Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Legal Study
Saturday , December 15 2018

ব্যক্তি করদাতার আয়কর রিটার্ন, করবর্ষঃ ২০১৮-২০১৯

আয়কর নির্দেশিকা, ২০১৮
আমরা স্বাবলম্বী হবো, সকলে কর দিব
ব্যক্তি করদাতার আয়কর রিটার্ন
সহজ ভাষায় আইন শিক্ষা

71. Tax Guideline-2018-Front Page Menu

আমাদের ই-লার্নিং পোর্টালটি শিক্ষামূলক ও গবেষণামূলক পোর্টাল, অত্র পোর্টালে প্রকাশিত তথ্য উপাত্ত বিজ্ঞ আইনজীবীদের পরামর্শের বিকল্প নয়। আপনি যদি বিজ্ঞ আইনজীবীদের নিকট থেকে আয়কর রিটার্ন সংক্রান্ত কোন আইনগত সহায়তা / পরামর্শ / প্রেক্টিক্যাল ট্রেনিং নিতে চান তাহলে 01786265921, 01716409127, 01611234520 নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। 

<<< পূর্ববর্তী পরবর্তী >>>

কর নির্ধারণ পদ্ধতি ও রিটার্নের প্রকারভেদঃ

বর্তমানে রিটার্ন দাখিলের জন্য দুটি পদ্ধতি প্রচলিত আছে- সাধারণ পদ্ধতি ও  সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতি। করদাতা সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে রিটার্ন ফরমে বিষয়টি  চিহ্নিত করতে হবে। উদাহরণস্বরুপ, যারা ২০১৬-১৭ কর বছরে নতুন প্রবর্তিত ফরমে রিটার্ন দাখিল করবেন তারা রিটার্নেও প্রথম পৃষ্ঠার  ক্রমিক নং-২ এর 82BB ধারার অধীনে রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে কিনা এ সংক্রান্ত তথ্যের বিপরীতে ‘হ্যাঁ’ এর ঘরে (√) টিক চিহ্ন দিবেন। ক্রমিক নং-২ এর ‘না’ এ ঘরে (√) টিক চিহ্ন প্রদান করলে বা কোন ঘরে (√) টিক চিহ্ন প্রদান না করলে রিটার্নটি সাধারণ পদ্ধতির আওতায় দাখিলকৃত বলে গণ্য হবে।


সার্বজনীন স্বনির্ধারনী পদ্ধতিঃ

সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে করদাতা তার নিজের আয় নিজে নিরুপণ করে প্রযোজ্য আয়কর পরিশোধ করেন। ২০১৮-১৯ কর বছরে কোন ১২ ডিজিট টিআইএনধারী ব্যক্তি করদাতা রিটার্নে প্রদর্শিত মোট আয়ের উপর প্রযোজ্য সমুদয় আয়কর ও সারচার্জ পরিশোধ পূর্বক ৩০ নভেম্বর ২০১৮ তারিখের মধ্যে বা উপকর কমিশনার কর্তৃক মঞ্জুরকৃত বর্ধিত সময়ের মধ্যে সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। করদাতার ১২ ডিজিট টিআইএন না থাকলে করদাতা সার্বজনীন স্বনির্ধারনী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন না। তাছাড়া, মোট আয়ের প্রযোজ্য সমুদয় আয়কর ও সারচার্জ পরিশোধ করা না হলে অথবা ৩০ নভেম্বর ২০১৮ তারিখের মধ্যে বা উপকর কমিশনার কর্তৃক মঞ্জুরকৃত বর্ধিত সময়ের মধ্যে দাখিলকৃত না হলে করদাতার রিটার্ন সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতির আওতায় পড়বে না। বর্ণিত সকল শর্ত পূরণ করে সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতির আওতায় রিটার্ন দাখিল করা হলে আয়কর বিভাগ থেকে করদাতাকে যে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র প্রদান করা হয় তাই কর নির্ধারনী আদেশ (assessment order) বলে গণ্য হয়। পরবর্তীতে উপকর কমিশনার কয়েকটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিতকরণের লক্ষ্যে রিটার্নটি process করেন। রিটার্ন process এর ফলশ্রুতিতে যদি দেখা যায় করদাতা প্রদেয় অংকের চেয়ে কম বা বেশি আয়কর ও প্রযোজ্য অন্যান্য অংক পরিশোধ করেছেন, তাহলে উপকর কমিশনার করদাতাকে তা অবহিত করে  এ বিষয়ে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবেন। সকল শর্ত পূরণ করে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিলের পর কোন করদাতা যদি দেখেন যে অনিচ্ছাকৃত ভুলে কম আয় প্রদর্শন অথবা বেশি রেয়াত, কর অব্যাহতি বা ক্রেডিট দাবী/প্রদর্শন, অথবা অন্য কোন কারণে কর বা প্রযোজ্য অন্য কোন অংক কম পরিশোধ বা পরিগণনা করা হয়েছে তাহলে করদাতা নিজে থেকে একটি ভুল-সংশোধনী রিটার্ন উপকর কমিশনারের বিবেচনার জন্য তার নিকট দাখিল করতে পারবেন। এরুপ ভুল-সংশোধনী রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত শর্ত পরিপালন করতে হবেঃ

