Wednesday , November 13 2019

ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪০৮ ধারার বিধান মোতাবেক একটি লিগ্যাল ড্রাফটিং

ড্রাফটিং এর বিষয়ঃ ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪০৮ ধারার বিধান মোতাবেক একটি লিগ্যাল ড্রাফটিং সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

ড্রাফটিং সাবধানবণী

সাবধানবাণীঃ সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, নিম্নলিখিত ড্রাফটিং-টি একটি শিক্ষামূলক ড্রাফটিং। এই ড্রাফটিং-এ প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত সম্পূর্ণ কাল্পনিক। এটি কখনোই বিজ্ঞ আইনজীবীদের পরামর্শের বিকল্প নয়।

মোকাম, বিজ্ঞ মহানগর দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।
সূত্রঃ ফৌজদারী আপিল নং —————/২০১৮
উদ্ভবঃ বিমান বন্দর থানার মামলা নং ৮০(৮)১৮
ধারাঃ ১৯৭৩ সনের বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশ এর ১১(১)(ডি) ধারা।




যে প্রসঙ্গেঃ
ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪০৮ ধারার বিধান মোতাবেক অত্র আপিল দায়ের।

যে প্রসঙ্গেঃ
মোঃ মোকাদ্দেস আলী (৪২)
পিতা- মোঃ মাজেদ আলী
সাং- সালনা, থানা- বিশ্বনাথ, জেলা- সিলেট।

———– আপিলকারী/আসামী।

বনাম

রাষ্ট্র, পক্ষে
পাবলিক প্রসিকিউটর,
মহানগর দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।

———– প্রতিপক্ষ/রেসপনডেন্ট।

যে প্রসঙ্গেঃ
বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত নং-২০, ঢাকা এর বিচারক জনাব মোঃ মজিবুর রহমান কর্তৃক বিগত ১৩/০৮/২০১৮ খ্রি. তারিখে সূত্রে বর্ণিত বিমান বন্দর থানার মামলা নং- ৮০(৮)১৮, ধারা-১৯৭৩ সনের বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশ এর ১১(১)(ডি) ধারার মামলায় আপিলকারী আসামীকে দোষী সাব্যস্থ করে ৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে তর্কিত রায় ও আদেশ প্রদান করেছেন। উক্ত রায় ও আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে বিজ্ঞ আদালতে অত্র আপিল দায়ের করতেছেন।

আপিলকারী/আসামী পক্ষে বিনীত নিবেদন এই যে,

১। আপিলকারী সহজ, সরল, শান্তিপ্রিয়, আইনমান্যকারী ও বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা ও নাগরিক বটে। মামলায় বর্ণিত আপিলকারীর নাম ঠিকানা সঠিক আছে।

