Legal Study বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ভিডিও লেকচার-০৭ - Legal Study
Saturday , March 23 2019

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ভিডিও লেকচার-০৭

52-BBC SR Act Header

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
(১৮৭৭ সালের ১নং আইন)
[ফ্রী ভার্সন]
আপনি ফ্রী ভার্সন ব্যবহার করছেন। প্রিমিয়াম ভার্সন ব্যবহার করতে চাইলে 01716409127, 01729820646, 01703924452, 01688107393 (সকাল ১০.০০টা থেকে রাত ১০.০০টা) এই নাম্বারগুলোতে কল দিয়ে প্রিমিয়াম ভার্সনে নিবন্ধন করে নিন।
ধারা ৪২ থেকে ৪৩ পর্যন্ত

35-BBC Sectional Analysis Directions

সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

নির্দেশনাঃ প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, এই অংশে সংশ্লিষ্ট আইনের বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি নিবন্ধিত ফ্রী মেম্বার বা নিবন্ধিত না হয়ে থাকেন তাহলে ধারাগুলো সম্পর্কে একটি ধারণা পাবেন। শুধুমাত্র প্রিমিয়াম মেম্বারদের জন্য বিশ্লেষণাত্মক অংশটুকু ধারাগুলোর নিচে প্রদর্শিত হবে। মনে রাখা ভাল, “আইন হচ্ছে বুঝার বিষয়, মুখস্তের বিষয় নয়”।

সংশ্লিষ্ট ভিডিও লেকচার

1421-YouTube Subscribe

বিঃ দ্রঃ ইউটিউবের মাধ্যমে ভিডিও লেকচার পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটিকে Subscribe করুন। Subscribe না করলে ভিডিও লেকচারের Notifications পাবেন না। Subscribe করতে নিচের SUBSCRIBE NOW বাটনটিতে ক্লিক করে Active থাকুন।

SUBSCRIBE NOW

<<< পূর্ববর্তী পরবর্তী >>>

ধারা ৪২। মর্যাদা বা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাঃ আইনানুগ পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রুজু করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকার করেছে কিংবা অস্বীকার করতে আগ্রহ প্ৰকাশ করেছে, এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।

তেমন ঘোষণার সাথে প্রতিবন্ধকতা- তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে দাবি কেবলমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ছাড়াও আরও প্রতিকার দাবি করতে সমর্থ, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা প্ৰদান করবেন না।

ব্যাখ্যাঃ একটি সম্পত্তির জিম্মাদার এমন একটি স্বত্ব অস্বীকার করতে আগ্রহী ব্যক্তি যে জীবিত নয় এমন এক ব্যক্তির স্বত্বের প্রতিকুল এবং যদি সে বেঁচে থাকত, তবে সে তার জন্য একজন জিম্মাদার হতো।

উদাহরণঃ

(ক) “ক” বৈধভাবে একটি দখল করেছে। পার্শ্ববর্তী গ্রামের অধিবাসী উক্ত জমির মাঝখানে দিয়ে যাতায়াতের অধিকার দাবি করল। তারা তাদের দাবিকৃত অধিকারের অধিকারী নয়, এই মর্মে ঘোষণার জন্য ‘ক’ মামলা দায়ের করতে পারে।

(খ) ক তার সম্পত্তি এই মর্মে উইল করল খ, গ ও ঘ-কে দান করল বা যদি আমার মৃত্যুর সময় তারা জীবিত থাকে। তবে তাদের সকলের মধ্যে তা সমভাবে বন্টন করা হবে এবং তারপর তা তাদের উত্তরজীবি সন্তানদের মধ্যে বন্টন করা হবে। কিন্তু তাদের কোন সন্তানই জীবিত নাই। কী-র কার্য নির্বাহীর বিরুদ্ধে মামলায় আদালত ঘোষণা করতে পারেন যে, খ, গ ও ঘ কি সম্পত্তির চূড়ান্ত মালিক হবে, শুধুমাত্র জীবনকালের জন্যই তারা তা পাবে এবং তাদের অধিকার কায়েমী হওয়ার আগেই সন্তানদের স্বার্থের ব্যাপারেও আদালত ঘোষণা করতে পারেন।

(গ) ক এই মর্মে একটি চুক্তিপত্র করে যে, যদি সে কখনও এক লাখ টাকার বেশি মূল্যের সম্পত্তির অধিকারী হয় তবে তা সে নির্দিষ্ট জিম্ময় অর্পণ করবে। তেমন সম্পত্তি অর্জনের পূর্বে অথবা জিম্মার অধীন কোন ব্যক্তি তার অধিকারী হবে তা নিরুপণের পূর্বেই সে চুক্তিপত্রকে অনিশ্চয়তার দরুণ বাতিল ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করল । আদালত তেমন ঘোষণা প্ৰদান করতে পারেন।