  • ভুল-সংশোধনী রিটার্নে সাথে ভুলের ধরন ও কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত বিবরণী দাখিল করতে হবে;
  • যে পরিমাণ কর বা প্রযোজ্য অন্য কোন অংক কম পরিশোধ করা হয়েছে সে পরিমাণ অংক এবং তার অতিরিক্ত হিসেবে উক্তরুপ অংকের উপর মাসিক ২ শতাংশ হারে সুদ ভুল-সংশোধনী রিটার্ন দাখিলের আগে বা দাখিলের সময় পরিশোধ করতে হবে।

ভুল-সংশোধনী রিটার্নে “৮২ বিবি(৫) ধারায় দাখিলকৃত” বা “Filed under section 82BB(5)” কথাটি উল্লেখ থাকতে হবে।ভুল-সংশোধনী রিটার্ন দাখিল করার পর উপকর কমিশনার যদি সন্তুষ্ট হন যে এ সংক্রান্ত সকল শর্ত যথাযথভাবে পূরণ হয়েছে তাহলে তিনি রিটার্নটি জমাগ্রহণ (allow) করবেন। রিটার্নটি জমা গ্রহণের উপযুক্ত হলে উপকর কমিশনার প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ইস্যু করবেন। প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে “৮২ বিবি(৫) ধারায় জমা গ্রহণ করা হলো” বা “Allowed under section 82BB(5)” কথাটি উল্লেখ থাকবে। তবে স্বনির্ধারণী রিটার্ন দাখিলের পর ১৮০ দিন অতিক্রান্ত হলে বা মূল রির্টানটি অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে এরুপ ভুল-সংশোধনী রিটার্ন দাখিল করা যাবে না। এরুপ ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল করলেও তা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নির্ধারিত criterion এর ভিত্তিতে সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে দাখিলকৃত কোন রিটার্ন বা ভুল-সংশোধনী রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করে তা উপকর কমিশনারের নিকট পেরণ করতে পারবে। অডিটের জন্য নির্বাচিত রিটার্নের অডিট পরিচালনার পর উপকর কমিশনার করদাতার আয়, সম্পদ, দায়, ব্যয় ইত্যাদি বিষয়ে রিটার্নে বা ভুল সংশোধনী রিটার্নে প্রদর্শিত তথ্যের বাইরে নতুন কিছু না পেলে অডিট কার্যক্রম নিষ্পত্তিকৃত বলে করদাতাকে লিখিতভাবে অভিহিত করবেন। আর যদি অডিট পরিচালনার ফলশ্রুতিতে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায় করদাতার রিটার্নে বা ভুল সংশোধনী রিটার্নে তার আয়, সম্পদ, দায়, ব্যয় ইত্যাদির তথ্য যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি তাহলে উপকর কমিশনার অডিটে প্রাপ্ত তথ্য অবহিত করে করদাতাকে নোটিশ প্রদান করবেন। এতে, নোটিশে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে অডিটে প্রাপ্ত তথ্যের প্রতিফলন ঘটিয়ে সংশোধিত রিটার্ন (revised return) দাখিলের জন্য এবং উক্তরুপ সংশোধিত রিটার্নের ভিত্তিতে প্রযোজ্য কর ও অন্যান্য প্রদেয় অংক রিটার্ন দাখিলের আগে বা দাখিলের সময় পরিশোধের জন্য বলা থাকবে। নোটিশের প্রেক্ষিতে যদি করদাতা কর্তৃক সংশোধীত রিটার্ন দাখিল করা হয় উপকর কমিশনার যদি এ মর্মে সন্তুষ্ট হন যে রিটার্নটিতে