সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি
গাইডলাইনঃ সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যারা লাইভ কাউন্সিলিং এর আওতায় রয়েছেন তাদেরকে Bar Council Exam Preparation সংক্রান্ত সকল আপডেট মোবাইল SMS এর মাধ্যমে জানানো হবে।
ধারার ইংরেজী ভার্সনঃ
Section 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
ধারার বাংলা ভার্সনঃ
ধারা ৫। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কীভাবে দেওয়া হয়ঃ
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নিম্নলিখিত উপায়ে দেওয়া হয়-
(ক) কোনো নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ করিয়া এবং তাহা একজন দাবিদারকে অর্পণ করিয়া;
(খ) কোনো পক্ষকে সেই কাজ করিবার আদেশ দিয়া যাহা সে করিতে বাধ্য;
(গ) কোনো পক্ষকে সেই কাজ করা হইতে বিরত রাখিয়া যাহা সে না করিবার জন্য বাধ্য;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রায় ব্যতীত অন্য উপায়ে পক্ষগণের অধিকার নির্ধারণ ও ঘোষণা করিয়া; অথবা
(ঙ) একজন রিসিভার নিয়োগ করিয়া।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নিম্নলিখিত উপায়ে দেওয়া হয়-
(ক) কোনো নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ করিয়া এবং তাহা একজন দাবিদারকে অর্পণ করিয়া;
(খ) কোনো পক্ষকে সেই কাজ করিবার আদেশ দিয়া যাহা সে করিতে বাধ্য;
(গ) কোনো পক্ষকে সেই কাজ করা হইতে বিরত রাখিয়া যাহা সে না করিবার জন্য বাধ্য;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রায় ব্যতীত অন্য উপায়ে পক্ষগণের অধিকার নির্ধারণ ও ঘোষণা করিয়া; অথবা
(ঙ) একজন রিসিভার নিয়োগ করিয়া।
বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা
এই ধারাটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর একটি মৌলিক বিধান, যা এই আইনের অধীনে আদালত কীভাবে প্রতিকার প্রদান করে তার মূল পদ্ধতিগুলো সংজ্ঞায়িত করে। এটি আইনের কেন্দ্রীয় দর্শনকে তুলে ধরে। যেখানে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয়, সেখানে আদালত পক্ষকে তার নির্দিষ্ট অধিকার বা বাধ্যবাধকতা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করতে বা কাজ করা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেবে।ধারাটির মূল বিষয়বস্তুঃ
এই ধারাটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পাঁচটি প্রধান উপায় তালিকাভুক্ত করে। এই উপায়গুলো ক্ষতিপূরণ (damages) প্রদানের সাধারণ আইনি প্রতিকার থেকে ভিন্ন।
(ক) সম্পত্তির দখল ও হস্তান্তরঃ
এই পদ্ধতিটি সাধারণত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ব্যক্তি আইনতভাবে কোনো সম্পত্তির অধিকারী, কিন্তু তা তার দখলে নেই, তখন আদালত সেই সম্পত্তির দখল নিয়ে দাবিদারকে ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ বেআইনিভাবে আপনার বাড়ি দখল করে, তাহলে আদালত সেই দখল নিয়ে আপনাকে ফিরিয়ে দিতে পারে।
(খ) নির্দিষ্ট কাজ করার আদেশঃ
এটি হলো সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance)। আদালত কোনো পক্ষকে সেই কাজটি করার আদেশ দিতে পারে যা সে কোনো চুক্তি বা বাধ্যবাধকতার অধীনে করতে বাধ্য। যেমনঃ যদি আপনি একটি জমি বিক্রির চুক্তি করেন এবং বিক্রেতা জমি হস্তান্তর করতে অস্বীকার করে, তাহলে আদালত তাকে চুক্তি অনুযায়ী জমি হস্তান্তর করার জন্য আদেশ দিতে পারে।
(গ) কোনো কাজ থেকে বিরত রাখার আদেশঃ
এটি হলো নিষেধাজ্ঞা (injunction)। আদালত কোনো পক্ষকে সেই কাজটি করা থেকে বিরত থাকার আদেশ দিতে পারে যা সে না করার জন্য বাধ্যবাধকতা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার প্রতিবেশী কোনো চুক্তি অনুযায়ী আপনার জমিতে একটি দেয়াল তৈরি না করার জন্য বাধ্য থাকে, কিন্তু সে তা করতে শুরু করে, তাহলে আদালত তাকে সেই দেয়াল তৈরি করা থেকে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে।
(ঘ) অধিকার নির্ধারণ ও ঘোষণাঃ
এই পদ্ধতিটি ঘোষণা সম্পর্কিত মোকদ্দমায় (declaratory suits) ব্যবহৃত হয়। আদালত কোনো ক্ষতিপূরণ বা আদেশ ছাড়াই পক্ষগণের মধ্যেকার আইনি অধিকার বা মর্যাদা নির্ধারণ ও ঘোষণা করতে পারে। যেমনঃ কোনো সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে, আদালত ঘোষণা করতে পারে যে কোন পক্ষ সেই সম্পত্তির প্রকৃত মালিক। এটি আইনি সম্পর্ককে পরিষ্কার করে এবং ভবিষ্যতের বিরোধ এড়াতে সাহায্য করে।
(ঙ) রিসিভার নিয়োগঃ
আদালত একজন রিসিভার নিয়োগ করতে পারে। রিসিভার হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি বিরোধপূর্ণ কোনো সম্পত্তি বা প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধান এবং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন। এটি সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে করা হয় যেখানে সম্পত্তির সুরক্ষা এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন হয়, যেমনঃ যখন কোনো দেউলিয়া প্রতিষ্ঠান বা ট্রাস্টের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ থাকে।
কেন এই ধারাটি গুরুত্বপূর্ণ?
ধারা ৫ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মূল ভিত্তি স্থাপন করে। এটি স্পষ্ট করে যে, এই আইনটি কেবল ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে নয়, বরং সরাসরি আইনি অধিকার ও বাধ্যবাধকতা কার্যকর করার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। এটি নিশ্চিত করে যে, বিচারিক সিদ্ধান্তগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং কেবলমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণই একমাত্র প্রতিকার নয়। এই ধারাটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মূল দর্শন এবং এর প্রয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা দেয়।
This content is locked