Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Thursday , June 20 2019

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি, দন্ডবিধির ভিডিও লেকচার-২

55-BBC Penal Code Header

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি
দন্ডবিধি, ১৮৬০
(১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন)
[ফ্রী ভার্সন]
আপনি ফ্রী ভার্সন ব্যবহার করছেন। প্রিমিয়াম ভার্সন ব্যবহার করতে চাইলে 01716409127, 01729820646, 01703924452, 01688107393 (সকাল ১০.০০টা থেকে রাত ১০.০০টা) এই নাম্বারগুলোতে কল দিয়ে প্রিমিয়াম ভার্সনে নিবন্ধন করে নিন।
ধারা ৬ থেকে ৫২ক

35-BBC Sectional Analysis Directions

সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

নির্দেশনাঃ প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, এই অংশে সংশ্লিষ্ট আইনের বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি নিবন্ধিত ফ্রী মেম্বার বা নিবন্ধিত না হয়ে থাকেন তাহলে ধারাগুলো সম্পর্কে একটি ধারণা পাবেন। শুধুমাত্র প্রিমিয়াম মেম্বারদের জন্য বিশ্লেষণাত্মক অংশটুকু ধারাগুলোর নিচে প্রদর্শিত হবে। মনে রাখা ভাল, “আইন হচ্ছে বুঝার বিষয়, মুখস্তের বিষয় নয়”।

সংশ্লিষ্ট ভিডিও লেকচার

1421-YouTube Subscribe

বিঃ দ্রঃ ইউটিউবের মাধ্যমে ভিডিও লেকচার পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটিকে Subscribe করুন। Subscribe না করলে ভিডিও লেকচারের Notifications পাবেন না। Subscribe করতে নিচের SUBSCRIBE NOW বাটনটিতে ক্লিক করে Active থাকুন।

SUBSCRIBE NOW

<<< পূর্ববর্তী পরবর্তী >>>

ধারা ৬। বিধির সংজ্ঞাসমূহের অর্থ ব্যতিক্রমসমূহ সাপেক্ষে হইবেঃ এই বিধির সর্বত্র অপরাধের প্রতিটি সংজ্ঞা, প্রতিটি দন্ডবিধান অনুরূপ সংজ্ঞা বা দন্ডবিধানের প্রতিটি উদাহরণের অর্থ “সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহ” শীর্ষক পরিচ্ছেদে বিধৃত ব্যতিক্রমসমূহ সাপেক্ষে করিতে হইবে, যদিও উক্ত ব্যতিক্রমসমূহ অনুরূপ সংজ্ঞা, দন্ডবিধান বা উদাহরণে পুনরুল্লেখ করা না হয়।

ধারা ৭। একবার ব্যাখ্যাকৃত অভিব্যক্তির তাৎপর্যঃ এই বিধির যে কোন অংশে যে কোন উক্তি যেভাবে ব্যাখ্যাকৃত হইয়াছে বিধির সকল অংশে সেই উক্তিটি সেই ব্যাখ্যার সহিত সামঞ্জস্য রাখিয়াই ব্যবহার করা হইয়াছে।

ধারা ৮। লিঙ্গঃ “তিনি” সর্বনাম এবং উহার প্রত্যয়সিদ্ধ রূপসমূহ পুরুষ বা মহিলা, যে কোন ব্যক্তি অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে।

ধারা ৯। বচনঃ প্রসঙ্গ ভিন্নতার না বুঝাইলে বহুবচন, একবচন বাচক শব্দাবলির শামিল হইবে।

ধারা ১০। “পুরুষ” ও “মহিলা” ঃ নর শব্দে যে কোন বয়সের পুরুষ মানুষ বুঝাইবেঃ “নারী” শব্দে যে কোন বয়সের স্ত্রীলোক বুঝাইবে।

ধারা ১১। ব্যক্তিঃ ব্যক্তি শব্দ বলিতে সমিতিভূক্ত হউক বা না হউক, যে কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি, সংস্থা অন্তর্ভূক্ত বুঝাইবে।