অডিটে প্রাপ্ত তথ্যের যথাযথ প্রতিফলন রয়েছে এবং সংশোধিত রিটার্নের ভিত্তিতে প্রযোজ্য কর ও অন্যান্য প্রদেয় অংক রিটার্ন দাখিলের আগে বা দাখিলের সময় সম্পূর্ণরুপে পরিশোধিত হয়েছে তাহলে উপকর কমিশনার সংশোধিত রিটার্নটি গ্রহণ করে করদাতাকে একটি গ্রহনপত্র (letter of acceptance) প্রদান করবেন। আর যদি নোটিশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে বা উপকর কমিশনার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে মঞ্জুরীকৃত বর্ধিত সমযের মধ্যে করদাতা সংশোধিত রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হন, অথবা করদাতা সংশোধীত রিটার্ন দাখিল করলেও  রিটার্নটিতে অডিটে প্রাপ্ত তথ্যের যথাযথ প্রতিফলন না থাকে অথবা সংশোধিত রিটার্নের ভিত্তিতে  প্রযোজ্য কর ও অন্যান্য প্রদেয় অংক রিটার্ন দাখিলের আগে বা দাখিলের সময় সম্পূর্ণরুপে পরিশোধিত না হয়, তাহলে উপকর কমিশনার ৮৩ বা ৮৪ ধারা অনুযায়ী (যেটি প্রযোজ্য) কর নির্ধারণ কার্যক্রম গ্রহণ করবেন। উল্লেখ্য, এ ধারায় দাখিলকৃত কোন ভুল-সংশোধনী রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্নে যদি করমুক্ত আয় বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য আয় প্রদর্শন করা হয় তাহলে উক্ত রিটার্নে মূল রিটার্ন অপেক্ষা যে পরিমাণ অতিরিক্ত করমুক্ত আয় বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য আয় প্রদর্শন করা হবে তা করদাতার অন্যান্য সুত্রের আয় হিসাবে গণ্য হবে। সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে ২০১৮-১৯ কর বছরে দাখিলকৃত কোন রিটার্ন বা সংশোধীত রিটার্নে অব্যবহিত পূর্ববর্তী কর বছরের নিরুপিত আয় অপেক্ষা নূন্যতম ১৫% বেশি আয় প্রদর্শন করা হলে এবং করদাতার আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর ধারা ৭৫এ, ১০৮ এবং ১০৮এ এ বর্ণিত শর্ত পরিপালন করলে এবং নিম্নোক্ত সকল শর্ত পূরণ হলে সে রিটার্ন অডিট কার্যক্রমের আওতা বহির্ভূত থাকবে।

(১) কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয় প্রদর্শন করা হয়েছে এরূপ রিটার্নের ক্ষেত্রে কর-অব্যাহতিপ্রাপ্ত আয়ের সপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণাদি সংযুক্ত করা হলে;

(২) যে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আয় বছরে এক বা একাধিক উৎস হতে ৫ লক্ষ টাকার অধিক ঋণ গ্রহণ প্রদর্শিত হয় সে ক্ষেত্রে উক্ত ঋণের সপক্ষে ব্যাংক বিবরণী বা হিসাব বিবোরণী দাখিল করা হলে [অর্থাৎ এরুপ ঋণ ব্যাংকিং (আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ) চ্যানেল গৃহীত হলে];

(৩) সংশ্লিষ্ট আয় বছরের কোন দান গ্রহণ করা না হলে;

(৪) ধারা ৪৪ অনুযায়ী কর অব্যাহতি প্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য কোন আয় প্রদর্শন করা না হলে;

