরি বা চোরাই মালের দখল সম্পর্কিত কোন অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে, অথবা চোর চোরাইমাল দখলে রেখেছে অথবা চোরাইমাল জেনে বা চোরাইমাল বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি উহা গ্রহণ করেছে বা দখলে রেখেছে সেই আদালতে হতে পারবে।

লোক অপহরণ বা ব্যক্তিহরণঃ

(৪) লোক অপহরণ করা বা ব্যক্তি হরণ করার অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়েছে বা হরন করা হয়েছে অথবা তাকে প্রেরণ করা হয়েছে বা গোপন রাখা হয়েছে বা আটক রাখা হয়েছে সেই আদালতে হতে পারবে ।

ধারা ১৮২। অপরাধের স্থান যেখানে অনিশ্চিত অথবা শুধু এক জেলার নহে অথবা যেখানে অপরাধ চলছে বা একাধিক কার্যের সমষ্টি সেক্ষেত্রে অনুসন্ধান বা বিচারের স্থানঃ যখন ইহা অনিশ্চিত থাকে যে, কয়েকটি স্থানীয় এলাকার কোনটিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যে ক্ষেত্রে কোন অপরাধ আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়, অথবা যেক্ষেত্রে কোন অপরাধ চলছে এমন হয়, এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হতে থাকে, অথবা যেক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকায় কৃত কতিপয় কার্যের সমষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে এরূপ স্থানীয় এলাকায় যে কোন একটিতে এখতিয়ারবান আদালতে উহার অনুসন্ধান ও বিচার চলবে।

ধারা ১৮৩। ভ্রমণকালে সংঘটিত অপরাধঃ ভ্রমণকালে বা সমুদ্র যাত্রায় অপরাধী কর্তৃক সংঘটিত কোন অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার অপরাধী, অথবা যে ব্যক্তি বস্তুর বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে, সে অপরাধী, ব্যক্তির বা বস্তু যে আদালতের স্থানীয় এলাকার মধ্য দিয়া অতিক্রম করে সেই আদালতে হতে পারবে ।

ধারা ১৮৫। সন্দেহের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন যে, কোন জেলায় অনুসন্ধান বা বিচার অনুষ্ঠিত হবেঃ

(১) হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটিতে কোন একটি অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার অনুষ্ঠিত হবে এরূপ কোন প্রশ্ন দেখা দিলে হাইকোর্ট বিভাগ এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

(২) বাদ দেয়া হয়েছে

ধারা ১৮৬। স্থানীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য সমন বা পরোয়ানা জারির ক্ষমতাঃ

(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করেন যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যেকার কোন ব্যক্তি উক্ত সীমার বাইরে বাংলাদেশের ভিতরে বা বাইরে এমন কোন অপরাধ করেছে যা ১৭৭ হবে ১৮৪ ধারা (উভয় ধারাসহ) অথবা বর্তমান বলবৎ কোন আইন মোতাবেক উহা বাংলাদেশে বিচার্য, তখন তিনি অপরাধটি তার স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়েছে বলে ধরে নিয়ে সেই সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারবেন এবং ইতোপূর্বে বার্ণিত পদ্ধতিতে উক্ত ব্যক্তিকে তার নিকট হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন এবং এরূপ অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট তাকে প্রেরণ করতে পারবেন, অথবা অপরাধটি জামিনযোগ্য হলে তাকে হাজির হবার জন্য জামিনদারসহ বা ব্যতিত মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন।

গ্রেফতারের ক্ষেত্রে ম্যাজিষ্ট্রেট পদ্ধতিঃ

(২) যখন এরূপ এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেট একাধিক থাকেন এবং এই ধারানুসারে কার্যরত ম্যাজিষ্ট্রেট স্থির করতে পারেন না যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে বা হাজির হতে বাধ্য করা হবে, তখন তিনি আদেশের জন্য বিষয়টি হাইকোটে প্রেরণ করবেন।

ধারা ১৮৭। অধস্তন ম্যাজিষ্ট্রেট পরোয়ানা ইসু্য করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতিঃ

(১) মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক ১৮৬ ধারার অধীন প্রদত্ত পরোয়ানা বলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হলে তিনি যার অধস্তন সেই জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট আটক ব্যক্তিকে প্রেরণ করবেন, নচেৎ অপরাধটি অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত ব্যক্তির গ্র্রেফতারের জন্য পরোয়ানা প্রদান করে থাকলে আটক ব্যক্তিকে পরোয়ানা প্রয়োগকারী পুলিশ অফিসারের নিকট অর্পণ করতে হবে, অথবা তাকে পরোয়ানা প্রদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