২। সূত্রে উল্লেখিত মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ এই যে, এস.আই আঃ কুদ্দুস আলী ইমিগ্রেশন শাখা জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ঢাকায় অভিযোগ করেন যে, বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স STA(368965) মোঃ শুকুর আলী Passenger offload Handover প্রতিবেদন বাংলাদেশী ১টি পাসপোর্ট, বিমান টিকেট ইত্যাদি সহ আসামী মোঃ মোকাদ্দেস আলী কে গত ২৫-০৭-২০১৫ খ্রি. তারিখ ১.৪০ মিনিটের সময় ঢাকা জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ইমিগ্রেশন শাখার ডিউটি অফিসারের কক্ষে হাজির করে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমিগ্রেশন সাহেবকে জানান যে, উক্ত যাত্রী দাম্মাম যাওয়ার উদ্দেশ্যে BG-0568 বিমানের বোর্ডি পাস দিয়ে ইমিগ্রেশন কার্য্য শেষে বিমানে উঠার জন্য ২৫-০৭-২০১৫ খ্রি. তারিখ বিমানের বোর্ডিং গেইটে গেলে বিমানের INS অফিসার নিরাপত্তা তল্লাশীকালে তার পাসপোর্ট পরীক্ষা করে Photo Sub এর জন্য তাকে offload করেন। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাহেব আসামী মোঃ মোকাদ্দেস আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ ও পাসপোর্ট পরীক্ষা করে তার যাত্রা স্থগিত করতঃ আটক করার নির্দেশ দেওয়ায় ইমিগ্রেশন শাখার ডিউটি অফিসার এস.আই মোঃ মনিরুল ইসলাম বিমান কর্তৃপক্ষের নিকট হতে ১নং আসামীকে বুঝে নিয়ে ইমিগ্রেশন শাখার জিডি নং-১২১৮ তাং-২৫-০৭-২০১৫ খ্রি. মোতাবেক আটক করেন। তিনি সার্ভিল্যান্স অফিসার হিসাবে বিমানের STA(368965) মোঃ শুকুর আলী এর উপস্থাপন করা মতে জব্দ তালিকায় বর্নিত স্বাক্ষীদের মোকাবেলায় ১টি পাসপোর্ট বিমান টিকেট অফলোডেড হ্যান্ডওভার প্রতিবেদন জব্দ করেন এবং স্বাক্ষীদের দস্তখত নেন। আসামীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। আসামী মোঃ মোকাদ্দেস আলী স্বীকার করে যে, তার নিকট হতে জব্দকৃত বাংলাদেশী পাসপোর্টটি এবং পাসপোর্টে বর্নিত নাম ঠিকানা তার নিজের নয় তবে পাসপোর্টটির পৃষ্ঠার ছবিটি তার নিজের এবং সে তার প্রকৃত নাম ঠিকানা প্রকাশ করে। আপিলকারী আরো জানায় যে, ২নং আসামী বদর আলী অনুমান ২ মাস পূর্বে আপিলকারীর বাড়ীতে আসে তাকে দাম্মাম নেওয়ার ব্যাপারে কথাবার্তা বলে নগদ ১,৬০,০০০/- (এক লক্ষ ষাট হাজার টাকা) এবং ২ (দুই) কপি ছবি নেয়। পরবর্তীতে, গত ২৪-০৭-২০১৫ খ্রি. তারিখ রাত্রি ০৯.০০ টার সময় ২নং আসামী ঢাকা জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের সামনে ১নং আসামীকে ২নং আসামীর নামীয় পাসপোর্টের ৩নং পৃষ্ঠার ছবি পরিবর্তন করে আপিলকারীর ছবি প্রতিস্থাপনপূর্বক BG-0568 বিমানের টিকেট সহ আনুষঙ্গিক ভ্রমন দলিলাদি বুঝিয়ে দেয়। সোপর্দকৃত আপিলকারীকে নিয়ে ২৪-০৭-২০১৫ খ্রি. তারিখ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ পূর্বক জ্ঞাতসারে জাল পাসপোর্ট উপস্থাপনপূর্বক ২নং আসামীর পরামর্শমতে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর বিমানের নিরাপত্তা তল্লাশীকালে INS কর্তৃক আটক হয়। আপিলকারী জ্ঞাতসারে অন্যের নামে ইস্যুকৃত পাসপোর্ট নিজ হেফাজতে রেখে নিজের নাম ও ঠিকানা গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে পাসপোর্টে বর্নিত নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করে ২নং আসামী আর্থিক লাভবান হয়ে জাল পাসপোর্ট তৈরী করে দিয়ে এবং ৩নং আসামী জ্ঞাতসারে নিজের নামে ইস্যুকৃত পাসপোর্ট অন্যকে ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর করায় অত্র মামলার উদ্ভব ঘটেছে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার লিখিত নির্দেশে এস.আই মোঃ জাবেদুর রহমান মামলার তদন্ত ভার গ্রহণ করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনাস্থলের খসড়া মানচিত্র ও সুচীপত্র তৈরী করেন, স্বাক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। তদন্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণে প্রাথমিকভাবে আসামী মোঃ মোকাদ্দেস আলী, সবুর হুসেন এর বিরুদ্ধে মামলার ১৯৭৩ সনের পাসপোর্ট আদেশের ১১(১) এর (বি)(ডি)(ই) ধারার অভিযোগ সত্য মর্মে প্রমানিত হওয়ায় এবং আসামী বদর আলী এর নাম ঠিকানা সঠিক না পাওয়ায় অত্র মামলার দায় হতে অব্যাহতির প্রার্থনা করে বিমান বন্দর থানার অভিযোগপত্র নং-৮৯৫(১) তাং ৩০-০৮-২০১৫ খ্রি. দাখিল করেন। আদালত আসামী মোঃ মোকাদ্দেস আলীর বিরুদ্ধে ১৯৭৩ সনের পাসপোর্ট আদেশের ১১(১)(ডি) ধারার অভিযোগ গঠন করেন। অপর আসামী সবুর হুসেন ২৫-০১-২০১৬ খ্রি. তারিখে আদালতে দোষ স্বীকার করলে আদালত তাকে ১৫০০/- টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১০ (দশ) দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। অত্র মামলায় আপিলকারী আসামী বিগত ২৭/০৭/২০১৫ খ্রি. তারিখে জামিনপ্রাপ্ত হয় এবং দালাল বলে দেয় মামলা শেষ হয়ে গেছে। সেই সরল বিশ্বাসে আসামীর অনুপস্থিতিতে মামলার বিচার চলাকালে রাষ্ট্র পক্ষ এজাহারকারী সহ ০৩ জন সাক্ষীকে সাক্ষী হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করেন। কিন্তু, আপিলকারী উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে নাই। বিজ্ঞ আদালত অপর কোন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ ব্যতীত স্বাক্ষী সমাপ্ত শেষে ফৌঃ কাঃ বিঃ ৩৪২ ধারায় আসামীর অনুপস্থিতির কারণে পরীক্ষা করতে না পেরে এবং কোন ধরনের যুক্তিতর্ক না শুনে নথি পর্যালোচনা না করে আপিলকারীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আপিলকারী আসামীকে ৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ প্রদান করলে উক্ত তর্কিত রায় ও আদেশে আপিলকারী আসামী সংক্ষুদ্ধ হয়ে অত্র আপিল দায়ের করলেন।