(৫) রিটার্নে কোন কর ফেরৎ দাবী করা না হলে বা রিটার্নের ফলশ্রুতিতে (প্রসেস কার্ক্রমসহ) কোন কর ফেরৎ সৃষ্টি না হলে।

২০১৮-১৯ কর বছরে আয়কর অধ্যাদেশের ৮২বিবি ধারায় সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে দাখিলকৃত নতুন রিটার্নে ব্যবসা ও পেশা খাতে প্রদর্শিত আয়ের ৫ গুন পর্যন্ত প্রারম্ভিক পুঁজি প্রদর্শন করা হলে পুঁজির উৎস ব্যাখ্যা না করলেও চলবে। তবে এরুপ ক্ষেত্রে প্রদর্শিত আয় করমুক্ত সীমার উর্ধ্বে হতে হবে, নিয়মিত হার প্রযোজ্য কর পরিশোধ করতে হবে ( অর্থাৎ কোন করমুক্ত আয় বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য আয় প্রদর্শন করা যাবে না) এবং দাখিলকৃত রিটার্নের সাথে প্রারম্ভিক পুঁজি সুবিধা গ্রহণ করেছেন মর্মে লিখিত ঘোষনা প্রদান করতে হবে। উক্ত প্রারম্ভিক পুঁজি ঐ আয় বছর এবং পরবর্তী আরো চারটি আয় বছর সংশ্লিষ্ট ব্যবসা বা পেশায় ধরে রাখতে হবে। এ সময়ের কোন আয় বছরের শেষে যদি দেখা যায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় বা পেশার পুঁজির পরিমাণ প্রারম্ভিক মূলধনের পুঁজি অপেক্ষা কমে গেছে, তাহলে যে পরিমাণ পুঁজি কম হবে তা ঐ আয় বছরের “ব্যবসায় খাতের আয়” হিসেবে করদাতার মোট আয়ের অন্তর্ভুক্ত হবে।


সাধারণ পদ্ধতিঃ

সাধারণ পদ্ধতির আওতায় দাখিলকৃত রিটার্নের ক্ষেত্রে প্রাপ্তি স্বীকরপত্রটি কর নির্ধারনী আদেশ (assessment order) বলে গণ্য হয় না। রিটার্ন দাখিলের পর উপকর কমিশনার কর নির্ধারণ করেন। করদাতা কর্তৃক রিটার্নে প্রদর্শিত তথ্য উপকর কমিশনারের নিকট সঠিক মনে হলে তিনি করদাতাকে শুনানীতে না ডেকেই কর নির্ধারণ করতে পারেন। আবার প্রদর্শিত আয়ের সমর্থনে যথোপযুক্ত তথ্য ও প্রমাণাদি না থাকলে বা উপকর কমিশনার প্রয়োজন মনে করলে করদাতাকে শুনানীতে উপস্থিত হতে অনুরোধ করে করদাতার বক্তব্য, তথ্য, প্রমাণাদি বিবেচনায় নিয়ে কর নির্ধারণ করতে পারেন। উল্লেখ্য যে, নিরীক্ষার আওতায় না পড়লেও কোন রিটার্নে আয় গোপন করা হলে বা কর ফাঁকি থাকলে সংশ্লিষ্ট কর বছরের রিটার্নের ক্ষেত্রে অধ্যাদেশের ৯৩ ধারা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। একই সাথে উক্ত রিটার্ন process ও করা যাবে।

ব্যক্তি-করদাতার আয়কর রিটার্ন ফরমঃ

(১) আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ সংশোধনের মাধ্যমে ব্যক্তি করাদাতার জন্য নতুন রিটার্ন ফরম (IT-11GA2016): আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ সংশোধনের মাধ্যমে ব্যক্তি করাদাতার জন্য নতুন রিটার্ন ফরম (IT-11GA2016) প্রবর্তন করা হয়েছে, যা ২০১৬-১৭ কর বছর থেকে কার্যকর হয়েছে। বিগত বছরের ধারাবাহিকতায় ২০১৮-১৯ কর বছরেও নতুন রিটার্নেও পাশাপাশি আগের রিটার্ন ফরমগুলো ব্যবহার করা যাবে। অথ্যাৎ, ২০১৮-১৯ কর বছরে ব্যক্তি করদাতাগণ নিম্নবর্ণিত আয়কর রিটার্ন ফরম সুমহ ব্যবহার করতে পারবেন।

