Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Legal Study
Wednesday , January 23 2019

বর্গা চাষ, পর্ব-০৩

বর্গাচাষ সংক্রান্ত বিস্তারিতঃ

বর্গাদারঃ ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ২(ক) ধারায় বর্গাদার বলতে যে ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির জমি আধি বা বর্গা বা ভাগ বলে সাধারণভাবে পরিচিত পদ্ধতিতে এই শর্তে জমি চাষ করেন যে ঐ জমির উত্‌পন্ন ফসলের একটি অংশ জমির মালিককে দিবেন সেই জমি চাষকারী ব্যক্তিকে বর্গাদার বলে।

মালিকঃ ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ২(চ) ধারায় মালিক বলতে কৃষি জমির অধিকারী কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষকে বুঝায়।

মনিবঃ ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ২(ছ) ধারায় মনির বলতে কোন বর্গাজমি চাষের উদ্দেশ্যে যার নিকট হতে বর্গাদার চুক্তির মাধ্যমে লাভ করে তাকেই বুঝায়।

বর্গাচুক্তি সম্পাদন প্রক্রিয়াঃ

  • ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ৮(১) ধারায় বলা হয়েছে জমির মালিক ও বর্গাচাষী জমি হতে উৎপন্ন ফসল ভাগ করে নেয়ার শর্তে একটি লিখিত চুক্তি পত্রে আবদ্ধ হবেন।
  • উক্ত বর্গা চুক্তি ঐ বর্গা চুক্তিতে যে তারিখ হতে কার্যকর হওয়ার কথা নির্দিষ্ট করা থাকবে, সেই তারিখ হতে আরম্ভ হয়ে ৫ বছর মেয়াদের জন্য বৈধ থাকবে। {১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ৮(২) ধারা}
  • উক্ত বর্গা চুক্তি পত্রটি ১৫০ টাকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের উপর মনিব, বর্গাকার ও নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ (সরকার কর্তৃক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে যাকে নিযুক্ত করা হবে) প্রত্যেকের জন্য একটি করে তিন প্রস্থে সম্পাদিত হবে ৷
  • বর্গাচাষী ও মালিক যখন বর্গাচাষের ব্যাপারে একমত হবেন সেই একমত হওয়ার দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে একটি বর্গাচুক্তি সম্পাদন করতে হবে । {১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ৯(১) ধারা}
  • যদি পক্ষগণ একমত হওয়ার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে বর্গাচুক্তি সম্পাদন করতে ব্যর্থ হন তাহলে তাদের মধ্যে যে কোনো একজন চুক্তি সম্পাদন করার জন্য নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন পেশ করতে পারবেন। {১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ৯(৩) ধারা}
  • যদি কোনো পক্ষ চুক্তি সম্পাদন করার জন্য নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেন তাহলে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ উক্ত আবেদনের ভিত্তিতে যদি বর্গাচুক্তির সম্পাদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তাহলে অপর পক্ষকে নির্দেশ গ্রহণের তারিখ হতে ২ সপ্তাহের মধ্যে চুক্তি সম্পাদন করবার নির্দেশ প্রদান করবেন৷ যদি অপর পক্ষ নির্দেশ পাবার পরও চুক্তি সম্পাদন করতে ব্যর্থ হন সেক্ষেত্রে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ উক্ত অপর পক্ষের হয়ে চুক্তিটি সম্পাদন করবেন। {১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ৯(৫) ধারা}
  • নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষের হয়ে বর্গাচুক্তি সম্পাদন করে থাকলেও উক্ত বর্গাচুক্তিটি চুক্তির তারিখ হতে ৫ বছরের জন্য মেয়াদ বৈধ থাকবে। {১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ৯(৬) ধারা}

<<< পর্ব-০২ পর্ব-০৪ >>>

Check Also

বর্গা চাষ, পর্ব-০৮

নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হলে প্রতিকারঃ ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের কোনো বিধানের অধীনে যদি …