ধারা-১২। জনসাধারণঃ “জনসাধারণ” শব্দে যে কোন শ্রেণীর জনসাধারণ বা সম্প্রদায় অন্তর্ভূক্ত বুঝাইবে।

ধারা ১৩। বাতিল করা হয়েছে।

ধারা ১৪। রাষ্ট্রীয় কর্মচারীঃ রাষ্ট্রীয় কর্মচারী বলিতে সরকারের কর্তৃত্ব বলে অধীনে বাংলাদেশে বহাল, নিযুক্ত বা নিয়োজিত সমস্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে বুঝাইবে।

ধারা ১৫। বাতিল করা হয়েছে।

ধারা ১৬। বাতিল করা হয়েছে।

ধারা ১৭। সরকারঃ সরকার বলিতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করিবার জন্য আইনবলে ক্ষমতাপ্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

ধারা ১৮। বাতিল করা হয়েছে।

ধারা ১৯। জজঃ “জজ” শব্দে কেবল সরকারিভাবে জজ আখ্যা প্রদত্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকেই বুঝাইবে না, বরং- যে কোন আইনগত কার্যব্যবস্থায়, দেওয়ানী বা ফৌজদারি যাহাই হউক, চূড়ান্ত রায় বা আপীল না করা হইলে চূড়ান্ত গণ্য হইবে এইরূপ রায় বা অন্যকোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সমর্থিত হইলে চূড়ান্ত গণ্য হইবে এইরূপ রায় প্রদান করিবার জন্য আইনবলে ক্ষমতাপ্রদত্ত প্রত্যেক ব্যক্তি অথবা অনুরূপ রায় প্রদান করার জন্য আইনবলে ক্ষমতাপ্রদত্ত যে কোন ব্যক্তি, সংস্থাভুক্ত ব্যক্তিকেও বুঝাইবে।

ধারা ২০। বিচারালয়ঃ “বিচারালয়” শব্দাবলিতে ব্যক্তিগতভাবে বিচারকার্যরূপে কাজ করার জন্য আইন বলে ক্ষমতা প্রদত্ত বিচারক অথবা সমষ্টিগতভাবে বিচারকরূপে কাজ করার জন্য আইন বলে ক্ষমতাপ্রদত্ত বিচারকমন্ডলীকে অনুরূপ বিচারক বা বিচার মন্ডলী হিসাবে কার্য সম্পাদনকালে বুঝাইবে।

ধারা ২১। সরকারি কর্মচারীঃ “সরকারি কর্মচারী” শব্দাবলিতে অতঃপর উল্লেখিত বর্ণনাসমূহের যে কোনটির অধীন যে কোন ব্যক্তিকে বুঝাইবে।

ধারা ২২। অস্থাবর সম্পত্তিঃ “অস্থাবর সম্পত্তি” শব্দসমূহে জমি, এবং ভূমির সহিত সংযুক্ত বা ভূমির সহিত সংযুক্ত এইরূপ কোন কিছুর সহিত স্থায়ীভাবে আবদ্ধ বস্তু ব্যতিরেকে, প্রত্যেক বর্ণনার শরীরি সম্পতি বুঝাইবে।

ধারা ২৩। অবৈধ লাভঃ “অবৈধ লাভ” হইতেছে বেআইনীভাবে এইরূপ সম্পত্তি লাভ করা, যে সম্পত্তিতে লাভকারী ব্যক্তির কোন আইনানুগ অধিকার নাই। অবৈধ ক্ষতিঃ- “অবৈধ ক্ষতি” হইতেছে বেআইনীভাবে এইরূপ সম্পত্তির ক্ষতি, যাহাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আইনানুগ অধিকার রহিয়াছে।

