Sunday , August 31 2025

Section 1. Short title Commencement, Extent | সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, কার্যকারিতা ও পরিধি

ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি

গাইডলাইনঃ সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যারা লাইভ কাউন্সিলিং এর আওতায় রয়েছেন তাদেরকে Bar Council Exam Preparation সংক্রান্ত সকল আপডেট মোবাইল SMS এর মাধ্যমে জানানো হবে।
ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের সূচীপত্রে ফিরে যান।

ধারার ইংরেজী ভার্সনঃ

Section 1. Short title, Commencement, Extent:
(1) This Act may be called the Code of Criminal Procedure, 1898; and it shall come into force on the first day of July, 1898.
(2) It extends to the whole of Bangladesh; but, in the absence of any specific provision to the contrary, nothing herein contained shall affect any special law now in force, or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by any other law for the time being in force.

ধারার বাংলা ভার্সনঃ

ধারা ১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, কার্যকারিতা ও পরিধিঃ
(১) এই আইনটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ নামে অভিহিত হইবে; এবং ইহা ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই তারিখ হইতে কার্যকর হইবে।
(২) ইহা বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত; কিন্তু, যদি কোনো সুনির্দিষ্ট বিপরীত বিধান না থাকে, তবে এই আইনের কোনো কিছুই বর্তমানে বলবৎ কোনো বিশেষ আইনকে, অথবা কোনো বিশেষ এখতিয়ার বা ক্ষমতাকে যাহা অন্য কোনো বর্তমানে বলবৎ আইন দ্বারা অর্পিত বা প্রদত্ত হইয়াছে, অথবা কোনো বিশেষ কার্যপ্রণালীর ধরনকে যাহা অন্য কোনো আইন দ্বারা নির্ধারিত হইয়াছে, প্রভাবিত করিবে না।

বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা

এই ধারাটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর একটি প্রারম্ভিক এবং পরিচিতিমূলক বিধান। এটি আইনের তিনটি প্রধান দিক তুলে ধরেঃ আইনের নাম, এর কার্যকর হওয়ার তারিখ এবং এর ভৌগোলিক পরিধি ও অন্যান্য আইনের সাথে এর সম্পর্ক। যদিও এটি একটি সাধারণ সূচনা ধারা, এর প্রতিটি উপধারারই আইনি এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।
ধারাটির মূল বিষয়বস্তুঃ
এই ধারাটি দুটি উপধারায় বিভক্তঃ
উপধারা (১) সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও কার্যকারিতাঃ
এই উপধারাটি আইনের আনুষ্ঠানিক নাম এবং এর কার্যকারিতার তারিখ নির্ধারণ করে। আইনটির নাম “The Code of Criminal Procedure, 1898” বা “ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮”। এটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি সীমারেখা, কারণ এর পূর্বে সংঘটিত অপরাধ বা আইনি কার্যক্রমে এই আইনটি সরাসরি প্রয়োগযোগ্য নয়।
উপধারা (২) পরিধি ও বিশেষ আইনের সাথে সম্পর্কঃ
এই উপধারাটি আইনের ভৌগোলিক পরিধি এবং অন্যান্য আইনের সাথে এর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে।
পরিধিঃ আইনটি বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত। এর মানে হলো, এটি বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, এবং অঞ্চলে সমানভাবে প্রযোজ্য।
বিশেষ আইনের সংরক্ষণঃ এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান যা এই আইনের সাধারণ প্রকৃতির (general nature) উপর জোর দেয়। এটি স্পষ্ট করে যে, যদি না কোনো সুনির্দিষ্ট বিপরীত বিধান থাকে, তাহলে ফৌজদারী কার্যবিধি বর্তমানে বলবৎ কোনো বিশেষ আইনকে (special law) প্রভাবিত করবে না। উদাহরণস্বরূপঃ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন। এই বিশেষ আইনগুলোতে অপরাধের বিচার এবং কার্যপ্রণালীর জন্য নিজস্ব বিধান থাকতে পারে। যদি কোনো বিশেষ আইনে কোনো নির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার, ক্ষমতা বা কার্যপ্রণালী থাকে, তাহলে সেটিই কার্যকর হবে, ফৌজদারী কার্যবিধি নয়। ফৌজদারী কার্যবিধি তখন কেবল সেইসব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হবে যেখানে বিশেষ আইনে কোনো বিধান নেই।
এই উপধারাটি আইনের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি নিশ্চিত করে যে একটি সাধারণ আইন বিশেষায়িত আইনগুলোর কার্যকারিতাকে বাধাগ্রস্ত করবে না।
সংক্ষেপে, ধারা ১ হলো ফৌজদারী কার্যবিধির একটি প্রারম্ভিক বিধান যা এর পরিচয়, প্রয়োগের ক্ষেত্র এবং অন্যান্য আইনের সাথে এর সম্পর্ক নির্ধারণ করে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি প্রতিষ্ঠা করে যে, সাধারণ আইন বিশেষ আইনকে বাতিল করে না। এই ধারাটি বোঝা জরুরি কারণ এটি ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থার মৌলিক কাঠামো এবং এর কার্যকারিতা সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা দেবে।

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *