Sunday , August 31 2025

Section 1. Short title, extent and commencement | সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, পরিধি ও কার্যকারিতা

তামাদি আইন, ১৯০৮

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি

গাইডলাইনঃ সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যারা লাইভ কাউন্সিলিং এর আওতায় রয়েছেন তাদেরকে Bar Council Exam Preparation সংক্রান্ত সকল আপডেট মোবাইল SMS এর মাধ্যমে জানানো হবে।
তামাদি আইনের সূচীপত্রে ফিরে যান।

ধারার ইংরেজী ভার্সনঃ

Section 1. Short title, extent and commencement:
(1) This Act may be called the Limitation Act, 1908.
(2) It extends to the whole of Bangladesh.
(3) This section and section 31 shall come into force at once. The rest of this Act shall come into force on the first day of January, 1909.

ধারার বাংলা ভার্সনঃ

ধারা ১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, পরিধি ও কার্যকারিতাঃ
(১) এই আইনটি তামাদি আইন, ১৯০৮ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত।
(৩) এই ধারা ও ধারা ৩১ অবিলম্বে কার্যকর হইবে। এই আইনের অবশিষ্ট অংশ ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি তারিখে কার্যকর হইবে।

বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা

এই ধারাটি তামাদি আইন, ১৯০৮ এর একটি প্রারম্ভিক ও পরিচিতিমূলক বিধান। এটি আইনের তিনটি প্রধান দিক তুলে ধরেঃ আইনের নাম, এর ভৌগোলিক পরিধি এবং এর কার্যকর হওয়ার তারিখ। যদিও এটি একটি সাধারণ সূচনা ধারা, এর প্রতিটি উপধারারই আইনি এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।
ধারাটির মূল বিষয়বস্তুঃ
এই ধারাটি তিনটি উপধারায় বিভক্তঃ
উপধারা (১) - সংক্ষিপ্ত শিরোনাম (Short title):
আইনটির আনুষ্ঠানিক নাম হলো “The Limitation Act, 1908” বা “তামাদি আইন, ১৯০৮”। এটি আইনের একটি সংক্ষিপ্ত ও সুস্পষ্ট পরিচিতি, যা এর মূল বিষয়বস্তু অর্থাৎ আইনি প্রতিকার চাওয়ার সময়সীমা নিয়ে কাজ করে।
উপধারা (২) - পরিধি (Extent):
আইনটি বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত। এর মানে হলো, তামাদি আইন বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, এবং অঞ্চলে সমানভাবে প্রযোজ্য। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে এই আইনটি কোনো বিশেষ অঞ্চল বা প্রদেশের জন্য সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমগ্র দেশের জন্য প্রযোজ্য।
উপধারা (৩) - কার্যকারিতা (Commencement):
এই উপধারাটি আইনের কার্যকারিতার তারিখ নিয়ে আলোচনা করে এবং দুটি ভিন্ন তারিখ নির্দিষ্ট করেঃ
অবিলম্বে কার্যকরঃ ধারা ১ (অর্থাৎ এই ধারা) এবং ধারা ৩১ অবিলম্বে (at once) কার্যকর হবে। ধারা ৩১ ঋণ আদায় সংক্রান্ত একটি বিশেষ বিধান, যা ১৯০৮ সালে আইনটি প্রণয়নের সময় থেকে কার্যকর করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে কার্যকরঃ আইনের বাকি সব ধারা ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। এই বিলম্বের কারণ হলো আইনটি কার্যকর হওয়ার আগে বিচারপ্রার্থীদের এবং বিচার ব্যবস্থার প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া।
এই ধরনের আলাদা কার্যকারিতা তারিখ আইনি ব্যবস্থায় একটি বিরল ঘটনা, যা আইনটির প্রণয়নের সময় এর বিশেষ গুরুত্ব এবং জরুরি প্রয়োজনীয়তাকে নির্দেশ করে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটঃ
এই আইনটি ব্রিটিশ ভারতে প্রণীত হয়েছিল। এর মূল কাঠামো এবং ভাষা ব্রিটিশ আমলের। পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, আইনটি কিছু প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সহ বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাই, এর মূল নাম এবং তারিখ ব্রিটিশ আমলের হলেও, এর প্রয়োগ এখন বাংলাদেশের আইনি প্রেক্ষাপটে করা হয়।
সংক্ষেপে, ধারা ১ হলো আইনের একটি প্রারম্ভিক বিধান যা এর পরিচয়, প্রয়োগের ক্ষেত্র এবং সময়সীমা নির্ধারণ করে। এর সুনির্দিষ্ট কার্যকারিতা তারিখ বিচারিক প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি স্থাপন করে। এই ধরনের প্রাথমিক ধারাগুলো বোঝা জরুরি কারণ এগুলো একটি আইনের কার্যকারিতা ও প্রয়োগের মৌলিক দিকগুলো নির্ধারণ করে।

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *