Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Monday , August 19 2019

নারী অধিকার (ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত), পর্ব-০২

যদি কোন শ্রমিক কাজের কারণে আহত হয় তবে তাকে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তার ক্ষতিপূরণের দাবী জানাতে হবে। এজন্য কত দিনের মধ্যে কার কাছে এবং কিভাবে আবেদন করতে হবে সে ব্যাপারে ১৯২৩ সালের ক্ষতিপূরণ আইনের ধারা-১০ এ বলা হয়েছে। দুর্ঘটনা ঘটার পর যত শীঘ্র সম্ভব নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ক্ষতিপূরণের আবেদন করতে হবে। দূর্ঘটনা ঘটার এক বছরের মধ্যে দাবীপত্র পেশ না করলে কমিশন দাবী বিবেচনায় আনবেন না। তবে, যদি কোন কারণে দাবী পেশ করতে দেরী হয় সেক্ষেত্রে আবেদনকারী যদি উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারে তবে দাবী গৃহীত হতে পারে। কোন দূর্ঘটনার কারণে যদি শ্রমিকের মৃত্যু হয় তবে মৃত্যুর তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে দাবী জানাতে হবে। এজন্য নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে।

প্রতিকারের জন্য যেখানে যেতে হবেঃ শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে যদি কোন বিরোধ দেখা দেয় তবে তা কিভাবে বা কি পদ্ধতিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে সে ব্যাপারে ১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার ধারা ১৯ থেকে ৪৩ তে বলা আছে। বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে যে সব বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে অনুসরন করা হবে সেগুলো হলঃ

১৷ আবেদনপত্র দাখিলঃ যদি ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ থাকে তবে তা কমিশনারের কাছে জানাতে হবে। কমিশনারের কাছে নির্দিষ্ট ফরমে ২ কপি আবেদন করতে হবে এবং ফরমে আবেদনকারীকে স্বাক্ষর করতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে একটি প্রত্যায়নপত্র দিতে হবে এই কারণে যে,  আবেদনপত্রে যে বিষয়গুলো বলা হয়েছে তা সঠিক। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-২০]

২৷ ভুল জায়গায় দরখাস্ত দাখিল করলেঃ অনেক সময় এমন হতে পারে যে ভুল করে আবেদনপত্র যে কমিশনারের কাছে দেয়া উচিত ছিল তা তার কাছে না দিয়ে অন্য কারও কাছে দেয়া হয়েছে৷ সেক্ষেত্রে, কমিশনার ভুলটি বুঝতে পারার পর, আবেদনপত্রটি কোন কমিশনারের কাছে দিতে হবে, কেন ফেরত দিচ্ছেন তার কারণ দিয়ে তারিখসহ সেটি আবেদনকারীকে ফেরত দিবেন। আর যদি কমিশনার উপলব্ধি করেন যে, দরখাস্তটি অন্য কোন কমিশনারের কাছে পেশ করা উচিত ছিল তবে তিনি সেটি যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিশনারের কাছে প্রেরণ করবেন এবং বিষয়টি আবেদনকারীকে জানাবেন। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার  বিধি-২২]

৩৷ দলিল পত্র হাজির করাঃ যে কারণে আবেদনকারী কমিশনারের কাছে আবেদন করেছে তার সমর্থনে তার দাবী প্রমানের জন্য যাবতীয় কাগজপত্র আবেদনপত্রের সাথে দাখিল করতে হবে। এর পরেও যদি কোন কাগজপত্র দাখিল করতে হয় তবে তা প্রথম শুনানীর সময় বা তার আগেও দাখিল করা যাবে। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-২১]

৪৷ সাক্ষ্য গ্রহণঃ আবেদনকারী যখন তার দাবী নিয়ে কমিশনারের কাছে আবেদন করেন তখন কমিশনার তাকে শপথ করিয়ে তার এবং তার পক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারেন অথবা দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কোন ব্যক্তিকে দিয়ে জবানবন্দী গ্রহন করাতে পারেন এবং জবানবন্দী গ্রহণ শেষে রেকর্ডপত্র তার কাছে পাঠাতে বলতে পারেন। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-২৩]

৫৷ আবেদনপত্র খারিজঃ কমিশনার আবেদনপত্র গ্রহণ করে আবেদনকারীর জবানবন্দী গ্রহণ করার পর যদি মনে করেন আবেদনকারী যে বিষয় নিয়ে আবেদন করেছে তা নিয়ে আর বিচার বিবেচনা করার যথেষ্ট কোন কারণ নেই তবে তিনি আবেদনটি খারিজ করে দিতে পারেন। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-২৪]

৬৷ আবেদন সম্পর্কে প্রাথমিক তদন্তঃ যদি কমিশনার আবেদনকারীর আবেদন খারিজ না করেন বা খারিজ করার যদি কোন কারণ না থাকে তবে তিনি আবেদনকারীকে তার দাবীর পক্ষে সাক্ষ্য প্রমাণ হাজির করার নির্দেশ দিবেন। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-২৫]

<<< ১ম পর্ব দেখতে এখানে ক্লিক করুন ৩য় পর্ব দেখতে এখানে ক্লিক করুন >>>

Check Also

ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১(ক) ধারা মোতাবেক মামলার দায় হতে অব্যাহতির আবেদন।

বিঃদ্রঃ নিম্নে ড্রাফটিং এর কাল্পনিক তথ্য পর্যাক্রমিকভাবে উপস্থাপন করা হল এবং এই তথ্যগুলো কিভাবে সাজিয়ে …