  • ফরম IT-11GA2016: সকল ব্যক্তি করদাতার জন্য প্রযোজ্য
  • ফরম IT-11GA: সকল ব্যক্তি করাদাতার জন্য প্রযোজ্য।
  • ফরম IT-11UMA: কেবল বেতনভোগী  করদাতার জন্য প্রযোজ্য
  • ফরম IT-11CHA: যে সকল ব্যক্তি করদাতার ব্যবসা বা পেশখাতে আয় রয়েছে এবং এরুপ আয়ের পরিমাণ ৩ লক্ষ টাকার বেশী নয় সে সকল করদাতার জন্য প্রযোজ্য।

এ ছাড়া  আয়কর বিভাগ কর্তৃ পরিচালিত স্পট এ্যাসেসমেন্টট এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নতুন করদাতাদের জন্য একটি ভিন্ন রিটার্ন ফরম (IT-11GAGA) রয়েছে, যা কেবল স্পট এ্যাসেসমেন্টেই ব্যবহারযোগ্য।

ব্যক্তি করদাতার আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণে জ্ঞাতব্যঃ

ব্যক্তি করদাতার জন্য ২০১৬-১৭ কর বছরে নতুন প্রবর্তিত রিটার্ন ফরম IT-11GA2016 এর মূল রিটার্নটি তিন পৃষ্ঠার । মূল রিটার্নের সাথে প্রাপ্তি স্বীকার পত্র এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বেতন, গৃহ সম্পত্তি আয়, ব্যবসায় বা পেশা খাতে আয় ও কর রেয়াতের জন্য পৃথক তফসিল সংযুক্ত করতে হবে। তিন পৃষ্ঠার মূল রিটার্ন পূরণ করা সকল বক্তি করাদাতাদের জন্য বাধ্যতামূলক। এতে প্রথম পৃষ্ঠায় করাদাতার বিষয়ে মৌলিক তথ্য,  দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় আয় ও করের হিসাব এবং তৃতীয় পৃষ্ঠায় সংলাগ, করদাতার প্রতিপাদন ও স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে।

করদাতার আয়ের উৎসের উপর নির্ভর করে মূল রিটার্নের সাথে তফসিল যোগ হবে। বেতন আয় থাকলে বেতন সংক্রান্ত তফসিল 24A, বাড়িভাড়া আয় থাকলে সে আয়ের তফসিল 24B এবং ব্যবসায় বা পেশাগত আয় থাকলে ব্যবসায় বা পেশাগত আয়ের তফসিল  24C মূল রিটার্নের সাথে যোগ হবে। যে করাদাতার এসব কোন খাতের আয় নেই তার কেবল তিন পৃষ্ঠার মূল রিটার্ন দাখিল করলেই চলবে, তফসিল দাখিল করার প্রয়োজন হবে না।

কেউ বিনিয়োগ রেয়াত দাবী করলে মূল রিটার্নের সাথে বিনিয়োগ রেয়াত সংক্রান্ত তফসিল 24D দাখিল করতে হবে। করদাতা রেয়াত দাবী না করলে তফসিল 24D দাখিল করার প্রয়োজন হবে না।

মূল রিটার্নের প্রথম পৃষ্ঠার ০১ হতে ২৩ পর্যন্ত ক্রমিকে করদাতার বিষয়ে মৌলিক তথ্য প্রদান করতে হবে। এ অংশে পর্যায়ক্রমে কর বছর, করদাতার নাম, লিঙ্গ, টিআইএন, সার্কেল, কর অঞ্চল, আবাসিক মর্যাদা, বিশেষ কর অব্যাহতি সুবিধাপ্রাপ্তির যোগ্যতা (গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবক ইত্যাদি), জন্ম তারিখ, আয়বছর ইত্যাদি সহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করতে হবে। ১২ ক্রমিকে আয়বছর শুরু ও সামাপ্তির তারিখ উল্লেখ করতে হবে।

রিটার্নের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় ২৪ হতে ৪৮ ক্রমিকে করদাতার আয় ও করের তথ্য উল্লেখ করতে হবে।

