সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
(১৮৭৭ সালের ১নং আইন)
দায়িত্ব অব্যাহতি (Disclaimer): এটি শুধুমাত্র শিক্ষামূলক ও প্রশিক্ষণমূলক উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে প্রদত্ত সকল তথ্য, দৃষ্টান্ত ও উপাত্ত বিজ্ঞ আইনজীবীদের পেশাগত পরামর্শের বিকল্প নয়। নির্দিষ্ট কোন আইনি বিষয়ের জন্য সঠিক পরামর্শ নিতে অভিজ্ঞ ও তালিকাভুক্ত আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ করার অনুরোধ রইল।
ধারার ইংরেজী ভার্সনঃ
Section 1. Short title, Local Extent, Commencement:
This Act may be called the Specific Relief Act, 1877. It extends to the whole of Bangladesh. And it shall come into force on the first day of May, 1877.
This Act may be called the Specific Relief Act, 1877. It extends to the whole of Bangladesh. And it shall come into force on the first day of May, 1877.
ধারার বাংলা ভার্সনঃ
ধারা ১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, স্থানীয় পরিধি, কার্যকারিতাঃ
এই আইনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ নামে অভিহিত হইবে। ইহা বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত। এবং ইহা ১৮৭৭ সালের ১লা মে তারিখ হইতে কার্যকর হইবে।
এই আইনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ নামে অভিহিত হইবে। ইহা বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত। এবং ইহা ১৮৭৭ সালের ১লা মে তারিখ হইতে কার্যকর হইবে।
বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা
এই ধারাটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর একটি মৌলিক পরিচিতি। এটি আইনের তিনটি প্রধান দিক তুলে ধরেঃ আইনের নাম, এর ভৌগোলিক পরিধি এবং এর কার্যকর হওয়ার তারিখ। যদিও এটি একটি সাধারণ সূচনা ধারা, এর প্রতিটি অংশে আইনি তাৎপর্য রয়েছে।ধারাটির মূল বিষয়বস্তুঃ
এই ধারাটি তিনটি মূল ভাগে বিভক্তঃ
সংক্ষিপ্ত শিরোনামঃ
আইনটির আনুষ্ঠানিক নাম হলো “The Specific Relief Act, 1877”। এটি একটি সংক্ষিপ্ত ও সুস্পষ্ট নাম যা আইনের বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে। এটি আইনের আনুষ্ঠানিক উল্লেখের জন্য ব্যবহৃত হয়।
স্থানীয় পরিধিঃ
আইনটি বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত। এর মানে হলো, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটি বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, এবং অঞ্চলে সমানভাবে প্রযোজ্য। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে এই আইনটি কোনো বিশেষ অঞ্চল বা প্রদেশের জন্য সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমগ্র দেশের জন্য প্রযোজ্য।
কার্যকারিতাঃ
আইনটি ১৮৭৭ সালের ১লা মে থেকে কার্যকর হয়েছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তারিখ কারণ এর আগে সংঘটিত কোনো ঘটনায় এই আইনটি প্রয়োগযোগ্য হবে না, যদি না আইনে ভিন্ন কোনো বিধান থাকে। এই তারিখটি আইনের প্রয়োগের শুরু এবং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নির্দেশ করে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটঃ
এই আইনটি ব্রিটিশ ভারতে প্রণীত হয়েছিল। সেই সময়, এটি সমগ্র ব্রিটিশ ভারতের জন্য প্রযোজ্য ছিল। পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, আইনটি কিছু প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সহ বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাই, যদিও এর মূল ভাষা ও তারিখ ব্রিটিশ আমলের, এর প্রয়োগ এখন বাংলাদেশের আইনি প্রেক্ষাপটে করা হয়।
সংক্ষেপে, ধারা ১ হলো অত্র আইনের একটি প্রারম্ভিক বিধান যা এর পরিচয়, প্রয়োগের ক্ষেত্র এবং সময়সীমা নির্ধারণ করে। এটি আইনের বাকি ধারাগুলো বোঝার জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করে। এই ধরনের প্রাথমিক ধারাগুলো বোঝা জরুরি কারণ এগুলো একটি আইনের কার্যকারিতা ও প্রয়োগের মৌলিক দিকগুলো নির্ধারণ করে।