Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Monday , August 19 2019

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি, দন্ডবিধির ভিডিও লেকচার-২০

55-BBC Penal Code Header

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি
দন্ডবিধি, ১৮৬০
(১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন)
[ফ্রী ভার্সন]
আপনি ফ্রী ভার্সন ব্যবহার করছেন। প্রিমিয়াম ভার্সন ব্যবহার করতে চাইলে 01716409127, 01729820646, 01703924452, 01688107393 (সকাল ১০.০০টা থেকে রাত ১০.০০টা) এই নাম্বারগুলোতে কল দিয়ে প্রিমিয়াম ভার্সনে নিবন্ধন করে নিন।
ধারা ৪৬৩ থেকে ৪৮৯ঙ

35-BBC Sectional Analysis Directions

সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

নির্দেশনাঃ প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, এই অংশে সংশ্লিষ্ট আইনের বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি নিবন্ধিত ফ্রী মেম্বার বা নিবন্ধিত না হয়ে থাকেন তাহলে ধারাগুলো সম্পর্কে একটি ধারণা পাবেন। শুধুমাত্র প্রিমিয়াম মেম্বারদের জন্য বিশ্লেষণাত্মক অংশটুকু ধারাগুলোর নিচে প্রদর্শিত হবে। মনে রাখা ভাল, “আইন হচ্ছে বুঝার বিষয়, মুখস্তের বিষয় নয়”।

সংশ্লিষ্ট ভিডিও লেকচার

1421-YouTube Subscribe

বিঃ দ্রঃ ইউটিউবের মাধ্যমে ভিডিও লেকচার পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটিকে Subscribe করুন। Subscribe না করলে ভিডিও লেকচারের Notifications পাবেন না। Subscribe করতে নিচের SUBSCRIBE NOW বাটনটিতে ক্লিক করে Active থাকুন।

SUBSCRIBE NOW

<<< পূর্ববর্তী পরবর্তী >>>

ধারা ৪৬৩। জালিয়াতি: কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।

ধারা ৪৬৪। মিথ্যা দলিল প্রণয়ন: নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-

প্রথমত: যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা

দ্বিতীয়ত: কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা

তৃতীয়ত: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্ৰমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণ করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।

উদাহরণসমূহ:

(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।

(খ) ক চ-এর অনুমতি ব্যতীত একটি দলিলে চ-এর সীলমোহর অঙ্কিত করে। দলিলটি-এর কোন সম্পত্তি ক-এর কাছে হস্তান্তর সম্পর্কিত। ক-এর উদ্দেশ্য, এইভাবে চএর অনুমতি ব্যতীত দলিলটিতে চ-সীলমোহর অঙ্কিত করে সম্পত্তিটি সে খ-এর কাছে বিক্রয় করে অর্থলাভ করবে। ক জালিয়াতি করেছে।

(গ) ক জনৈক ব্যাঙ্কারের নামে খ দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি বাহককে প্রদেয় চেক পায়। চেকটিতে কোন পরিমাণ উল্লেখ নাই। ক প্রবঞ্চনামূলক ভাবে চেকটিতে দশ হাজার টাকা লিখে উহা পূরণ করে নেয়। ক জালিয়াতি করেছে।

(ঘ) ক জনৈক ব্যাঙ্কারের নামে একটি চেক স্বাক্ষর করে উহা তার এজেন্ট খ-এর কাছে রেখে যায়। চেকটিতে টাকার পরিমাণ উল্লেখ নাই। ক-ঋণ পরিশোধের উদ্দেশ্যে খ-কে চেকটিতে অনধিক দশ হাজার টাকা লিখে উহা পূরণ করার ক্ষমতা দেয়। খ প্রতারণামূলকভাবে চেকটিতে বিশ হাজার টাকা লিখে উহা পূরণ করে নেয়। খ জালিয়াতি করেছে।

(ঙ) ক খ-এর সম্মতি ব্যতীত খ-এর নামে নিজের বরাবরে একটি বিল অব একচেঞ্জ সম্পাদনা করে। ক-এর উদ্দেশ্য, সে উহাকে একটি প্রকৃত বিল হিসাবে ব্যাঙ্কারের কাছে উপস্থাপন করবে এবং উহা পরিণত হওয়ার পর অর্থ গ্রহণ করবে। এখানে যেহেতু ব্যাঙ্কারকে খ-এর জামানত পেয়েছে বলে বিশ্বাস করা বা প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে ক বিলটি সম্পাদন করেছে সেহেতু ক-জালিয়াতির দায়ে অপরাধী হবে।

(চ) চ-এর দানপত্রে এই কথাগুলি লিপিবদ্ধ রয়েছে- আমি নির্দেশ করছি যে আমার সমুদয় অবশিষ্ট সম্পত্তি ক খ ও গ-এর মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে দিতে হবে। ক অসাধুভাবে খ-এর নাম কেটে দেয়। তার উদ্দেশ্য সমুদয় সম্পত্তি কেবল তার ও গ-এর প্রাপ্য বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করা। ক জালিয়াতি করেছে।

(চ) চ-এর দানপত্রে এই কথাগুলি লিপিবদ্ধ রয়েছে- আমি নির্দেশ করছি যে আমার সমুদয় অবশিষ্ট সম্পত্তি ক খ ও গ-এর মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে দিতে হবে। ক অসাধুভাবে খ-এর নাম কেটে দেয়। তার উদ্দেশ্য সমুদয় সম্পত্তি কেবল তার ও গ-এর প্রাপ্য বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করা। ক জালিয়াতি করেছে।

(ছ) ক একটি গভর্নমেন্ট প্রমিসর নোট অনুমোদন করে বিলটির উপর চি কিংবা তার আদিষ্ট ব্যক্তিকে দেওয়া হোকrsquo; লিখে উহা চ-কে কিংবা তার আদেশ মতে প্রদেয় বলে উল্লেখ করে ও তার পৃষ্ঠাঙ্কন স্বাক্ষর করে। খ অসাধুভাবে ldquo;চ কিংবা তার আদিষ্ট ব্যক্তিকে দেওয়া হোক কথাগুলি মুছে দিয়ে বিশেষ পৃষ্ঠাঙ্কনকে একটি অনির্দিষ্ট পৃষ্ঠাঙ্কনে রূপান্তরিত করে। খ জালিয়াতি করেছে।

(জ) ক একটি সম্পত্তি বিক্রয় করে উহা চ-কে অর্পণ করে । ক পরে চ-কে তার সম্পত্তি হতে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে সে একই সম্পত্তি খ-এর কাছে হস্তান্তর সম্পর্কে একটি দলিল প্রণয়ন করে। তার উদ্দেশ্য চ-কে প্রদানের ছয় মাস আগেই সম্পত্তিটি খ-কে প্রদান করা হয়েছে এইরূপ বিশ্বাস সৃষ্টি করা। ক জালিয়াতি করেছে।

(ঝ) চ-একটি দানপত্র ক-কে লিখতে বলে। চ যে উত্তরাধিকারীর নাম করে ক ইচ্ছাকৃতভাবে তার নাম না লিখে অপর কোন উত্তরাধিকারীর নাম লিখে এবং সে চ-এর নির্দেশমত দানপত্রটি লিখেছে বলে চ-কে বিশ্বাস করে চ-কে দানপত্রে স্বাক্ষন দান করতে প্রবৃত্ত করে। ক জালিয়াতি করেছে।

(ঞ) ক একটি পত্র লিখে উহাতে খ-এর অনুমোদন ব্যতীত খ-এর নাম স্বাক্ষর করে। পত্রটিতে সাপাই দেওয়া হয়েছে যে, ক একজন চরিত্রবান ব্যক্তি এবং বর্তমানে দুরবস্থায় পড়েছে। ক-এর এইরূপ সাপাইপত্রের উদ্দেশ্য চ ও অন্যান্যের নিকট থেকে ভিক্ষা লাভ । এখানে যেহেতু ক চ-কে সম্পত্তি ত্যাগে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে একটি মিথ্যা দলিল সম্পাদনা করেছে সেহেতু ক জালিয়াতি করেছে।

(ট) ক খ-এর অনুমোদন ব্যতীত একটি পত্র লিখে উহাতে খ-এর নাম স্বাক্ষর করে। পত্রটিতে ক-এর সচ্চরিত্রের সাপাই দেওয়া হয়েছে। ক-এর এইরূপ সাপাই পত্রের উদ্দেশ্য চ-এর আওতায় চাকুরী লাভ। এখানে ক জাল প্রশংসাপত্র কর্তৃক চ-কে প্রতারিত করার ও তার সাথে নিয়োগচুক্তি সম্পাদনে প্রবৃত্ত করার অভিসন্ধি করেছে; সুতরাং ক জালিয়াতি করেছে।

ব্যাখ্যা ১: কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।

উদাহরণসমূহ:

(ক) ক একটি বিল অব এক্সচেঞ্জে নিজের নাম স্বাক্ষর করে। তার উদ্দেশ্য, বিলটিতে নিজের নাম স্বাক্ষর করে উহা একই নামের অপর একজন ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করবে। ক জালিয়াতি করেছে।