৩। আপিলকারী/আসামী উক্ত তর্কিত রায় ও আদেশে সংক্ষুব্ধ হয়ে উক্ত আদেশ রদ ও রহিত করার জন্য দন্ডপ্রাপ্ত আসামী ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪০৭ ধারা মতে নিম্নলিখিত হেতুবাদে অত্র আপিল দায়ের করলেন।


হেতুবাদ (Grounds)

(ক) যেহেতু, বিজ্ঞ নিম্ন বিচারিক আদালত মামলার গুনাগুন, সাক্ষী, এজাহার, জব্দ তালিকা, চার্জশীট যথাযথভাবে পর্যালোচনা না করে যে মনগড়া তর্কিত রায় ও আদেশ প্রদান করেছেন, আইনগতভাবে ও ঘটনাগতভাবে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন। তাই তর্কিত আদেশটি রদ ও রহিতযোগ্য।

(খ) যেহেতু, অত্র মামলার ৩নং আসামী দালাল বদর আলীকে অত্র মামলার দায় হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং ২নং আসামী সবুর হুসেন দোষ স্বীকার করায় ১,৫০০/- (এক হাজার পাঁচ শত টাকা) জরিমানা প্রদান করে খালাস পায়। সেহেতু, আপিলকারী আসামী মামলা সম্পর্কে বুঝতে পারলে জরিমানা দিয়ে অত্র মামলা হতে খালাস পাওয়ার হকদার ছিল বিধায় আপিলকারী আসামীকে সহ আসামীর সমপরিমান জরিমানা পরিশোধের শর্তে আপিল মঞ্জুর করতঃ নিম্ন আদালতের তর্কিত রায় ও আদেশ রদ ও রহিতযোগ্য।

(গ) যেহেতু, আপিলকারী আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয় নাই, বিধায় দন্ডাদেশ রদ ও রহিতযোগ্য।

(ঘ) যেহেতু, আপিলকারী আসামী বেকার থাকায় বিদেশে চাকুরী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার সৎ উদ্দেশ্যে জমি বিক্রি করে দালালকে ১,৬০,০০০/- (এক লক্ষ ষাট হাজার টাকা) মাত্র প্রদান করে দাম্মাম যাওয়ার জন্য নিজেই দালাল দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন। অত্র মামলায় দালালগণ খালাস পেয়েছেন অথচ যাত্রী কোন কিছু না বুঝে বিজ্ঞ আদালতের গোচরে কোন কিছু উপস্থাপন করার সুযোগ না পাওয়ায় বিজ্ঞ আদালত যে তর্কিত রায় ও আদেশ প্রদান করেছেন উক্ত রায় ও দন্ডাদেশ রদ ও রহিতযোগ্য।

