Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Friday , September 20 2019

নারী অধিকার লংঘন ও প্রতিকার (প্রসঙ্গঃ এসিড নিক্ষেপ), পর্ব-৮

মামলা দায়ের পদ্ধতিঃ থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার নিকট এজাহার দায়েরের মাধ্যমে মামলার উদ্ভব হয়। এজাহার দায়ের করা হলে পুলিশ দ্রুত তা তদন্তের উদ্যোগ নিবেন।এজাহার সত্য না মিথ্যা তা যেহেতু কেবল তদন্তের পরই জানা যায় তাই পুলিশের কর্তব্য হলো এজাহার পাবার সংগে সংগে দ্রুত এসিড অপরাধ দমন  আইনের ১১ ধারার বিধান অনুসারে বিষয়টি তদন্ত করা।

অপরাধের তদন্তঃ ফৌজদারী কার্যবিধিতে যা কিছু থাকুক না কেন এসিড অপরাধ দমন ২০০২ এর অধীনে সংঘঠিত কোন অপরাধের তদন্ত এই আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী করতে হবে। ১১ ধারায় তদন্তের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যেমনঃ

  • এজাহার দায়েরের অথবা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আদেশ প্রদানের তারিখ হতে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
  • এই সময়ের মধ্যে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করা না হলে তদন্ত ট্রাইব্যুনাল আরো ১৫ দিন সময় দিতে পারেন।
  • এই সময়ের মধ্যে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করা গেলে তদন্ত ট্রাইব্যুনাল (যদি প্রয়োজন মনে করেন) ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্ত কাজ আরো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত ১৫ দিন সময় বাড়াতে পারেন।

তাহলে দেখা যাচ্ছে, সর্বমোট ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করা যাবে তবে পরবর্তী ৩০ দিনের জন্য ট্রাইব্যুনালের অনুমতি লাগবে।

(দেখুনঃ এসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২ এর ১১ ধারা)

অপরাধ বিচারের জন্য আদালতে গ্রহণঃ

  • বাংলাদেশে অনেক আদালত আছে তার মধ্যে সকল আদালত বিচারার্থে মামলা গ্রহণ করতে পারে না। এক্ষেত্রে এসিড অপরাধ দমন – ২০০২ আইনের আওতায় দন্ডনীয় সকল অপরাধের বিচার প্রার্থনা ট্রাইব্যুনালে করতে হয়। ট্রাইব্যুনাল উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের রিপোর্ট ছাড়া সরাসরি কোন মামলা বিচারের জন্য গ্রহণ করবে না। রিপোর্ট প্রদানের দায়িত্ব পুলিশের এস আই অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি।
  • কোনো অভিযোগকারী কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট অভিযোগ প্রদানে ব্যর্থ হলে সে ব্যক্তি অভিযোগ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করে ব্যর্থ হয়েছেন বিষয়টি ট্রাইব্যুনালকে বললে ট্রাইব্যুনাল রিপোর্ট ব্যতিরেকে কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে সরাসরি অপরাধটি বিচারের জন্য গ্রহণ করতে পারেন।

 (দেখুনঃ এসিড অপরাধ দমন আইন – ২০০২ এর ২৪ ধারা)

Check Also

ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১(ক) ধারা মোতাবেক মামলার দায় হতে অব্যাহতির আবেদন।

বিঃদ্রঃ নিম্নে ড্রাফটিং এর কাল্পনিক তথ্য পর্যাক্রমিকভাবে উপস্থাপন করা হল এবং এই তথ্যগুলো কিভাবে সাজিয়ে …