(২) আটক ব্যক্তি যে অপরাধ করেছে বলে অভিযোগ বা সন্দেহ পোষণ করা হয়েছে, সে অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যদি ১৮৬ ধারার অধীন কার্যরত ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত একই জেলার অন্য কোন ফৌজদারী আদালতে হতে পারে, তাহলে উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট সেই ব্যক্তিকে উক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

ধারা ১৮৮। বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের দায়িত্বঃ যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাইরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে তা যেখানেই থাকুক না কেন, কোন অপরাধ করে; তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে পাওয়া যাবে সেইস্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধরে নিয়া সেই মোতাবেক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরকারের অনুমতি ব্যতিত বাংলাদেশে অনুসন্ধান হবে নাঃ তবে শর্ত এই যে, এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী ধারাগুলিতে যাই থাকুক না কেন, সরকারের অনুমতি ব্যতিত ঐরূপ অপরাধ সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বাংলাদেশে হবে না।

আরও শর্ত এই যে, এই ধারার অধীন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে অপরাধটি যদি বাংলাদেশের করা হতো তাহলে যদি উক্ত ব্যবস্থা একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই অপরাধের জন্য পরবতী ব্যবস্থার জন্য প্রতিবন্ধক হতো তাহলে উক্ত ব্যবস্থা বাংলাদেশের বাইরে কোন স্থানে কৃত একই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিদেশী অপরাধী প্রত্যার্পণ আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রতিবন্ধক হবে।

ধারা ১৮৯। জবানবন্দীর নকল ও দাখিলী দলিলাদি সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করতে নির্দেশ দিবার ক্ষমতাঃ যখন ১৮৮ ধারায় উল্লিখিত কোন অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার হয়, তখন সরকার উপযুক্ত মনে করলে নির্দেশ দিতে পারবেন যে, যে স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, সেই এলাকার বিচার বিভাগীয় কোন অফিসারের নিকট যে সাক্ষা দেয়া হয়েছে উহার নকল বা যে আলামত হাজির করা হয়েছে তা অনুসন্ধান বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত কর্তৃক সেসকল ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে, যেসকল ক্ষেত্রে উক্ত আদালত উক্ত সাক্ষ্য বা আলামত সম্পর্কিত বিষয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য কমিশন প্রদান করতে পারবেন।

ধারা ১৯০। ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়াঃ

(১) অতঃপর বর্ণিত ব্যতিক্রম ব্যতিত কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রে, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট এবং এই বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট যেকোন অপরাধ আমলে নিতে পারবেন।

ক) এমন ঘটনাবলী সম্পর্কে অভিযোগ পাইয়া যা দ্বারা উক্ত অপরাধ সংঘটিত হয়:

খ) কোন পুলিশ অফিসারের নিকট হতে এরূপ ঘটনাবলী সম্পর্কে লিখিত রিপোর্ট পাইয়া;

গ) এরূপ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে পুলিশ অফিসার ব্যতিত অন্য কোন লোকের নিকট হতে খবর পাইয়া অথবা নিজের জ্ঞান মতে বা সন্দেহ বশত

(২) সরকার, অথবা সরকারের সাধারণ বা বিশেষ আদেশ সাপেক্ষে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে (১) উপধারার ক) অনুচ্ছেদ বা খ) অনুচ্ছেদের অধীন সেসকল অপরাধ আমলে নিবার ক্ষমতা দিতে পারেন যেগুলির তিনি বিচার করতে পারেন বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারেন

(৩) সরকার প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীব কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে (১) উপধারার গ) অনুচ্ছেদের অধীন সেসকল অপরাধ আমলে নিবার ক্ষমতা দিতে পারেন যেগুলির তিনি বিচার করতে পারেন বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারেন।

(৪) অত্র ধারা বা কার্যবিধির অন্য কোথাও ভিন্নরুপ বিধান থাকা সত্বেও সরকার উপযুক্ত কারণসমূহ এবং সময়কাল নির্ধারণ করতঃ আদেশ প্রদানের মাধ্যমে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে উপধারা (১) এর দফা (ক), (খ) ও (গ) এর আওতায় অপরাধ আমলে লইবার ক্ষমতা অর্পণ কতে পারেন এবং অতঃপর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত তাহা বিচারার্থে প্রেরণ করিবেন।