(খ) ক একটি কাগজের উপর গ্রহণ করলাম কথাটি লিখে উহাতে চ-এর নাম স্বাক্ষর করে । তার উদ্দেশ্য খ পরে উহাতে চ-এর বরাবর খ দ্বারা সম্পাদিত একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ লিখবে এবং চ বিলটি গ্রহণ করেছে এই ভিত্তিতে বিলটি নিয়ে কাজ পরিচালনা জানা সত্ত্বেও ক-এর অভিসন্ধি অনুসারে কাগজটির উপরে বিল সম্পাদন করে তবে খ-ও জালিয়াতির অপরাধে দোষী হবে।

(গ) ক তার নামের অপর কোন ব্যক্তির আদেশ মতে প্রদেয় একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ পায়। ক বিলটি তার নিজের নামে পৃষ্ঠাঙ্কন করে। বিলটি যে ব্যক্তির আদেশ মতে প্রদেয়, উহা সে ব্যক্তি দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করাই তার উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে ক জালিয়াতি করেছে।

(ঘ) খ-এর বিরুদ্ধে একটি ডিক্রি জারির দরুণ বিক্রীত একটি সম্পত্তি ক নীলামে ক্রয় করে। সম্পত্তিটি আটক হওয়ার পর, খ চ-এর সহযোগে ষড়যন্ত্র করে সম্পত্তিটি নামমাত্র খাজনায় চ-কে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য ইজারা দানমূলে একটি ইজারা বন্দোবস্ত সম্পাদন করে এবং ইহার তারিখ নির্দেশ করে সম্পত্তিটি আটকের ছয় মাস পূর্বে। সম্পত্তিটি আটকের ছয় মাস আগেই ইজারা সম্পাদিত হয়েছিল বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করে ক-কে বঞ্চিত করাই খ-এর উদ্দেশ্য। খ নিজের নামে ইজারা বন্দোবস্তটি সম্পাদিত করলেও ছয় মাস পূর্বে তারিখ নির্দেশ করে জালিয়াতি করেছে।

(ঙ) ক একজন ব্যবসায়ী। দেউলিয়া সাব্যস্ত হবে অনুমান করে ক-এর নিজের স্বার্থে ও পাওনাদারদের পাওনা বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে, খ-এর কাছে নিজের মালপত্র গচ্ছিত রাখে। একটি লেনদেনের বাস্তব ভিত্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ক খ-কে মূল্য প্রাপ্তির বিনিময়ে অর্থদানের অঙ্গীকারমূলে একটি প্রমিসর নোট লিখে এবং ক দেউলিয়া অবস্থায় পৌছার পূর্বে নোটটি লিখেছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নোটটিতে লিখার পূর্ববর্তী তারিখ নির্দেশ করা হয়। ক সংজ্ঞায় উল্লেখিত প্রথম দফা মোতাবেক জালিয়াতি করেছে।

ব্যাখ্যা: কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ: ক কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ প্রণয়ন করে প্রতারণামূলকভাবে অনুরূপ কাল্পনিক ব্যক্তির নামে বিলটির ভিত্তিতে কাজ সম্পাদনের উদ্দেশ্যে উহা গ্রহণ করে । ক জালিয়াতি করেছে।

ধারা ৪৬৫। জালিয়াতির শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি জালিয়াতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৬৬। আদালতের নথিপত্র বা সরকারী রেজিস্টার ইত্যাদি জালকরণ: কোন ব্যক্তি যদি এমন একটি দলিল জাল করে যা কোন বিচারালয়ের নথি অথবা প্রসিডিং কিংবা কোন বিচারালয়ে উত্থাপিত নথি বা প্রসিডিং বলে অথবা কোন জন্ম, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তক সরকারী কর্মচারী হিসেবে রক্ষিত রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা তার সরকারী পদ মর্যাদা বলে কৃত সার্টিফিকেট বা দলিল বলে, অথবা কোন মামলা দায়ের করার বা উহাতে পক্ষ সমর্থনের কিংবা উহাতে কোন কার্যক্রম গ্রহণের রায় মানার কিংবা পাওয়ার অব এটনী বলে প্রতিভাত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৬৭। মূল্যবান জামানত, উইল ইত্যাদি জালকরণ: কোন ব্যক্তি যদি এমন দলিল জাল করে যা একটি মূল্যবান জামানত কিংবা একটি উইল কিংবা কোন পোষ্যপুত্র গ্রহণের ক্ষমতাপত্র বলে প্রতিভাত হয়, অথবা যাতে কোন ব্যক্তিকে কোন মূল্যবান জামানত সম্পাদনের অথবা হস্তান্তরের কিংবা উহার উপরে আসল, সুদ বা লভ্যাংশ গ্রহণের, কিংবা কোন অর্থ, অস্থাবর সম্পত্তি, বা মূল্যবান জামানত গ্রহণের বা প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে বলে প্রতিভাত হয়, অথবা তা এমন একটি দলিল বলে প্রতিভাত হয়, যা অর্থ পরিশোধের পূর্ণপ্রাপ্ত রসিদ বা স্বীকৃতি রসিদ কিংবা অস্থাবর সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানতের পূর্ণপ্রাপ্তি রসিদ বা হস্তান্তর রসিদ বলে পরিগণিত দলিল, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৬৮। প্রতারণা করিবার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি: কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে জাল দলিল ব্যবহারকল্পে জালিয়াতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৬৯। মানহানির উদ্দেশ্যে জালিয়াতি: কোন ব্যক্তি যদি জাল দলিল কর্তৃক কারো মানহানি করার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি করে, অথবা জাল দলিলটি তদুদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও জালিয়াতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৭০। জাল দলিল: সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক জালিয়াতির কর্তৃক কৃত যে কোন মিথ্যা দলিলকে জাল দলিল বলে পরিগণিত করা হয়।

