Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Saturday , July 20 2019

একটি অংশীদারী চুক্তিনামার ড্রাফটিং

বিঃদ্রঃ নিম্নে ড্রাফটিং এর কাল্পনিক তথ্য পর্যাক্রমিকভাবে উপস্থাপন করা হল এবং এই তথ্যগুলো কিভাবে সাজিয়ে লিখতে হয় তা পিডিএফ ফাইলের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হল। আশাকরি সকলেই উপকৃত হবেন।

অংশীদারী চুক্তিনামার শর্তসমূহঃ

১। ব্যবসায়ের প্রতিষ্ঠানের নামঃ ———————————-।

২। ব্যবসায়ের ঠিকানাঃ —————————————–।

৩। ব্যবসায়ের ধরণ/প্রকৃতিঃ ————————————-।

৪। ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য এবং পরিধিঃ ———————- বিস্তারে “——(ব্যবসায়ের নাম)——” নামে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়িয়া তোলা এবং এই উদ্দেশ্য সাধনকল্পে একটি আনুসাঙ্গিক কার্য্যাবলী সম্পাদন করা এবং ভবিষ্যতে অংশীদারী পক্ষসমূহের পারস্পরিক সম্মতিতে অন্য যে কোন আইন সম্মত ব্যবসা পরিচালনা করিতে পারিবে।

৫। ব্যবসা শুরুর তারিখঃ ব্যবসায়টি ………………. ইং তারিখ হইতে শুরু করিবে।

৬। ব্যবসায়ের মেয়াদঃ ব্যবসাটি আরম্ভ হইয়া অনির্দিষ্ট মেয়াদকাল পর্যন্ত চলিবে।

৭। মূলধনঃ ব্যবসাটি নগদ ………………….. টাকা নগদ নিয়া গঠিত হইবে এবং অংশীদারগণ সমহারে এই মূলধন সরবরাহ করিবেন। পবর্তীতে অতিরিক্ত মূলধনের প্রয়োজন হইলে অংশীদারী পক্ষগণ পর্যালোচনা ও মতৈক্যের ভিত্তিতে সমহারে প্রয়োজনীয় মূলধন সরবরাহ করিবেন।

৮। লভ্যাংশ উত্তোলনঃ অংশীদারী পক্ষগণ প্রতি ………… দিন/মাস অন্তর সম্ভাব্য অর্জিত লভ্যাংশ অনুমোদন করিয়া সমহারে নির্দিষ্ট পরিমান উত্তোলন করিতে পারিবেন।

৯। মুনাফা বন্টনঃ অংশীদারগণ সমহারে মুনাফার অংশীদার হইবেন।

১০। ব্যবসায়ের ক্ষতিঃ ব্যবসায়ের ক্ষতি (খড়ংং) হইলে অংশীদারগণ সমহারে তাহা বহন করিবেন।

১১। ব্যবস্থাপনাঃ অংশীদারী পক্ষগণ আলোচনার ভিত্তিতে ব্যবসায়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালনার নীতি নির্ধারণ করিবেন। তবে সকলের সম্মতিক্রমে জনাব ……………………… ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করিবেন এবং ইহার ভিত্তিতে তিনি মাসিক ………….. টাকা ভাতা গ্রহন করিবেন।

১২। কর্মচারী নিয়োগঃ অংশীদারগণের অনুমোদনের ভিত্তিতে কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করা হইবে। তবে অংশীদারগণের মধ্যে কেহ যদি কর্মচারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করিতে আগ্রহী হন তবে তিনি অংশীদারগণের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কর্মচারী হিসাবে (অংশীদার হিসাবে প্রাপ্য লভ্যাংশ ব্যতীত) বেতন ভাতাদি প্রাপ্ত হইবেন।

১৩। আম-মোক্তারনামাঃ চুক্তিনামার …… নং পক্ষ অর্থাৎ জনাব/জনাবা ………….. কে অংশীদারী ব্যবসায়ের কার্য্য সম্পাদনের জন্য আম-মোক্তার নিযুক্ত করা হইল। এই ক্ষমতা বলে তিনি ব্যবসায়ের পক্ষ হইতে প্রাসঙ্গিক দলিলপত্র, চিঠিপত্র, চেক স্বাক্ষর, বিল, ভাউচার ইত্যাদি স্বাক্ষর করার অধিকারী হইবেন।

১৪। হিসাবরক্ষণ, বার্ষিক হিসাব ও নিরীক্ষণঃ ব্যবসাযের লেনদেন যথাযথভাবে রক্ষণ ও হিসাব বই সংরক্ষন করা হইবে। প্রতি বৎসরের ৩০শে জুন কালান্তিক হিসাব সম্পাদন করা হইবে। অংশীদারী পক্ষগণ যে কোন সময়ে ব্যবসায়ের হিসাবপত্র ও হিসাব প্রতিবেদন প্রয়োজনে পরীক্ষা/নিরীক্ষা করিতে পারিবেন।

১৫। ঋণঃ অত্র প্রতিষ্ঠান/নুতন প্রতিষ্ঠান/নতুন ব্যবসায় ঋনের প্রয়োজন হইলে ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে বাজারে চলমান সুদের হারে ঋন গ্রহণ করিতে পারিবেন। অংশীদারী পক্ষ সমূহের মধ্য হইতে কোন পক্ষ এই ঋণ প্রদান করিতে চাইলে তাহা অগ্রাধিকারী ভিত্তিতে গ্রহণ করা হইবে।

১৬। ব্যাংক একাউন্ট খোলা ও লেনদেনঃ উক্ত অংশীদারী কারবারের অংশীদারগণের অনুমোদন সাপেক্ষে জনাব/জনাবা ……………………. ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করিবেন এবং চেকে স্বাক্ষর করিয়া টাকা উত্তোলন এবং জমাদানের কার্য্য সম্পাদন পরিবেন।

১৭। নিষেধাজ্ঞাঃ অত্র চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী কোন অংশীদারই সকল অংশীদারগণের লিখিত সম্মতি ছাড়া নিম্নোক্ত কার্য্যাবলী সম্পাদন করিতে পারিবেন নাঃ-

(ক) অত্র অংশীদারী ব্যবসা ব্যতীত ইহার আশেপাশে —— কিলোমিটার এর মধ্যে একই প্রকৃতির অন্য কোন অংশীদারী ব্যবসায় জড়িত হওয়া।

(খ) অংশীদারীর কোন অংশ অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হস্তান্তর করা।

(গ) ব্যবসায়ের কোন সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয় করা।

(ঘ) প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয় অথবা সুনাম নষ্ট হয় এমন কোন কাজ করা বা আলাপ আলোচনা করা।

১৮। কোন অংশীদারকে বহিষ্কারঃ কোন অংশীদার উক্ত চুক্তিপত্রের কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে তাহাকে অন্যান্য অংশীদারগনের সম্মতিক্রমে তাহার প্রাপ্য প্রদান পূর্বক বহিষ্কার করা যাইবে।

১৯। কোন অংশীদার তাহার অংশ হস্তান্তর করিতে চাহিলেঃ কোন অন্যান্য অংশীদারগণের সহিত আলোচনাক্রমে সর্বসম্মতিতে লিখিত আকারে অন্যান্য অংশীদারগনের নিকট বা একক কোন অংশীদারের নিকট তাহার অংশ হস্তান্তর করিতে পারিবেন তবে অত্র চুক্তিনামার পক্ষ ব্যতীত তৃতীয় কোন পক্ষের নিকট অংশ হস্তান্তর করিতে পারিবেন না।

২০। নতুন অংশীদার গ্রহণঃ অংশীদারী পক্ষগণ লিখিতভাবে সম্মত না হইয়া নতুন কোন অংশীদার গ্রহণ করিতে পারিবেন না।

২১। কোন অংশীদার এর মৃত্যু হইলেঃ কোন অংশীদারের মৃত্যু হইলে তাহার আইনানুগ উক্তরাধীকারীর সাথে অংশীদারগণ চুক্তিতে আবদ্ধ হইয়া ব্যবসা পরিচালনা করিতে পারিবেন।

২২। সুনামের মূল্যায়নঃ ব্যবসায়ের সুনাম সংশ্লিষ্ট ফার্ম প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি ও দায় এর ভিত্তিতে নির্ধারিত হইবে।

২৩। চুক্তির শর্তের পরিবর্তনঃ ব্যবসায়ের সাথে কোন শর্ত যুক্ত বা পরিবর্তন বা সংশোধন করিতে হইলে অংশীদারী পক্ষগণের সম্মতিতে তাহা করা যাইবে এবং পরিবর্তিত/সংযোজিত শর্তসমূহ অত্র চুক্তিনামার অঙ্গীভ‚ত হইবে।

২৪। অংশীদারী আইনের ধারাঃ এই চুক্তিতে উল্লেখ নাই এমন সকল বিষয় অংশীদারী আইন, ১৯৩২ ইং এর বিধান অনুযায়ী মিমাংসা হইবে তবে পক্ষগনের সম্মতিক্রমে কোন বিরোধীয় বিষয়ে পক্ষগণের যৌথ মনোনীত প্রতিনিধির দ্বারা মিমাংসার ব্যবস্থা করা যাইবে।

২৫। ব্যবসায়ের বিলোপ সাধনঃ ব্যবসায়ের বিলোপ সাধনের কোন কারণ দেখা দিলে অংশীদারী আইন মোতাবেক তাহা বিলোপ সাধন ও ব্যবসায়ের সম্পর্ক বন্টন সাধিত হইবে।

উপরোক্ত শর্তাবলী পাঠ করিয়া আমরা পক্ষগণ উহার মর্ম সম্যক অবগত হইয়া স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে, সুস্থ্য মস্তিষ্কে, অন্যের বিনা প্ররোচনায় অত্র চুক্তিনামায় নিজ নিজ নাম সহি স্বাক্ষর করিলাম। ইতি, তাং————–।


Check Also

মুসলিম বিবাহের হলফনামা সংক্রান্ত একটি লিগ্যাল ড্রাফটিং

ড্রাফটিং এর বিষয়ঃ মুসলিম বিবাহের হলফনামা সংক্রান্ত একটি লিগ্যাল ড্রাফটিং সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বরাবর, …