অবৈধভাবে লাভ করাঃ কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে কোন সম্পত্তি হইতে বেদখলে রাখা হইলে এবং অবৈধভাবে সম্পত্তিচ্যুত করা হইলে উক্ত ব্যক্তি অবৈধভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ২৪। অসাধুভাবেঃ কোন ব্যক্তি এক ব্যক্তির প্রতি অবৈধ লাভ বা অপর কোন ব্যক্তির প্রতি ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে কোন কিছু করিলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত কাজ অসাধুভাবে করে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ২৫। প্রতারণামূলকভাবেঃ কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে তবে প্রকারান্তরে নহে কিছু করিলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত কাজ প্রতারণামূলকভাবে করে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ২৬। বিশ্বাস করিবার কারণঃ কোন ব্যক্তির কোন বিশ^াস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকিলে, তবে প্রকারান্তরে নহে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কিছু “বিশ্বাস করিবার কারণ” রহিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ২৭। স্ত্রী, কেরাণী বা ভৃত্যের অধিকারভুক্ত সম্পত্তিঃ কোন সম্পত্তি কোন ব্যক্তির পক্ষে তাহার স্ত্রী, কেরাণী বা ভৃত্যের অধিকারে থাকিলে উক্ত সম্পত্তি এই বিধির তাৎপর্যাধীন উক্ত ব্যক্তির অধিকারে রহিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

ব্যাখ্যাঃ সাময়িকভাবে বা কোন বিশেষ উপলক্ষে কেরাণী বা ভৃত্যের পদে নিযুক্ত ব্যক্তি এই ধারার তাৎপর্যাধীনে কেরাণী বা ভৃত্যরূপে অভিহিত হইবে।

ধারা ২৮। জাল করাঃ কোন ব্যক্তি সদৃশতার সাহায্যে ভ্রান্তি উৎপাদনের অভিপ্রায়ে বাা তদ্বারা ভ্রান্তি উৎপাদিত হইবার সম্ভাবনা আছে বলিয়া জানিয়া এক বস্তুকে অন্যকোন সদৃশ করিলে সে “জাল” করে বলিয়া অভিহিত হইবে।

ব্যখ্যাঃ

১। জালকরণের ব্যাপারে অনুকরণ অবিকল হওয়া অপরিহার্য নহে।

২। যে কেত্রে কোন ব্যক্তি এক বস্তুকে অন্য বস্তুর সদৃশ করে এবং উক্ত সদৃশতা এইরূপ হয় যে তদ্বারা কোন ব্যক্তি প্রতারিত হইতে পারে, সেইক্ষেত্রে ভিন্নতর প্রমাণিত না হওয়া অবধি, এইরূপ ধরিয়া লওয়া হইবে যে এক বস্তুকে অন্য বস্তুর সদৃশকারী ব্যক্তি উক্ত সদৃশতার সাহায্যে ভ্রান্তি উৎপাদনের সম্ভাবনা রহিয়াছে বলিয়া সে জানিত।

ধারা ২৯। দলিলঃ “দলিল” শব্দে অক্ষরসমূহ, আকৃতিসমূহ বা চিহ্নসমূহের মাধ্যমে অথবা উক্ত মাধ্যমসমূহের একাধিকের সাহায্যে যেকোন বস্তুর উপর ব্যক্তি বা বিবৃত যে কোন বিষয় বুঝায়, যাহা উক্ত বস্তুর প্রমাণ স্বরুপ ব্যবহারের জন্য অভিপ্রেত বা যাহা উক্ত বস্তুর প্রমাণস্বরূপে ব্যবহৃত হইতে পারে।

ব্যাখ্যাঃ ১। কিসের মাধ্যমে বা কি বস্তুর উপর অক্ষরসমূহ, আকৃতিসমূহ বা চিহ্নসমূহ অঙ্কিত হয়, অথবা উক্ত প্রমাণ কোন বিচারালয়ে ব্যবহারের নিমিত্ত অভিপ্রেত কিনা বা উহা কোন বিচারালয়ে ব্যবহৃত হইতে পারে কিনা তাহা বিবেচ্য নহে।

উদাহরণসমূহঃ

চুক্তির প্রমাণরূপে ব্যবহৃত হইতে পারে, চুক্তির শর্তসমূহ বর্ণনাকারী এমনতর ব্যাংকারকে দেয় চেক দলিলরূপে গণ্য হইবে।