ধারা ৪৭১। কোন জাল দলিলকে খাটিঁ হিসাবে ব্যবহারকরণ: কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলক ভাবে বা অসাধুভাবে এমন একটি দলিলকে খাটি দলিল হিসাবে ব্যবহার করে, যে দলিলটি একটি জাল দলিল বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি যেন সে নিজে দলিলটি জাল করেছে, এমনভাবে দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৭২। ধারা ৪৬৭ এ অধীনে দন্ডনীয় জালিয়াতি করিবার উদ্দেশ্যে মেকি মোহর ইত্যাদি নির্মাণ বা দখল: কোন ব্যক্তি যদি ছাপ অঙ্কন করার জন্য কোন সীলমোহর, ফলক বা অপর কোন যন্ত্র এইরূপ অভিপ্রায়ে প্রস্তুত বা নকল করে যে, উহা এই বিধির ৪৬৭ ধারার আওতায় দণ্ডনীয় যেকোন জালিয়াতি করার জন্য ব্যবহার করা হবে কিংবা অনুরূপ কোন সীলমোহর, ফলক বা অপর কোন যন্ত্র মেকি বলে জেনে অনুরূপ উদ্দেশ্যে নিজের দখলে রাখে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে, যার মেয়াদ সাত বৎসর পর্যন্ত হতে পারে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