রিটার্নের তৃতীয় পৃষ্ঠায় সংলাগ, করদাতার প্রতিপাদন ও স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে।

কোন ব্যক্তি করদাতা প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য অতিরিক্ত করমুক্ত সীমার সুবিধা গ্রহণ করলে তার স্ত্রী/স্বামী অনুরূপ সুবিধা গ্রহণ করেছেন কিনা তার তথ্য ৫০ ক্রমিকে প্রদান করতে হবে।

ক্রমিক নং-৫১ তে ৮০(১) ধারা অনুযায়ী করদাতার জন্য পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণী (IT-10B2016) দাখিল বাধ্যতামূলক কিনা তার তথ্য প্রদান করতে হবে। যদি কোন ব্যক্তি করদাতা নিম্নোক্ত শর্তসমূহ পূরণ করেন তাহলে আয় বছরের শেষ তারিখে তার নিজের spouse এর (spouse করদাতা না হয়ে থাকলে) এবং নির্ভরশীল সন্তানদের পরিসম্পদ দায় ও ব্যয় বিবরণী ঐ ব্যক্তির আয়কর রিটার্নের সাথে দাখিল করতে হবে। শর্তসমূহ হলো-

(ক) আয় বছরের শেষ তারিখে মোট পরিসম্পদ (gross wealth) এর পরিমাণ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক হলে, অথবা

(খ) আয় বছরের শেষ তারিখে মোটর গাড়ি ( জীপ বা মাইক্রোবাসসহ) এর মালিকানা থাকলে; অথবা

(গ) আয় বছরে কোন সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কোন গৃহ-সম্পত্তি বা এপার্টমেন্টের মালিক হলে  অথবা গৃহ-সম্পত্তি বা এপার্টমেন্টে বিনিয়োগ করলে।

করদাতার রিটার্নের সাথে যে সকল তফসিল সংযুক্ত করা হয়েছে তার তথ্য ৫২ ক্রমিকে প্রদান করতে হবে।

করাদাতার রিটার্নের সাথে পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণী (IT-10B2016) এবং জীবনযাত্রা সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিবরণী (IT-10BB2016) সংযুক্ত করা হয়েছে কি না তার তথ্য ৫৩ ক্রমিকে প্রদান করতে হবে।

কোন ব্যক্তি করাদাতার ক্ষেত্রে পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণী দাখিল বাধ্যতামূলক না হলেও করাদাতা চাইলে স্বপ্রণোদিতভাবে (voluntarily) পরিসম্পদ , দায় ও ব্যয় বিবরণী দাখিল করতে পারবেন।

ক্রমিক নং ৫৪ তে রিটার্নের বিভিন্ন উৎসের আয় ও কর পরিশোধের স্বপক্ষে যে সকল প্রমাণাদি দাখিল করবেন তার তালিকা প্রদান করবেন।

ক্রমিক নং ৫৫ তে করদাতার পূর্ণ নাম উল্লেখ করবেন এবং রিটার্নে প্রদর্শিত আয়ের সত্যতা সম্পর্কে ৭৫ ধারা অনুযায়ী প্রতিপাদন ও স্বাক্ষর (তারিখ সহ) প্রদান করবেন।

(২) ব্যক্তি শ্রেণীর করাদাতাদের জন্য আগের রিটার্ন ফরম IT-11GA:

এ ফরম বাংলা ও ইংরেজী উভয় ভাষায় চালূ আছে (পরিশিষ্ট ১২)। সকল ব্যক্তি-করদাতা ২০১৬-১৭ কর বছরে প্রবর্তিত নতুন ফরমের পাশাপাশি আগের রিটার্ন ফরম (IT-11GA) ২০১৮-১৯ কর বছরে ব্যবহার করতে পারবেন। মূল রিটার্ন, পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরনী (IT-10B) জীবনযাত্রার মান সম্পর্কিত তথ্যের বিবরণী (IT-10BB), রিটার্ন ফরম পুরনের অনুসরণীয় নির্দেশাবলী এবং আয়কর রিটার্ন প্রাপ্তি স্বীকারপত্রসহ মোট আট পৃষ্ঠার ফরম ও বিবরনী একসংগে সংযুক্ত রয়েছে।