আমমোক্তার নামা দলিলরূপে গণ্য হইবে।

প্রমাণরূপে ব্যবহারের জন্য অভিপ্রেত বা প্রমাণরূপে ব্যবহৃত হইতে পারে এইরূপ মানচিত্র বা পরিকল্পনা দলিলরূপে গণ্য হইবে।

নির্দেশসমূহ বা উপদেশসমূহ সম্বলিত লেখারূপে গণ্য হইবে।

ব্যাখ্যা ২। বাণিজ্যিক বা অন্যবিধ প্রথাবলে বর্ণিত মতে অক্ষরসমূহ আকৃতিসমূহ বা চিহ্নসমূহের সাহায্যে যাহাই প্রকাশিত হউক তাহা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে অনুরূপ অক্ষসমূহ, আকৃতিসমূহ বা চিহ্নসমূহের সাহায্যে প্রকাশিত হয় বলিয়া গণ্য হইবে, যদিও প্রকৃতপক্ষে উহা প্রকাশিত না হইয়া থাকে।

উদাহরণঃ

ক তাহার আদেশক্রমে পরিশোধণীয় একটি হুন্ডির পৃষ্ঠে তদীয় নাম সহি করেন। বাণ্যিজিক প্রথা অনুযায়ী পৃষ্ঠাঙ্কনের অর্থ হইতেছে যে হুন্ডিটিকে উহার ধারকের নিকট পরিশোধ করিতে হইবে। পৃষ্ঠাঙ্কন একটি দলিল বিশেষ এবং উহার ব্যাখ্যা অবশ্যই এইরূপ হইবে যেন “ধারককে পরিশোধকরণ” শব্দাবলির বা অনুরূপ অর্থদ্যোতক শব্দাবলি স্বাক্ষরটির উপরিভাগে লিপিবদ্ধ হইয়াছিল।

ধারা ৩০। মূল্যবান জামানতঃ “মূল্যবান জামানত” শব্দাবলিতে এমন একটি দলিল বুঝায়, যাহা হইতেছে বা যাহার তাৎপর্য হইতেছে যে উক্ত দলিলবলে কোন আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠিত, সম্প্রসারিত, হস্তান্তরিত, সীমিত, বিলুপ্ত বা খারিজ করা হয়, অথবা যদ্বারা কোন ব্যক্তি এই মর্মে স্বীকার করেন যে, তিনি কোন আইনানুগ দায়িত্বাধীনে রহিয়াছেন বা তাহার কোন বিশেষ আইনানুগ অধিকার নাই।

উদাহরণঃ

একটি হুন্ডির পৃষ্ঠে ‘ক’ তাহার নাম সহি করেন। যেহেতু এই পৃষ্ঠালিপির ফল হইতেছে যে হুন্ডির স্বত্ব এইরূপ কোন ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করা যিনি উহার আইনানুগ ধারক হইতে পারেন, সেইহেতু উক্ত পৃষ্ঠালিপি একটি “মুল্যবান জামানত” বলিয়া গণ্য হইবে।

ধারা ৩১। উইলঃ “একটি উইল” শব্দাবলি বলিতে যে কোন অছিয়তমূল দলিল বুঝাইবে।

ধারা ৩২। অবৈধ বিচ্যুতিসমূহ আইনসমুহের উল্লেখকারী শব্দসমূহের সংজ্ঞাভুক্তঃ প্রসঙ্গে প্রতিকুলে অভিপ্রায় পরিলক্ষিত না হইলে এই বিধির প্রত্যেক অংশে সম্পাদিত কার্যাবলির প্রতি উল্লেখকারী শব্দসমূহে অবৈধ বিচ্যুতিসমুহও বুঝাইবে।

ধারা ৩৩। “কার্য”, “বিচ্যুতি”: “কার্য” শব্দে একক কার্য হিসাবে কার্যসমুহের শ্রেণীকে বুঝাইবে; “বিচ্যুতি” শব্দে একক বিচ্যুতি হিসাবে বিচ্যুতিসমূহের শ্রেণীকেও বুঝাইবে।

ধারা ৩৪। কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধনকল্পেকৃত কার্যাবলিঃ যখন কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক সকলের একই অভিপ্রায় পূরণ কল্পে অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয়, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কার্যের জন্য এইরূপে দায়ী হইবেন যেন উক্ত কার্য উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত হইয়াছিল।

ধারা ৩৫। যেক্ষেত্রে অনুরূপ কার্য কোন অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায় সহকারে সম্পাদিত হওয়ার দরুন অপরাধমূলক বলিয়া গণ্য হয়ঃ কেবল কোন অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায় সহকারে সম্পাদিত হওয়ার কারণে অপরাধমূলক বলিয়া গণ্য হয় এমন কোন কার্য কখনও কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত হইলে অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকে, যাহারা অনুরূপ জ্ঞান বা অভিপ্রায় সহকারে উক্ত কার্যে যোগদান করে উক্ত কার্যের জন্য এইরূপে দায়ী হইবেন যেন উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত জ্ঞান বা অভিপ্রায় সহকারে একাকী সম্পাদিত হইয়াছিল।

ধারা ৩৬। আংশিকভাবে কার্য এবং আংশিকভাবে বিচ্যুতির সাহায্যে সংঘটিত ফলাফলঃ যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতির দ্বারা কোন বিশেষ ফলাফল ঘটাইবার বা উক্ত ফলাফল ঘটাইবার কোন উদ্যোগ অপরাধ বলিয়া গণ্য হয়, সেইক্ষেত্রে আংশিকভাবে কোন কার্য এবং আংশিকভাবে কোন বিচ্যুতির সাহায্যে উক্ত ফলাফল ঘটানো একই অপরাধ বলিয়া ধরিয়া লইতে হইবে।

উদাহরণঃ

ক অংশত অবৈধভাবে খ কে খাদ্য দান হইতে বিরত থাকিয়া এবং অংশত খ কে মারপিট করিয়া ইচ্ছাপূর্বক খ এর মৃত্যু ঘটায়। ক খুন করিয়াছে।

ধারা ৩৭। কোন অপরাধ অনুষ্ঠানকারী কতিপয় কার্যের একটি সম্পাদনের মাধ্যমে সহযোগিতাঃ যখন কতিপয় কার্যের মাধ্যমে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয় তখন যে কেহ উক্ত কর্মসমূহের যে কোন একটি সম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত অপরাধ অনুষ্ঠান কার্যে ইচ্ছাপূর্বক সহযোগিতা করে সেই ব্যক্তি উক্ত অপরাধ অনুষ্ঠান করে।

উদাহরণসমূহঃ

ক)

খ)

গ)

ধারা ৩৮। অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হনঃ যেক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কার্য অনুষ্ঠানে নিয়োজিত বা জড়িত হয়, সেইক্ষেত্রে তাহারা উক্ত কার্যের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইতে পারে।

উদাহরণঃ

ক এইরুপ গুরুতর উত্তেজনা প্রদায়ক পরিস্থিতিতে য-কে আক্রমণ করে যে তাহার য-কে হত্যা করার কার্য খুন বলিয়া গণ্য না হইয়া কেবল দন্ডণীয় নরহত্যারূপে গণ্য হইবে। য-এর প্রতি খ এর বিদ্বেষ থাকায় ও তাহাকে হত্যা করিবার উদ্দেশ্যে এবং উত্তেজনাধীন না হইয়া খ, য এর হত্যাকার্যে ক কে সাহায্য করে। এই ক্ষেত্রে যদিও ক ও খ উভয়ই য এর মৃত্যু ঘটাইবার কার্যে নিয়োজিত তথাপি খ কুনের জন্য দোষী এবং ক কেবল দন্ডনীয় নর হত্যার অপরাধে দোষী।