(ঘ) ক এমন সম্পত্তির স্বত্ব খ-এর হস্তান্তর করল যাতে ক-এর শুধুমাত্র জীবিত থাকা পর্যন্ত স্বাৰ্থ রয়েছে। এই স্বত্ব হস্তান্তর গা-র বিরুদ্ধে অবৈধ, কারণ সে ভাবী উত্তরাধিকারী হিসেবে উক্ত সম্পত্তির স্বত্বাধিকারী। আদালত গ কর্তৃক ক ও খ-র বিরুদ্ধে আনীত মামলায় ঘোষণা করতে পারেন যে, গা-র তেমন অধিকার রয়েছে।

(ঙ) একজন নিঃসন্তান হিন্দু বিধবা দখলী সম্পত্তির একটি অংশের স্বত্ব হস্তান্তর করল। আনুমানিকভাবে উক্ত বিধবার উত্তরজীবি হলে সে ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির দখলের অধিকারী হবে সে স্বত্ব হস্তান্তরগ্রহীতার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার এমন ঘোষণা পেতে পারে যে, স্বত্ব হস্তান্তর বৈধ প্রয়ােজন ছাড়াই করা হয়েছিল এবং তাই তা বিধবার মৃত্যুর পর বাতিলযোগ্য ।

(চ) সম্পত্তির দখলরত একজন হিন্দু বিধবা একজনকে তার মৃত স্বামীর পোষ্যপুত্ররূপে গ্রহণ করে। আনুমানিকভাবে উক্ত মহিলার নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুর পর যে ব্যক্তি তার সম্পত্তির স্বত্বাধিকারী হত সে পােষ্যপুত্রের বিরুদ্ধে রুজুকৃত মামলায় পোষ্য গ্রহণ অবৈধ ছিল, এই ঘোষণা পেতে পারে।

(ছ) ক-র কতিপয় নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল রয়েছে। খ দাবি করে যে, সে উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং কি-র তা তার নিকট অৰ্পণ করা আবশ্যক। কি সম্পত্তি নিজ দখলে রাখার অধিকার সম্পর্কে ঘোষণা অর্জন করতে পারেন।

(জ) ক তার সম্পত্তির উইল করে খ-কে সারা জীবনের জন্য এবং খ-র স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে যদি থেকে থাকে, তবে তাদেরকে স্বার্থের অবশিষ্ট ভাগ প্ৰদান করে, কিন্তু খ যদি স্ত্রী-পুত্ৰহীন অবস্থায় মারা যায়, তবে তা ঘ-র প্রাপ্য হবে। খ-র অনুমিত বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিল। খ-এর জীবদ্দশায় ঘ ও তার ছেলেমেয়েরা গ-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে এই ঘোষণা লাভ করতে পারে যে, তারা খ-এর সত্যিকার স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে।

ধারা ৪৩। ঘোষণার ফলাফলঃ এই অধ্যায়ের বিধান অনুসারে প্রদত্ত ঘোষণা শুধুমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর এবং যেখানে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেখানে তেমন ব্যক্তিদের উপর জিম্মাদার হত। অবশ্য পালনীয় হবে।

উদাহরণঃ

ক একজন হিন্দু তার কথিত স্ত্রী খ এবং তার মাকে প্রতিবাদী করে দায়েরকৃত মামলায় তার বিবাহ যথারীতি সম্পন্ন হয়েছে এই ঘোষণা প্ৰদান এবং তার দাম্পত্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ প্রদানের আবেদন জানােল। আদালত সেই মর্মে ঘোষণা ও আদেশ প্ৰদান করলেন। গা দাবি করল যে, খ, তার স্ত্রী এবং তারপর খ-কে প্রত্যাৰ্পণ করার জন্য মামলা দায়ের করল। পূর্ববতী মামলায় প্রদত্ত ঘোষণা গ-এর উপর অবশ্য পালনীয় নয়।

<<< পূর্ববর্তী পরবর্তী >>>

Check Also

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রস্তুতি, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ভিডিও লেকচার-১০

ধারা ৫৪ থেকে ৫৭ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ভিডিও লেকচার ধারা-৫৪। চিরস্থায়ী ইনজাংশন যখন মঞ্জর করা হয়ঃ এই …

Messenger icon