ধারা ৪৭৩। প্রকারান্তরে দন্ডনীয় জালিয়াতি অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে মেকি সীলমোহর ইত্যাদি নিমার্ণ বা দখল: কোন ব্যক্তি যদি ছাপ অঙ্কন করার জন্য কোন সীলমোহর, ফলক বা অন্যবিধ যন্ত্র এইরূপ অভিপ্রায়ে প্রস্তুত বা নকল করে যে উহা ৪৬৭ ধারা ছাড়া এই অধ্যায়ের যেকোন ধারার আওতায় দণ্ডনীয় কোন জালিয়াতি অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হবে অথবা অনুরূপ উদ্দেশ্যে অনুরূপ যেকোন সীলমোহর ফলক বা অন্যবিধ যন্ত্র, উহা জাল বলে জেনেও দখলে রাখে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৭৪। ধারা ৪৬৬ বা ৪৬৭ এ বর্ণিত দলিল, উহা জাল বলিয়া জানিয়া এবং উহা খাটিঁ বলিয়া ব্যবহার করিবার ইচ্ছা করিয়া দখল: কোন ব্যক্তি যদি দলিল জাল করা হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও, এবং কোন ব্যক্তি যদি কোন দলিলকে খাটি দলিল হিসাবে প্রতারণামূলকভাবে বা অসাধুভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে উহা নিজের দখলে রাখে, তবে দলিলটি যদি এই বিধির ৪৬৬ ধারায় বর্ণিত বর্ণনারূপ হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং দলিলটি যদি ৪৬৭ ধারায় বর্ণিত বর্ণনানুরূপ একটি দলিল হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৭৫। ধারা ৪৬৭ এ বর্ণিত দলিলসমূহ প্রমাণীকৃত করিবার জন্য ব্যবহৃত নক্শা বা চিহ্ন নকলকরণ বা মেকি চিহ্নিত দ্রব্য দখল: কোন ব্যক্তি যদি এই বিধির ৪৬৭ ধারায় উল্লেখিত কোন দলিল সঠিক বলে প্রতিপাদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কোন দ্রব্য, নকশা বা চিহ্নকে বা উহার উপাদান মেকী করে এবং তখন অনুরূপ দ্রব্যের উপরে নকলকৃত বা তার পরে অনুরূপ দ্রব্যের উপরে নকলকৃত কোন দলিলকে প্রমাণিকৃত বলে প্রতীয়মান করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নকশা বা চিহ্ন ব্যবহার করার অভিপ্রায়ে যদি তা করে, অথবা কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ অভিপ্রায়ে যে দ্রব্যের উপরে বা যে দ্রব্যের উপাদানে অনুরূপ কোন নকশা বা চিহ্ন নকল করা হয়েছে, সে দ্রব্য তার দখলে রাখে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৭৬। ধারা ৪৬৭ এ বর্ণিত দলিলাদি হইতে ভিন্ন দলিলাদি প্রমাণীকৃত করিবার জন্য ব্যবহৃত নক্শা বা চিহ্নাদি নকলকরণ অথবা মেকি চিহ্ন সম্বলিত দ্রব্য দখল: কোন ব্যক্তি যদি এই বিধির ৪৬৭ ধারায় উল্লেখিত দলিল ছাড়া অপর কোন দলিল সঠিক বলে প্রতিপাদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কোন দ্রব্য, নকশা বা চিহ্নকে বা উহার উপাদন মেকী করে এবং তখন অনুরূপ দ্রব্যের উপরে নকলকৃত বা তার পরে অনুরূপ দ্রব্যের উপরে নকলকৃত কোন দলিলকে প্রমাণিকৃত বলে প্রতীয়মান করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নকশা বা চিহ্ন ব্যবহার করার অভিপ্রায়েই তা করে, অথবা কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ অভিপ্রায়ে যে দ্রব্যের বা যে দ্রব্যের উপাদানে অনুরূপ কোন নকশা বা চিহ্ন নকল করা হয়েছে, সে দ্রব্য তার দখলে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৭৭। উইল দত্তক গ্রহণের অনুমতিপত্র বা কোন মূল্যবান জামানত প্রতারণামূলকভাবে বাতিলকরণ বা বিনষ্টকরণ ইত্যাদি: কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলক ভাবে বা অসাধুভাবে অথবা জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন করার উদ্দেশ্যে এমন কোন দলিল বিনষ্ট বা বিকৃত করার চেষ্টা করে অথবা গোপন করে বা গোপন করার চেষ্টা করে, যে দলিল একটি উইল বা দত্তকপুত্র গ্রহণের অনুমতিপত্র বা মূল্যবান জামানতরুপে পরিগণিত অথবা কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন দলিলের ব্যাপারে অনিষ্টসাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৭৭ক। হিসাবপত্র বিকৃতকরণ: কোন ব্যক্তি যদি কর্মচারী, কর্মকর্তা বা চাকর হয়ে অথবা কর্মচারী, কর্মকর্তা বা চাকরের পদে নিযুক্ত বা কাজ নির্বাহক হয়ে নিয়োগকর্তার স্বত্বাধীন বা তার নিয়োগকর্তার দখলভুক্ত বা নিয়োগ কর্তার স্বপক্ষে তৎকর্তৃক প্রাপ্ত কোন বহি, কাগজ, লেখা, মূল্যবান জামানত বা হিসাবপত্র ইচ্ছাকৃতভাবে ও প্রবঞ্চনার উদ্দেশ্যে বিনষ্ট করে, পরিবর্তন করে, বিকৃত করে বা মিথ্যা বিবরণ সম্বলিত করে, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে ও প্রবঞ্চনার উদ্দেশ্যে, অনুরূপ কোন বহি, কাগজ, লেখা মূল্যবান জামানত বা হিসাবপত্রে কোন মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে বা তা করার ব্যাপারে সাহায্য করে কিংবা অনুরূপ বহি, কাগজ লেখা, মূল্যবান জামানত বা হিসাবপত্র বা তৎসমৃদয় হতে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ দেয় বা পরিবর্তন করে কিংবা বাদ দেওয়ার বা পরিবর্তন করার কার্যে সাহায্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারা বলে কোন অভিযোগ প্রবঞ্চনার সাধারণ অভিপ্রায় আরোপ যথেষ্ট হবে; যে ব্যক্তিকে প্রবঞ্চনা করার অভিসন্ধি করা হয়েছিল, তার নামলেখ বা যে পরিমাণ অর্থের ব্যাপারে প্রবঞ্চনা করার অভিসন্ধি করা হয়েছিল, তার পরিমাণ নির্দেশ, অথবা যে বিশেষ দিনে অপরাধটি করা হয়, সে বিশেষ দিনের উল্লেখ না করলেও চলবে।

