১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের ৯০ ধারার ৫ উপধারায় বলা হয়েছে, যে কোন আদিবাসী তার জমি কেবলমাত্র সম্পূর্ণ খাইখালাসি বন্ধক হিসাবে হস্তান্তর করতে পারবে। তবে যদি কোন আদিবাসী কৃষি ঋণ প্রাপ্তির জন্য কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন এর নিকট হতে অথবা কোনো সমবায় সমিতির নিকট হতে ঋণ গ্রহন করতে চান তাহলে উপরোক্ত শর্ত প্রযোয্য হবে না।
অত্র ধারার ৬ উপধারায় বলা হয়েছে, যে উক্ত খাইখালাসী বন্ধক এর মেয়াদ সর্বোচ্চ ৭ (সাত) বছর পর্যন্ত হবে এবং তা রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।
যদি কোন আদিবাসী অত্র ধারার কোনো বিধান লংঘন করে সে তার জমি হস্তান্তর করে তাহলে উক্ত হস্তান্তর বাতিল বলে গণ্য হবে।
অত্র ধারার ৮ উপধারার (এ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যদি কোনো আদিবাসী রায়ত এই ধারার কোন বিধান লঙ্ঘন করে তার কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির কোনো অংশ হস্তান্তর করেন তাহলে রাজস্ব অফিসার নিজ উদ্যোগে বা উক্ত বে-আইনী হস্তান্তর এর স্বপক্ষে তার বরাবরে পেশকৃত কোনো দরখাস্তের ভিত্তিতে লিখিত আদেশের মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করে উক্ত হস্তান্তর গ্রহিতাকে উচ্ছেদ করে দিবেন।
তবে অবশ্যই হস্তান্তর গ্রহীতাকে এইরূপ উচ্ছেদ এর জন্য কারন দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।
অত্র ধারার ৮ উপধারার (বি) অনুচ্ছেদে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, রাজস্ব কর্মকর্তা কোনো আদেশ দিলে অথবা কোন আদিবাসীর জমি ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন হলে রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত আদিবাসীকে অথবা তার আইনগত উত্তরাধিকারীকে কিংবা তার কোনো আইনগত প্রতিনিধির নিকট ফেরত দিবেন। যদি কোনো আদিবাসীর কোন আইনগত উত্তরাধিকারী কিংবা কোনো প্রতিনিধি না থাকেন সেক্ষেত্রে আদিবাসীর উক্ত জমি সরকারের নিয়ন্ত্রনে ন্যস্ত বলে গণ্য ঘোষণা করবেন এবং রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত জমিটি অন্য একজন আদিবাসীর নিকট বন্দোবস্ত দিবেন।
Legal Study A True Art of Learning