(ঙ) আপিলকারী/আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ দেওয়া হয় নাই বা আপিলকারী নিজে অথবা তার নিয়োজিত আইনজীবী সাক্ষীকে জেরা করতে পারে নাই বিধায় মামলাটি সন্দেহজনক। যার Benefit of the doubt আপিলকারী/আসামী পাবে।

(চ) মূল মামলার অভিযোগ, স্বাক্ষী এবং রায় ও আদেশ পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, আপিলকারীর বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও ভিত্তিহীন। কোন নিরপেক্ষ স্বাক্ষী আপিলকারী/আসামীর বিরূদ্ধে কোন স্বাক্ষী প্রদান করে নাই বিধায় বিজ্ঞ নিম্ন আদালতের রায় ও আদেশ বাতিলযোগ্য বটে।

(ছ) যেহেতু, আপিলকারী বিদেশে যাওয়ার জন্য জমি বিক্রি করে, ধার, কর্জ করে টাকা সংগ্রহ করে বিদেশে যেতে না পারায় আপিলকারী মানসিক ও শারিরীকভাবে ভীষন অসুস্থ হয়ে পড়ে। সে কারনে বিজ্ঞ আদালতে হাজির হতে পারে নাই। তার অনুপস্থিতিতেই বিচার করেছেন। তারপর, অত্র মামলায় জামিন পাওয়ার পর অশিক্ষিত, সহজ, সরল আপিলকারী দালালের কথায় বিশ্বাস করে অত্র মামলায় হাজিরা প্রদান করেন নাই, এমনকি দোষ স্বীকার করার সুযোগও পায় নাই। বিধায় বিজ্ঞ আপিল আদালত অত্র আপিল মঞ্জুর করে মানবিক কারনে নিম্ন আদালতের তর্কিত রায় ও আদেশ বাতিল করবেন।

(জ) যেহেতু, আরো কতিপয় বক্তব্য আদালতে শুনানীকালে মৌখিকভাবে বিজ্ঞ আইনজীবী নিবেদন করবেন।




অতএব, বিনীত প্রার্থনা, মাননীয় আপিল আদালত দয়া প্রকাশে ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে উপরোক্ত হেতুবাদসমুহ বিবেচনা করে অত্র ফৌজদারী আপিল এ্যাডমিট করতঃ রেসপনডেন্ট পক্ষকে জ্ঞাত করতঃ নিম্ন বিচারিক বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত নং-২০, ঢাকা এর বিমান বন্দর থানার মামলা ন-৮০(৮)১৫ মামলার নথি তলব করতঃ আপিল শুনানীর জন্য দিন ধার্য্য করে উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে উক্ত নিম্ন বিচারিক আদালতের বিগত ১৩/০৮/২০১৮ইং তারিখের রায় ও আদেশ বাতিল পূর্বক আপিলকারী আসামীকে খালাস দেওয়ার আদেশ দিয়ে সুবিচার করতে মর্জি হয়।

এবং

অত্র ফৌজদারী আপিল শুনানী না হওয়া পর্যন্ত আপিলকারী আসামীর জামিন স্থায়ীকরনের আদেশ দিয়ে সুবিচার করতে মর্জি হয়।

সার্টিফিকেট

আমি আপিলকারী/আসামীর পক্ষে নিয়োজিত আইনজীবী হিসেবে অত্র আপিল মামলাটি প্রস্তত করেছি এবং অত্র আপিল মামলাটি আমি নিজেই শুনানী করব।

————
আইনজীবী

BBC Exam Ad

bar council exam

Check Also

দন্ডবিধির ৪০৬, ৪১৭ এবং ৫০৬ ধারা মোতাবেক একটি লিগ্যাল ড্রাফটিং

ড্রাফটিং এর বিষয়ঃ দন্ডবিধির ৪০৬, ৪১৭ এবং ৫০৬ ধারা মোতাবেক একটি লিগ্যাল ড্রাফটিং সাবলীলভাবে উপস্থাপন …