ধারা ৪৭৮। বাণিজ্য-প্রতীক: কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে। এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে পণ্য-প্রতীক কথাটির কর্তৃক ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইন মোতাবেক রক্ষিত পণ্য-প্রতীক রেজিস্টারে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন পণ্য-প্রতীক বুঝাবে এবং রেজিষ্ট্রেশনসহ বা রেজিষ্ট্রেশন ব্যতীত বর্তমানে রাষ্ট্র প্রধানের আদেশ বলে ব্রিটিশ সাম্রাজের কোন অংশে বা বৈদেশিক রাষ্ট্রে যেখানে ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইনের ১০৩ ধারা প্রয়োগযোগ্য, সেখানে আইনে সংরক্ষিত যে কোন পণ্য-প্রতীকও বুঝাবে।

ধারা ৪৭৯। পণ্য-প্রতীক: কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝাবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে।

ধারা ৪৮০। মিথ্যা পণ্য-প্রতীকের ব্যবহার: কোন ব্যক্তি যদি কোন দ্রব্যের কিংবা কোন দ্রব্যসম্বলিত বাক্সে, প্যাকেজ বা অন্যরূপ আধারে এমনভাবে চিহ্ন অঙ্কন করে, অথবা চিহ্নিত কোন দ্রব্যসম্বলিত বাক্স, প্যাকেজ বা অনুরূপ আধারে ব্যবহার করে, যাতে অনুরূপভাবে চিহ্নিত দ্রব্য বা অনুরূপভাবে চিহ্নিত আধারের দ্রব্য এমন কোন ব্যক্তির প্রস্তুত দ্রব্য বা ব্যবসায় পণ্য বলে ন্যায় সংগত ভাবে বিশ্বাস সৃষ্টি হয়, অনুরূপ দ্রব্য প্রকৃত প্রস্তাবে যার দ্রব্য বা ব্যবসায় পণ্য নয়, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা পণ্য-প্রতীক ব্যবহার করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ধারা ৪৮১। মিথ্যা সম্পত্তি-প্রতীক ব্যবহার: কোন ব্যক্তি যদি কোন অস্থাবর সম্পত্তিতে বা দ্রব্যে কিংবা কোন অস্থাবর সম্পত্তি সম্বলিত বা দ্রব্যসম্বলিত বাক্সে, প্যাকেজে বা অন্যরূপ আধারে এমনভাবে চিহ্ন অঙ্কন করে অথবা এমনভাবে চিহ্নিত কোন অস্থাবর সম্পত্তি সম্বলিত বা দ্রব্য সম্বলিত কোন বাক্স, প্যাকেজ বা অন্যরূপ আধার ব্যবহার করে যাতে অনুরূপে চিহ্নিত অস্থাবর সম্পত্তি বা দ্রব্য কিংবা অনুরূপ চিহ্নিত আধারে অস্থাবর সম্পত্তি বা দ্রব্য এমন কোন ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা দ্রব্য বলে ন্যায়সংগতভাবে বিশ্বাস সৃষ্টি হয়, অস্থাবর সম্পত্তিটি বা দ্রব্যটি প্রকৃত প্রস্তাবে যার নয়, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সম্পত্তি চিহ্ন ব্যবহার করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ধারা ৪৮২। মিথ্যা বাণিজ্য-প্রতীক বা সম্পত্তি-প্রতীক ব্যবহারের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা পণ্য-প্রতীক বা কোন মিথ্যা সম্পত্তি চিহ্ন ব্যবহার করে, তবে যদি না সে প্রমাণ করতে পারে যে, প্রবঞ্চনার উদ্দেশ্য ছাড়া সে অনুরূপ কাজ করেছে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর গড়ে যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্ৰম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৩। অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহৃত কোন বাণিজ্য-প্রতীক বা সম্পত্তি-প্রতীক জালকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহৃত কোন পণ্য-প্রতীক বা সম্পত্তির চিহ্ন নকল করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৪। কোন সরকার কর্মচারী কর্তৃক ব্যবহৃত কোন প্রতীক জালকরণ: কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা ব্যবহৃত সম্পত্তির চিহ্ন নকল করে, বা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা ব্যবহৃত এমন কোন চিহ্ন নকল করে যা কোন বিশেষ সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন বিশেষ স্থানে বা কোন বিশেষ সময়ে প্রস্তুত হয়েছে জেনে, কিংবা সম্পত্তিটি কোন বিশেষ গুণসম্পন্ন বলে বা কোন বিশেষ দফতর হতে পাস হয়ে এসেছে বলে কিংবা সম্পত্তিটি কোন অব্যাহতির অধিকারী বলে বুঝার জন্য ব্যবহার করা হয়, অথবা অনুরূপ কোন চিহ্ন নকল করে জানা সত্ত্বেও উহা খাটি বলে ব্যবহার করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৫। বাণিজ্য প্রতীক বা সম্পত্তি প্রতীক নকল করিবার যেকোন যন্ত্র প্রস্তুত বা দখল: কোন ব্যক্তি যদি কোন পণ্য-প্রতীক বা সম্পত্তির চিহ্ন নকল করার উদ্দেশ্যে কোন ছাচ, পাত বা অন্যকোন যন্ত্র প্রস্তুত করে বা দখলে রাখে, অথবা কোন দ্রব্য যে ব্যক্তির প্রস্তুত দ্রব্য বা ব্যবসায় পণ্য নয়, সে দ্রব্য সে ব্যক্তির প্রস্তুত দ্রব্য বা ব্যবসায় পণ্য বলে নির্দেশ করার কিংবা কোন দ্রব্য যে ব্যক্তির নয়, ইহা সে ব্যক্তির বলে নির্দেশ করার উদ্দেশ্যে তার দখলে কোন পণ্য-প্রতীক বা সম্পত্তির চিহ্ন রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৬। মেকি বাণিজ্য প্রতীক বা সম্পত্তি প্রতীকে চিহ্নিত মাল বিক্রয়: কোন ব্যক্তি যদি কোন নকল পণ্য-প্রতীক বা সম্পত্তির চিহ্নযুক্ত কোন পণ্য বা দ্রব্য অথবা অনুরূপ দ্রব্য সম্বলিত নকল পণ্য-প্রতীক বা সম্পত্তির চিহ্নযুক্ত কোন বাক্স, প্যাকেট বা অন্যকোন আধার বিক্রয় করে, উন্মুক্ত করে বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বা অপর কোনরূপ ব্যবসায়ের বা প্রস্তুত করণের উদ্দেশ্যে নিজের দখলে রাখে, তবে যদি না সে প্রমাণ করতে পারে যে-