ধারা ১৯১। আসামীর আবেদনে স্থানান্তরঃ যখন কোন ম্যাজিষ্ট্রেট পূর্ববর্তী ধারার (১) উপধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন অপরাধ আমলে দেন তখন সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে আসামীকে জানাতে হবে যে, সে অন্য আদালতে তার মামলার বিচার পাবার অধিকারী এবং আসামী বা একাধিক আসামী থাকলে তাদের মধ্যে যেকোন একজন উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট দ্বারা বিচার পরিচালনায় আপত্তি করলে মামলাটি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট দ্বারা বিচারের পরিবর্তে দায়রা আদালতে সোপর্দ করতে হবে অথবা অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট নিকট হস্তান্তর করতে হবে।

ধারা ১৯২। ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক মামলা স্থানান্তরঃ

(১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট যে বিষয়টি আমলে এনেছেন তা তিনি তার অধীনস্থ কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট কোন বিষয় আমলে আনলে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীর বিচার করবে বা তাকে বিচারের জন্য প্রেরণ করতে যোগ্যতাসম্পন্ন একই জেলার অন্য কোন নির্দিষ্ট ম্যাজিষ্ট্রেটকে ইহা অনুসন্ধান বা বিচারের ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন, এবং এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট তদনুসারে কেসটি নিস্পত্তি করবেন।

ধারা ১৯৩। দায়রা আদালত কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়াঃ

(১) এই আইন অথবা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে ব্যক্তভাবে বিধান থাকা ব্যতিত উক্ত বিষয়ে যথাযথভাবে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীকে প্রেরণ না করলে কোন দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হিসাবে অপরাধ আমলে নিবেন না।

(২) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে সকল মামলা বিচারের নির্দেশ দিবেন অথবা কোন বিভাগের দায়রা জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে সকল মামলা বিচারের জন্য হস্তান্তর করবেন, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও সহকারী দায়রা জজগণ কেবলমাত্র সেসকল মামলার বিচার করবেন।

ধারা ১৯৫। সরকারী কর্মচারীর আইন সংগত কর্তৃত্ব অবমাননার অভিযোগঃ

(১) কোন আদালত আমলে আনবেন না

ক) সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মচারী অথবা তিনি যার অধীনস্ত তার লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ১৭২ ধারা হতে ১৮৮ ধারার অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ;

জনসাধারণের ন্যায় বিচার বিরোধী কতিপয় অপরাধের অভিযোগঃ

খ) অপরাধটি কোন আদালতের কার্যক্রমে বা কোন কার্যক্রম সম্পর্কে করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলে উক্ত আদালত বা উহা যে আদালতের অধস্তন সেই আদালতের লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ১৯৩, ১৯৪, ১৯৫, ১৯৬, ১৯৯, ২০০, ২০৫, ২০৬, ২০৭, ২০৮, ২০৯, ২১০, ২১১ বা ২২৮ ধারার অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ অথবা,

সাক্ষ্যে প্রদত্ত দলিলাদি সম্পর্কিত কতিপয় অপরাধের অভিযোগঃ

গ) অপরাধটি কোন আদালতের কোন কার্যক্রমে পেশকৃত বা সাক্ষ্যে গৃহীত কোন দলিল সম্পর্কে উক্ত কার্যক্রমের কোন পক্ষ কর্তৃক সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলে উক্ত আদালত বা উহা যে আদালতের অধস্তন সেই আদালতের লিখিত অভিযোগ ব্যতিত দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় বর্ণিত বা ৪৭১, ৪৭৫ বা ৪৭৬ ধারার অধীন গণ্ডনীয় কোন অপরাধ ।

(২) উপধারা (১)-এর (খ) (গ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আদালত বলতে দেওয়ানী রাজস্ব বা ফৌজদারী আদালত বুঝায়, কিন্তু ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন কোন রেজিষ্টার বা সাব রেজিষ্ট্রারকে বুঝায় না।

(৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে কোন আদালতকে সেই আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করা হবে যে আদালতে পূর্বতন আদালতের আপীলযোগ্য ডিক্রি বা দণ্ডের বিরুদ্ধে সাধারণতঃ আপীল করা যায় অথবা দেওয়ানী আদালতের ক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে সাধারণতঃ সাধারণ মূল এখতিয়ার সম্পন্ন প্রধান আদালতে আপীল চলে না সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে উক্ত দেওয়ানী আদালত অবস্থিতঃ

তবে শর্ত এই যে

ক) যখন কোন নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক আদালত আপীল চলে, তখন উক্ত আদালতকে নিম্ন মানের এখতিয়ারবান আপীল আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করতে হবে, এবং

খ) যখন দেওয়ানী আদালতে আপীল চলে এবং রাজস্ব আদালতেও আপীল চলে, তখন যে মামলা বা কার্যক্রম সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, সেই মামলা বা কার্যক্রমের প্রকৃতি অনুসারে উক্ত আদালতকে দেওয়ানী বা রাজস্ব আদালতের অধস্তন বলে গণ্য করতে হবে।

(৪) (১) উপ-ধারায় উল্লেখিত অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে উক্ত (১) উপধারার বিধানাবলী অপরাধ করার ষড়যন্ত্র, সহায়তা এবং চেষ্টার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

(৫) কোন সরকারী কর্মচারী (১) উপধারার (ক) অনুচ্ছেদের অধীন অভিযোগ করলে তিনি যে কর্তৃপক্ষের অধস্তন সেই কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারেন এবং এরূপ করা হলে উক্ত কর্তৃপক্ষ উক্ত আদেশের একটি নকল আদালতে প্রেরণ করবেন এবং আদালত উহা পাবার পর উক্ত অভিযোগ সম্পর্কে আর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।

ধারা ১৯৬। রাষ্ট্র বিরোধী অপরাধের অভিযোগঃ সরকার বা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসারের আদেশ বা কর্তৃত্ব বলে দায়েরকৃত নালিশ ব্যতিত কোন আদালত দণ্ডবিধির ৬ বা ৯ক অধ্যায়ের অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ (১২৭ ধারা ব্যতিত) অথবা একই বিধির ১০৮ক বা ১৫ক বা ২৯৪ক বা ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধ আমলে আনবেন না।

ধারা ১৯৬ক। কতিপয় অপরাধজনক ষড়যন্ত্রের অভিযোগঃ কোন আদালত দণ্ডবিধির ১২০খ ধারার অধীন দণ্ডনীয় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অপরাধ আমলে আনবেন না।

(১) যেক্ষেত্রে ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য অপরাধ ব্যতিত কোন বে-আইনী কাজ করা, অথবা বেআইনী উপায়ে কোন আইনসংগত কাজ করা অথবা এমন কোন অপরাধ করা যার প্রতি ১৯৬ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হয় এবং সরকার বা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন অফিসারের আদেশ বা কর্তৃত্ব বলে অভিযোগ করা না হয়, অথবা

(২) যেক্ষেত্রে ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য কোন আমলঅযোগ্য অপরাধ করা বা এমন আমলযোগ্য অপরাধ করা যা মৃত্যুদণ্ড, যাবজীবন কারাদণ্ড অথবা দুই বৎসর বা ততোধিককালের সশ্রম কারাদণ্ডের দণ্ডনীয় নহে, এবং যদি সরকার, অথবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে ক্ষমতা প্রাপ্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশ দ্বারা কার্যক্রম শুরু করার অনুমতি না দেনঃ

তবে শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অপরাধজনক ষড়যন্ত্রটির জন্য ১৯৫ ধারার (৪) উপধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য, সেক্ষেত্রে এরূপ কোন সম্মতির প্রয়োজন হবে না।

ধারা ১৯৬খ। কতিপয় ক্ষেত্রে প্রাথমিক অনুসন্ধানঃ যে অপরাধের ক্ষেত্রে ১৯৬ বা ১৯৬ক ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য সেক্ষেত্রে উক্ত ধারাগুলিতে বা এই বিধির জন্য অন্য কোন অংশে যাই থাকুক না কেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা কোন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ইন্সপেক্টরের নিম্নপদের নহে এরূপ কোন পুলিশ অফিসারের দ্বারা প্রাথমিক সিদ্ধান্তের আদেশ দিতে পারবেন এবং এরূপ ক্ষেত্রে উক্ত পুলিশ অফিসারের ১৫৫ ধারার (৩) উপ-ধারায় বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে।