ধারা ৩৯। স্বেচ্ছাকৃতভাবেঃ যে মাধ্যমের সাহায্যে কোন কার্য অনুষ্ঠান অভিপ্রেত হইয়াছিল তাহার সাহায্যে অথবা এইরূপ মাধ্যম যাহা প্রয়োগকালে উহার উক্ত কার্য অনুষ্ঠান করার সম্ভাবনা রহিয়াছে বলিয়া জানিয়া বা অনুরূপ বিশ^াস করার কারণ থাকা সত্বেও যে ব্যক্তি সেই মাধ্যমের সাহায্যে উক্ত কার্য অনুষ্ঠান করে, সেই ব্যক্তি, “ স্বেচ্ছাকৃতভাবে” উক্ত কার্য অনুষ্ঠান করে বলিয়া গণ্য হইবে।

উদাহারণঃ ক দস্যুতা সুগম করার জন্য বৃহৎ শহরে একটি লোকপূর্ণ বাসগৃহে রাত্রিকালে আগুন ধরাইয়া দেয় এবং এইরূপে একি ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়। এইক্ষেত্রে ক মৃত্যু ঘটাইবার অভিপ্রায় নাও করিয়া থাকিতে পারে এবং সে তাহার কার্যের জন্য মৃত্যু ঘটিয়াছে বলিয়া দুঃখিত হইতে পারে; তথাপি যদি সে জানিয়া থাকে যে তৎকর্তৃক মৃত্যু ঘটাইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে সে স্বেচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটাইয়াছে।

ধারা ৪০। অপরাধঃ এই ধারার ২ ও ৩ দফায় উল্লেখিত অধ্যায়সমূহে ও ধারাসমূহের ব্যাপারে ব্যতীত, “অপরাধ” শব্দে এই বিধিবলে দন্ডনীয় কোন বিষয় বুঝাইবে।

৪র্থ অধ্যায়, ৫ম অধ্যায় এবং নিম্নলিখিত ধারাসমূহের যথাঃ ৬৪,৬৫,৬৬,৬৭,৭১,১০৯,১১০,১১২,১১৪,১১৫, ১১৬, ১১৭, ১৮৭,১৯৪,১৯৫,২০৩,২১১,২১৩,২১৪,২২১,২২২,২২৩,২২৪,২২৫,৩২৭,৩২৮,৩২৯,৩৩০, ৩৩১,৩৪৭,৩৪৮,৩৮৮,৩৮৯ এবং ৪৪৫ ধারাসমূহে “অপরাধ” শব্দে এই বিধি অনুযায়ী অথবা অতঃপর বর্ণিত যে কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইন অনুযায়ী দন্ডনীয় কোন বিষয় বুঝাইবে।

এবং ১৪১, ১৭৬,১৭৭,২০১,২০২,২১৬ ও ৪৪১ ধারাসমূহে “অপরাধ” শব্দে বিশেষ বা স্থানীয় আইনের অধীনে দন্ডনীয় বিষয় অনুরূপ আইনের অধীনে জরিমানা সহকারে বা ব্যতিরেকে যাহাই হউক ছয় মাস কাল বা তদুর্ধ্ব মেয়াদের কারাদন্ড দন্ডনীয় হওয়ার ক্ষেত্রে একই অর্থ বুঝাইবে।

ধারা ৪১। বিশেষ আইনঃ “বিশেষ আইন” হইতেছে বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রযোজ্য আইন।

ধারা ৪২। স্থানীয় আইনঃ “স্থানীয় আইন” হইতেছে শুধুমাত্র বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভূক্ত কোন বিশেষ অংশে প্রযোজ্য আইন।

ধারা ৪৩। “অবৈধ”: “আইনত সম্পাদন করিতে বাধ্য” ঃ “অবৈধ” শব্দ এমন প্রত্যেক বিষয়ের প্রতি প্রযোজ্য যাহা অপরাধরূপে গণ্য বা যাহ আইনবলে নিষিদ্ধ বা যাহাতে দেওয়ানী ব্যবস্থা গ্রহণের অজুহাত থাকে; এবং ব্যক্তি বিশেষ এইরূপ কার্য “আইনত সম্পাদন করিতে বাধ্য” বলিয়া গণ্য হইবে, যাহা সম্পাদন করা হইতে বিরত থাকা তাহার পক্ষে অবৈধ।