(ক) এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে সর্বপ্রকার ন্যায়সঙ্গত অফিসার সে অবলম্বন করেছিল এবং অভিযুক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠানের সময় মাকাটির বা চিহ্নটির সত্যতা সম্বন্ধে তার সন্দেহ করার কোন কারণ ছিল না, এবং

(খ) প্রসিকিউটর দ্বারা বা তার স্বপক্ষে উত্থাপিত দাবিক্রমে সে যে ব্যক্তিদের নিকট থেকে অনুরূপ পণ্য বা দ্রব্য লাভ করেছে, তার সাধ্যমত সে ব্যক্তিদের সম্বন্ধে জ্ঞাত সকল তথ্য প্রদান করেছে, অথবা

(গ) সে কাজটি নির্দোষভাবে সম্পাদন করেছে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৭। মালধারক কোন পাত্রের উপর মিথ্যা চিহ্ন: যদি কোন ব্যক্তি কোন দ্রব্য বা পণ্য সম্বলিত বাক্সে, প্যাকেজে বা অন্যকোন পাত্রের উপর এমন ভাবে কোন মিথ্যা চিহ্ন অঙ্কন করে, যার ফলে কোন সরকারী কর্মচারী বা অপর কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত ভাবে উহাতে যে দ্রব্য নাই, সে দ্রব্য রয়েছে বলে অথবা উহাতে যে দ্রব্য রয়েছে, সে দ্রব্য নাই বলে অথবা উক্ত পাত্রে অবস্থিত দ্রব্যটি বস্তুত যে গুণবিশিষ্ট বা প্রকৃতিবিশিষ্ট, উহাকে তা হতে ভিন্ন গুণবিশিষ্ট বা প্রকৃতি- বিশিষ্ট বলে বিশ্বাস করতে প্রবৃত্ত হয়, তবে যদি না সে প্রমাণ করতে পারে যে, কোনরূপ প্রবঞ্চনার উদ্দেশ্য ছাড়া সে কাজটি করেছে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৮। অনুরূপ যেকোন মিথ্যা চিহ্ন ব্যবহারের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন মার্ক বা চিহ্ন উপযুক্ত ধারার নিষিদ্ধ কোন পদ্ধতিতে ব্যবহার করে, তবে-যদি না সে প্রমাণ করতে পারে যে, কোনরূপ প্রবঞ্চনার উদ্দেশ্য ছাড়া কাজটি করেছে, তবে উক্ত ব্যক্তি যেন উপযুক্ত ধারাটি অনুসারে অপরাধ করেছে এমনভাবে দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৯। ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি প্রতকে হস্তক্ষেপকরণ: কোন ব্যক্তি যদি কারো ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে, অথবা কারো ক্ষতি সাধিত হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তির চিহ্ন অপসারণ করে, বিনষ্ট করে, বিকৃত করে বা উহাতে কিছু যোগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৯ক। মুদ্রা-নোটসমূহ বা ব্যাংক-নোটসমূহ নকলকরণ: কোন ব্যক্তি যদি কোন পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট নকল করে বা উহা নকল করার প্রক্রিয়ার যে কোন অংশ সম্পাদন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার এবং ৪৮৯ খ, ৪৮৯ গ ও ৪৮৯ ঘ ধারার উদ্দেশ্যে ব্যাংক নোট বলতে বিশ্বের যেকোন অংশে ব্যাংকিং ব্যবসায়রত কোন ব্যক্তি দ্বারা প্রবর্তিত এবং দাবিমাত্র বাহককে অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি যুক্ত কোন প্রমিসর নোট বা অঙ্গীকার পত্র অথবা কোন রাষ্ট্র বা সার্ভভেীম শক্তি দ্বারা কিংবা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রবর্তিত এবং অর্থের সমতুল্য বা অর্থের বিকল্প হিসাবে ব্যবহারের জন্য উদ্দিষ্ট কোন প্রমিসর নোট বা অঙ্গীকারপত্র বুঝাবে।