ধারা ১৯৭ বিচারক এবং সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগঃ

(১) যখন দণ্ডবিধির ১৯ ধারার অর্থানুসারে কোন জজ, অথবা যখন কোন ম্যাজিষ্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক বা সরকারের মঞ্জুরী ব্যতিত অপসারণযোগ্য নহে এরূপ কোন সরকারী কর্মচারী বলে অভিযোগ করা হয়, তখন সরকারের পূর্বানুমতি ব্যতিত কোন আদালত সেরূপ অপরাধ আমলে আনবেন না।

অভিযোগের ব্যাপারে সরকারের ক্ষমতাঃ

(২) উক্ত জজ, ম্যাজিষ্ট্রেট বা সরকারী কর্মচারী অপরাধ বা অপরাধসমূহের অভিযোগ কার দ্বারা বা কিভাবে করা হবে সরকার তা নির্ধারণ করবেন এবং কোন আদালতে বিচার হবে তার নির্দিষ্ট করে দিতে পারবেন।

ধারা ১৯৮। চুক্তিভঙ্গ, মানহানি ও বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধের অভিযোগঃ সংশ্লিষ্ট অপরাধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির নালিশ ব্যতিত কোন আদালত দণ্ডবিধির ১৯ বা ২১ অধ্যায়ের অধীন অথবা ৪৯৩ হতে ৪৯৬ ধারায় (উভয় ধারাসহ) অন্তর্ভুক্ত কোন অপরাধ আমলে নিবেন না।

তবে শর্ত এই যে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি যদি এরূপ মহিলা হন, যাকে দেমের রীতিনীতি ও প্রথানুসারে জন সমক্ষে বের হতে বাধ্য করা উচিত নয়, অথবা উক্ত ব্যক্তির বয়স যদি আঠারো বৎসরের নীচে হয়, অথবা সে যদি আহাম্মক বা উম্মাদ হয়, অথবা পীড়া বা অক্ষমতা বশতঃ অভিযোগ করতে অসমর্থ হয়, তাহলে আদালতের অনুমতি নিয়ে অন্য কোন লোক তার পক্ষ হতে অভিযোগ করতে পারবেন;

আরও শর্ত এই যে, দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার অপরাধে ক্ষতিগ্রস্ত স্বামী যদি সশস্ত্র বাহিনীর কোন শাখায় চাকুরীতে থাকেন এবং তার চাকুরীর শর্ত সম্পর্কে তার কমান্ডিং অফিসার সার্টিফিকেট দেন যে, ব্যক্তিগতভাবে অভিযোগ করার জন্য তিনি ছুটি পেতে পারেন না, তাহলে ১৯৯খ ধারার (১) উপধারানুসারে উক্ত স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতায় ক্ষমতাবান অন্য কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে তার পক্ষ হতে অভিযোগ করতে পারবেন

ধারা ১৯৯। ব্যভিচার অথবা বিবাহিতা স্ত্রীলোককে ফুসলায়ে নিবার অভিযোগঃ সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকটির স্বামীর অভিযোগ ব্যতিত, অথবা তার অনুপস্থিতিতে যে ব্যক্তি তার পক্ষ হতে অপরাধ সংঘটনের সময় স্ত্রীলোকটির তত্ত্বাবধান করত আদালতের অনুমতিক্রমে সেই ব্যক্তির অভিযোগ ব্যতিত কোন আদালত দণ্ডবিধির ৪৯৭ অথবা ৪৯৮ ধারা কোন অপরাধ আমলে নিবেন না;

তবে শর্ত এই যে, স্বামীর বয়স যদি আঠারো বৎসরের কম হয়, অথবা উক্ত স্বামী যদি আহাম্মক বা উন্মাদ হয়, অথবা পীড়া বা অক্ষমতাবশতঃ অভিযোগ করতে অসমর্থ হয়, তাহলে আদালতের অনুমতি নিয়ে অন্য কোন ব্যক্তি তার পক্ষ হতে অভিযোগ করতে পারবেন;

আরও শর্ত এই যে, উক্ত স্বামী যদি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কোন শাখায় চাকুরীরত থাকেন এবং তার চাকুরীর শর্ত সম্পর্কে তার কমান্ডিং অফিসার যদি সার্টিফিকেট দেন যে ব্যক্তিগতভাবে অভিযোগ করার জন্য তিনি ছুটি পেতে পারেন না এবং উপযুক্ত মতে স্ত্রীলোকটির তত্ত্বাবধানকারী ব্যক্তি যখন কোন অভিযোগ করেননি, তখন ১৯৯খ ধারার (১) উপধারার অধীন স্বামী প্রদত্ত ক্ষমতায় ক্ষমতাবান অন্য কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে তার অভিযোগ করতে পারবেন।

