বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স
অ্যান্ড
বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২
(রাষ্ট্রপতির ৪৬নং আদেশ)
দায়িত্ব অব্যাহতি (Disclaimer): এটি শুধুমাত্র শিক্ষামূলক ও প্রশিক্ষণমূলক উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে প্রদত্ত সকল তথ্য, দৃষ্টান্ত ও উপাত্ত বিজ্ঞ আইনজীবীদের পেশাগত পরামর্শের বিকল্প নয়। নির্দিষ্ট কোন আইনি বিষয়ের জন্য সঠিক পরামর্শ নিতে অভিজ্ঞ ও তালিকাভুক্ত আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ করার অনুরোধ রইল।
অনুচ্ছেদ এর ইংরেজী ভার্সনঃ
Article 1.
(1) This Order may be called the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972.
(2) It extends to the whole of Bangladesh.
(3) It shall come into force at once.
(1) This Order may be called the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972.
(2) It extends to the whole of Bangladesh.
(3) It shall come into force at once.
অনুচ্ছেদ এর বাংলা ভার্সনঃ
অনুচ্ছেদ ১।
(১) এই আদেশটি বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত।
(৩) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
(১) এই আদেশটি বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত।
(৩) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা
এই অনুচ্ছেদটি “বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২” এর একটি প্রারম্ভিক এবং পরিচিতিমূলক বিধান। এটি আইনের তিনটি প্রধান দিক তুলে ধরেঃ আইনের নাম, এর ভৌগোলিক পরিধি এবং এর কার্যকর হওয়ার তারিখ। যদিও এটি একটি সাধারণ সূচনা অনুচ্ছেদ, এর প্রতিটি উপধারারই আইনি এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।অনুচ্ছেদটির মূল বিষয়বস্তুঃ
এই অনুচ্ছেদটি তিনটি উপধারায় বিভক্তঃ
উপ-অনুচ্ছেদ (১) - সংক্ষিপ্ত শিরোনাম (Short title):
এই আদেশের আনুষ্ঠানিক নাম হলো “Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972”। এই নামটি এর মূল উদ্দেশ্যকে সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ করে, তা হলো বাংলাদেশে আইন পেশা অনুশীলনকারী ব্যক্তি (Legal Practitioners) এবং তাদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা, অর্থাৎ বার কাউন্সিল (Bar Council) সংক্রান্ত বিষয়াবলী।
উপ-অনুচ্ছেদ (২) - পরিধি (Extent):
এই আদেশটি বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত। এর মানে হলো, এটি বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, এবং অঞ্চলে সমানভাবে প্রযোজ্য। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে দেশের কোনো অংশই এই আদেশের আওতার বাইরে নয় এবং দেশের সকল আইন পেশাজীবী এই আদেশের অধীনে নিয়ন্ত্রিত হবে।
উপ-অনুচ্ছেদ (৩) - কার্যকারিতা (Commencement):
এই উপধারাটি আইনের কার্যকারিতার তারিখ নিয়ে আলোচনা করে। এটি বলছে যে, এই আদেশটি অবিলম্বে (at once) কার্যকর হবে। “অবিলম্বে কার্যকর” এর মানে হলো, এটি প্রণয়নের সাথে সাথেই কার্যকর হয়েছে, কোনো বিলম্ব ছাড়াই। এই তাৎক্ষণিক কার্যকারিতা নির্দেশ করে যে, ১৯৭২ সালে এটি প্রণয়নের সময় দেশে আইন পেশা ও বার কাউন্সিলের জন্য একটি সুসংহত এবং কার্যকর আইনি কাঠামোর জরুরি প্রয়োজন ছিল।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটঃ
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, নতুন দেশের জন্য একটি নতুন আইনি কাঠামো এবং পেশাগত নিয়মাবলী তৈরি করা অপরিহার্য ছিল। এই আদেশটি যথাযথ সময়ে জারি করা হয়, যা আইন পেশার জন্য একটি নতুন এবং স্বতন্ত্র আইনি ভিত্তি স্থাপন করে। এটি নিশ্চিত করে যে পেশাগত আচরণ, যোগ্যতা এবং বার কাউন্সিলের ক্ষমতা সংক্রান্ত সকল বিষয় বাংলাদেশের নিজস্ব সার্বভৌম আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
সংক্ষেপে, অনুচ্ছেদ ১ হলো এই আদেশের একটি প্রারম্ভিক বিধান যা এর পরিচয় এবং প্রয়োগের ক্ষেত্র নির্ধারণ করে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি প্রতিষ্ঠা করে যে, দেশের আইন পেশা এবং আইনজীবীদের আচরণ এই আদেশের আওতায় বিচার করা হবে। এই অনুচ্ছেদটি বোঝা জরুরি কারণ এটি বাংলাদেশের আইন পেশার মৌলিক কাঠামো এবং এর কার্যকারিতা সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা দেবে।