ধারা ৪৮৯খ। জাল বা মেকি মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট খাটিঁ হিসাবে ব্যবহারকরণ: কোন ব্যক্তি যদি কোন পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট নকল বা মেকী বলে জানা সত্ত্বেও বা উহা তদ্রুপ বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, কোন নকল বা মেকী পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট অপর কোন ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করে বা অপর কোন ব্যক্তির নিকট থেকে ক্রয় বা গ্রহণ করে কিংবা অপর কোনভাবে উহাকে খাটি বলে ব্যবহার করে বা লেনদেন করে, তবে-উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৯গ। মুদ্রা-নোট বা জাল বা নকল ব্যাংক-নোট দখলে রাখা: কোন ব্যক্তি যদি কোন পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট জাল বা মেকী বলে জানা সত্ত্বেও বা উহা তদ্রুপ বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও এবং উহা খাটি বলে চালানোর উদ্দেশ্যে বা উহা যাতে খাটি বলে চালানো যায়, সে উদ্দেশ্যে তার দখলে অনুরূপ কোন নকল বা মেকী পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট রাখে, তবে উক্ত লোক সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৯ঘ।-মুদ্রা-নোটসমূহ বা ব্যাংক-নোটসমূহ জাল বা নকল করিবার যন্ত্রপাতি বা উপাদানসমূহ প্রস্তুত বা দখল: কোন ব্যক্তি যদি পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট নকল বা মেকী করার জন্য ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ নকল বা মেকী করার জন্য ব্যবহার করা হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, কোন যন্ত্র, হাতিয়ার বা সামগ্ৰী প্রস্তুত-প্রক্রিয়ার কোন অংশ সম্পাদন করে, বা ক্রয় করে বা বিক্রয় করে বা বিলি ব্যবস্থা করে বা তার নিজের দখলে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ধারা ৪৮৯ঙ। মুদ্রা-নোটসমূহ বা ব্যাংক-নোটসমূহের সদৃশ দলিলসমূহ প্রস্তুত বা ব্যবহারকরণ:

(১) কোন ব্যক্তি যদি কোন পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট বলে বুঝাবার জন্য, কোনদিক হতে কোন পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোটের এতখানি সদৃশ যে, তার কর্তৃক প্রতারণা করা যেতে পারে এইরূপ কোন বস্তু প্রস্তুত করে বা প্রস্তুত করায় বা যে উদ্দেশ্যে হোক ব্যবহার করে বা কোন ব্যক্তিকে প্রদান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(২) উপধারা (১) অনুসারে যে বস্তু বা দলিল প্রস্তুত করা একটি অপরাধ, সেরূপ দলিলে যার নাম রয়েছে, সে ব্যক্তি যদি কোন পুলিশ কর্মকর্তা দ্বারা জিজ্ঞাসিত হয়ে কোন আইনসম্মত কারণ ব্যতীত যে উহা মুদ্রণ বা অন্যভাবে প্রস্তুত করেছে, তার নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করতে অস্বীকার করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুইশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(৩) যে দলিলের জন্য কোন ব্যক্তি (১) উপধারা অনুসারে অভিযুক্ত হয়েছে, সে দলিলে, অথবা সে দলিলের সূত্রে ব্যবহৃত বা বিতরণকৃত অপর কোন দলিলে, যে ব্যক্তির নাম উল্লিখিত থাকবে, বিপরীত প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত, সে ব্যক্তি দলিলটি প্রস্তুত করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।

<<< পূর্ববর্তী পরবর্তী >>>

Check Also

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি, দন্ডবিধির ভিডিও লেকচার-২৫

ধারা ৫১১ সংশ্লিষ্ট ভিডিও লেকচার ধারা ৫১১। যাবজ্জীবন কারাদন্ডে বা কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধসমূহ সংঘটনের উদ্যেগের …