ধারা ১৯৯ক৷ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ভিন্ন অন্য ব্যক্তির অভিযোগ সম্পর্কে আইন সংগত অভিভাবকের আপত্তিঃ যখন ১৯৮ ধারা বা ১৯৯ ধারার কোন ক্ষেত্রে যে ব্যক্তির পক্ষ হতে অভিযোগ করার প্রস্তাব করা হচ্ছে, সেই ব্যক্তির বয়স যদি আঠারো বৎসরের কম হয় অথবা সে যদি পাগল হয়, এবং অনুমতির জন্য আবেদনকারী ব্যক্তি কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক উক্ত নাবালক বা পাগলের দেহের অভিভাবক নিযুক্ত বা ঘোষিত না হয় এবং আদালত যখন সম্ভষ্ট হন যে, একইভাবে বা ঘোষিত একজন অভিভাবক আছে তখন উক্ত অভিভাবককে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুমতির আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে আদালত তাকে এই আবেদন মঞ্জুর করার বিরুদ্ধে আপত্তি করার জন্য যুক্তিসংগত সুযোগ দিবেন।

ধারা ১৯৯খ৷ ১৯৮ বা ১৯৯ ধারার দ্বিতীয় শর্তানুসারে ক্ষমতা প্রদানের ধরনঃ

(১) ১৯৮ ধারার দ্বিতীয় শর্ত এবং ১৯৯ ধারার দ্বিতীয় শর্ত অনুসারে স্বামী কর্তৃক তার পক্ষ হতে অভিযোগ করার জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে প্রদত্ত লিখিত এবং স্বামী কর্তৃক স্বাক্ষরিত অন্য কোনভাবে প্রত্যায়িত হবে এবং উহাতে এই মর্মে বিবৃতি থাকবে যে, তাকে অভিযোগসমূহ জানানো হয়েছে এবং উহার ভিত্তিতেই অভিযোগ করা হবে; উহা উক্ত শর্তাবলীতে উল্লেখিত অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত এই মর্মে একটি সার্টিফিকেট থাকবে যে ব্যক্তিগতভাবে নালিশ করার জন্য স্বামীকে আপাততঃ ছুটি দেয়া যাবে না।

(২) এরূপ কর্তৃত্ব বলে কথিত এবং (১) উপধারার বিধানাবলীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোন দলিল বিপরীত প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত বলে ধারায় নেয়া হবে এবং সাক্ষ্যে গৃহীত হবে।

ধারা ১৯৯খ৷ ১৯৮ বা ১৯৯ ধারার দ্বিতীয় শর্তানুসারে ক্ষমতা প্রদানের ধরনঃ

(১) ১৯৮ ধারার দ্বিতীয় শর্ত এবং ১৯৯ ধারার দ্বিতীয় শর্ত অনুসারে স্বামী কর্তৃক তার পক্ষ হতে অভিযোগ করার জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে প্রদত্ত লিখিত এবং স্বামী কর্তৃক স্বাক্ষরিত অন্য কোনভাবে প্রত্যায়িত হবে এবং উহাতে এই মর্মে বিবৃতি থাকবে যে, তাকে অভিযোগসমূহ জানানো হয়েছে এবং উহার ভিত্তিতেই অভিযোগ করা হবে; উহা উক্ত শর্তাবলীতে উল্লেখিত অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত এই মর্মে একটি সার্টিফিকেট থাকবে যে ব্যক্তিগতভাবে নালিশ করার জন্য স্বামীকে আপাততঃ ছুটি দেয়া যাবে না।

(২) এরূপ কর্তৃত্ব বলে কথিত এবং (১) উপধারার বিধানাবলীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোন দলিল বিপরীত প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত বলে ধারায় নেয়া হবে এবং সাক্ষ্যে গৃহীত হবে।

<<< পূর্ববর্তী পরবর্তী >>>

Check Also

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি, ফৌজদারী কার্যবিধির ভিডিও লেকচার-৪৪

তফসিল সংশ্লিষ্ট ভিডিও লেকচার

Messenger icon