প্রথম পৃষ্ঠায় করদাতার পরিচিতিমূলক তথ্য, দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় করদাতার বিভিন্ন খাতের আয়ের বিবরণ, প্রদেয় ও  পরিশোধিত আয়করের বিবরণ ও প্রতিপাদন, তৃতীয় পৃষ্ঠায় বেতন ও গৃহ-সম্পত্তি আয়ের বিস্তারিত বিবরণ সম্বলিত পৃথক দুটি তফসিল, চতুর্থ পৃষ্ঠায় বিনিয়োগজনিত কর রেয়াতের একটি তফসিল ও দাখিলকৃত প্রমাণাদির তালিকা লিপিবদ্ধ করার ছক রয়েছে।

রিটার্নের পঞ্চম ও ষষ্ঠ পৃষ্ঠায় করদাতার পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবিরণী (IT-10B), সপ্তম পৃষ্ঠায় জীবনযাত্রার মান সম্পর্কিত তথ্যের বিবরণী (IT-10BB) এবং শেষ পৃষ্ঠায় রিটার্ন ফরম পূরণের অনুসরণীয় নির্দেশাবলী সংযুক্ত রয়েছে। আয়কর রিটার্ন প্রাপ্তি স্বীকারপত্রটি সপ্তম ও অষ্টম পৃষ্ঠার শেষাংশে সংযুক্ত আছে।

(৩) কেবল বেতনভোগী করদাতাগণ এবং যে সকল ব্যক্তি করদাতার ব্যবসা বা পেশাখাতে আয় রয়েছে ও এরুপ আয়ের পরিমাণঃ কেবল বেতনভোগী করদাতাগণ এবং যে সকল ব্যক্তি করদাতার ব্যবসা বা পেশাখাতে আয় রয়েছে ও এরুপ আয়ের পরিমাণ ৩ লক্ষ টাাকার বেশী নয় সে সকল করদাতা চাইলে ২০১৭-১৮ কর বছরে যথাক্রমে IT-11 UMA এবং IT-11 CHA বিশিষ্ট রিটার্ন ফরমও ব্যবহার করতে পারেন। ফরম দুটি  স্বব্যাখ্যাত।

উল্লেখ্য, এ দু’শ্রেণীর করদাতাগণ ২০১৬-১৭ কর বছরে নতুন প্রবর্তিত তিন পৃষ্ঠায় রিটার্ন ফরম IT-11GA2016 বা আগের আট পৃষ্ঠার ফরম ব্যবহার করতে পারবেন।

(৪) নতুন করদাতা হলে তার পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবি রিটার্নের সাথে দিতে হবেঃ নতুন করদাতা হলে তার পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবি রিটার্নের সাথে দিতে হবে এবং ছবিটি প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা অথবা ওয়ার্ড কমিশনার অথবা যে কোন টিআইএনধারী করদাতা কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে। প্রতি পাঁচ বছর পর পর একজন ব্যক্তি করদাতাকে তার সত্যায়িত ছবি রিটার্নের সাথে দিতে হবে।


১২ ডিজিট টি আইএনঃ

সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিলের জন্য করাদাতার ১২ ডিজিট টিআইএন থাকা বাধ্যতামূলক। কোন ব্যক্তি-করদাতা রিটার্ন দাখিলের পূর্বে নিজেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ইলেকট্রিক পদ্ধতিতে আবেদন করে ১২ ডিজিট  টিআইএন (ই-টিআইএন) সংগ্রহ করতে পারেন (ওয়েব সাইটের ঠিকানা www.incomrtax.gov.bd)। ই-টিআইএন সংগ্রহ সম্পর্কিত সেবার জন্য করদাতা প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট উপ কর কমিশনারের কার্যালয় বা কর তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে পারেন।

রিটার্নের সাথে যেসব প্রমাণাদি / তথ্য / দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

রিটার্নের সাথে বিভিন্ন উৎসের আয়ের স্বপক্ষে যে সকল প্রমাণাদি / বিবরণ দাখিল করতে হবে তার একটি তালিকা নীচে দেয়া হলো- ( তালিকাটি আংশিক)

বেতন খাতঃ

(ক) বেতন বিবরণী;