ধারা ৪৪। “ক্ষতি”: ‘ক্ষতি’ শব্দ যে কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম, বা সম্পত্তির প্রতি অবৈধভাবে কৃত যেকোন অনিষ্ট সাধন করা বুঝাইবে।

ধারা ৪৫। “জীবন”: প্রসঙ্গে ভিন্নতর কিছু না বুঝাইলে ‘জীবন’ শব্দে মনুষ্য জীবন বুঝাইবে।

ধারা ৪৬। “মৃত্যু”: প্রসঙ্গে ভিন্নতর কিছু না বুঝাইলে ‘মৃত্যু’ শব্দে মানুষের মৃত্যু বুঝাইবে।

ধারা ৪৭। “প্রাণী”: ‘প্রাণী’ শব্দে মানুষ ব্যতীত যে কোন জীবন সৃষ্টি বুঝাইবে।

ধারা ৪৮। “জাহাজ”: ‘জাহাজ’ শব্দে জলযোগে মানুষ বা সম্পত্তি পরিবহনের জন্য প্রস্তুতকৃত যে কোন যানবাহন বুঝাইবে।

ধারা ৪৯। “বৎসর” “মাস”: ‘বৎসর’ শব্দ বা ‘মাস’ শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে উক্ত বৎসর বা মাসের বৃটিশ পঞ্জিকা অনুযায়ী হিসাব করা হয় বলিয়া ধরিয়া লইতে হইবে।

ধারা ৫০। “ধারা”: “ধারা” শব্দে এই বিধির যে কোন অধ্যায়ের অংশসমূহের এক একটিকে বুঝাইবে, যাহা পূর্বে যুক্ত সংখ্যাবাচক অংকসমূহের সাহায্যে স্বতন্ত করা হইয়াছে।

ধারা ৫১। “শপথ”: ‘শপথ’ শব্দে শপথের পরিবর্তে আইনবলে প্রতিস্থাপিত যেকোন পবিত্র প্রতিজ্ঞা এবং কোন সরকারি কর্মচারীর সম্মুখে গ্রহনীয় বা কোন বিচারালয়ের হউক বা না হউক প্রমাণের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃতব্য, আইনবলে প্রয়োজনীয় বা অনুমোদিত যে কোন ঘোষণাকে বুঝাইবে।

ধারা ৫২। “সদবিশ্বাস”: যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা সদবিশ্বাসকৃত কোন কিছুই ‘সদবিশ্বাসে’ করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

ধারা ৫২ক। “আশ্রয়”: ১৫৭ ধারায বা ১৩০ ধারায় যে ক্ষেত্রে আশ্রিত ব্যক্তিকে তদীয় স্ত্রী বা স্বামী কর্তৃক আশ্রয় দেওয়া হয় সেই ক্ষেত্র ব্যতিরেকে “আশ্রয়” শব্দে কোন ব্যক্তিকে আশ্রয়, খাদ্য, পানীয়, অর্থ, পোশাক, অস্ত্রপাতি, গোলাবারুদ বা পরিবহনের মাধ্যম সরবরাহ করা অথবা গ্রেফতার কার্য এড়াইবার উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তি যে কোন মাধ্যমের সাহায্যে, উহা এই ধারায় বর্ণিত মাধ্যমসমূহের তুল্য হউক বা না হউক, সহায়তা করা অন্তর্ভূক্ত হইবে।

<<< পূর্ববর্তী পরবর্তী >>>

Check Also

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি, দন্ডবিধির ভিডিও লেকচার-২৫

ধারা ৫১১ সংশ্লিষ্ট ভিডিও লেকচার ধারা ৫১১। যাবজ্জীবন কারাদন্ডে বা কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধসমূহ সংঘটনের উদ্যেগের …