(খ) ব্যাংক হিসাব থাকলে কিংবা ব্যাংক সুদ খাতে আয় থাকলে ব্যাংক বিবরণী বা ব্যাংক সার্টিফিকেট;

(গ) বিনিয়োগ ভাতা দাবী থাকলে তার স্বপক্ষে প্রমাণাদি। যেমন, জীবন বীমার পলিসি থাকলে প্রিমিয়াম পরিশোধের প্রমাণ।

নিরাপত্তা জামানতের সুদ খাতঃ

(ক) বন্ড বা ডিবেঞ্চার যে বছরে কেনা হয় সে বন্ড বা ডিবেঞ্চারের ফটোকপি;

(খ) সুদ আয় থাকলে সুদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন পত্র;

(গ) প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নিয়ে বন্ড বা ডিবেঞ্চার কেনা হয়ে থাকলে ঋণের সুদের সমর্থনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সার্টিফিকেট/ব্যাংক বিবরণী বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রত্যয়নপত্র।

গৃহ-সম্পত্তি খাতঃ

(ক) বাড়ী ভাড়ার সমর্থনে ভাড়ার চুক্তিনামা বা ভাড়ার রশিদের কপি, মাসভিত্তিক বাড়ী ভাড়া প্রাপ্তির বিবরণ এবং প্রাপ্ত বাড়ী ভাড়া জমা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব বিবরণী;

(খ) পৌর কর, সিটি কর্পোরেশন কর, ভুমি রাজস্ব প্রদানের সমর্থনে রশিদের কপি;

(গ) ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে বাড়ী কেনা বা নির্মাণ করা হয়ে থাকলে ঋণের সুদের সমর্থনে ব্যাংক বিবরণী ও সার্টিফিকেট;

(ঘ) গৃহ-সম্পত্তি বীমাকৃত হলে বীমা প্রিমিয়ামের রশিদের কপি।

ব্যবসা বা পেশা খাতঃ

ব্যবসা বা পেশার আয়-ব্যয়ের বিবরণী (Income statement) ও স্থিতিপত্র (Balance Sheet)।

অংশীদারী ফার্মের আয়ঃ

ফার্মের আয়-ব্যয়ের বিবরণী (Income statement) ও স্থিতিপত্র (Balance Sheet)।

মূলধনী লাভঃ

(ক) স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় / হস্তান্তর হলে তার দালিলের কপি;

(খ) উৎসে আয়কর জমা হলে তার চালান / পে-অর্ডরের ফটোকপি;

(গ) পুজিঁবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার লেনদেন থেকে মুনাফা হলে এ সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

অন্যান্য উৎসের আয়ের খাতঃ

(ক) নগদ লভ্যাংশ খাতে আয় থাকলে ব্যাংক বিবরণী, ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্টের কপি বা সার্টিফিকেট;

(খ) সঞ্চয়পত্র হতে সুদ আয় থাকলে সঞ্চয়পত্র নগদায়নের সময় বা সুদ প্রাপ্তির সময় নেয়া সার্টিফিকেটের কপি;

(গ) ব্যাংক সুদ আয় থাকলে ব্যাংক বিবরণী / সার্টিফিকেট;

(ঘ) অন্য যে কোন আয়ের উৎসের জন্য প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র।

আয়কর পরিশোধের প্রমাণ (উৎসে কর কর্তনসহ) ঃ

(ক) কর পরিশোধের সমর্থনে চালানের কপি, পে-অর্ডার / ব্যাংক ড্রাফট / একাউন্ট-পেয়ী চেক; ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়কর ট্রেজারী চালানের মধ্যমে পরিশোধ করা যায়। এর ঊর্ধ্বে আয়কর পরিশোধের ক্ষেত্রে পে-অর্ডার / ব্যাংক ড্রাফট / একাউন্ড-পেয়ী চেক ব্যবহার করতে হবে।

(খ) যে কােন কাতের আয় হতে উৎসে আয়কর পরিশোধ করা হলে কর কর্তনকারী কর্তৃক্ষের প্রত্যয়নপত্র।



Check Also

পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণী এবং জীবনযাত্রা সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিবরণী, করবর্ষঃ ২০১৮-২০১৯