Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Friday , September 20 2019

নারী অধিকার (ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত), পর্ব-০৩ (শেষ পর্ব)

৭৷ প্রতিপক্ষকে নোটিশ প্রদানঃ যদি কমিশনার আবেদনকারীর আবেদন খারিজ না করেন তবে তিনি দরখাস্তের একটি কপি এবং শুনানীর তারিখ কবে হবে তা উল্লেখ করে প্রতিপক্ষের কাছে একটি নোটিশ পাঠাবেন। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-২৬]

৮৷ প্রতিপক্ষের হাজিরা ও জবানবন্দীঃ নোটিশ পাবার পর প্রতিপক্ষ নোটিশের জবাবে তার জবাব লিখিত আকারে দিতে পারে আর যদি তিনি দাবীর বিরোধীতা করতে চান এবং কোন সে কারণে কোন লিখিত জবাব দাখিল না করেন তবে কমিশনার প্রতিপক্ষের জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করে রাখতে পারেন। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-২৭]

৯৷ মামলার বিচার্য বিষয়ঃ লিখিত জবাব পাওয়ার পর কমিশনার উভয়পক্ষকে জিজ্ঞাসা করে বিবেচনা করার পর ঠিক করবেন কোন কোন ঘটনা বা কোন আইনগত প্রশ্নে তাদের মধ্যে বিরোধ৷ অতপর কমিশনার ঘটনাগত বিষয় এবং আইনগত বিষয় আলাদা করে রেকর্ড করবেন । কোন মামলায় যদি একইসাথে আইনগত বিষয় ঘটনাগত বিষয় দেখা দেয় এবং কমিশনার যদি মনে করেন  আইনগত বিষয় নিষ্পত্তি করা সম্ভব তবে তিনি প্রথমে আইনগত বিষয় নিষ্পত্তি করবেন। আইনগত বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি ঘটনাগত বিষয়টি স্থগিত রাখতে পারেন৷ আর যদি কোন কারণে মনে করেন শুনানীতে কোন আবেদন নিষ্পত্তি করা অসম্ভব তবে তিনি তা মুলতবি করে রাখতে পারেন। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-২৮, ২৯, ৩১]

১০৷ সাক্ষীদের সমনঃ বিরোধের যেকোন একপক্ষ যদি কাউকে সাক্ষী মেনে কমিশনারের কাছে কোন আবেদন করে তবে কমিশনার নির্ধারিত খরচ এবং ফি প্রদান সাপেক্ষে মামলার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে যদি প্রয়োজনীয় মনে করেন তবে ঐ সাক্ষীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারী করতে পারেন। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-৩৩]

১১৷ খরচ থেকে রেহাইঃ কারও যদি খরচ করার সামর্থ্য না থাকে সেক্ষেত্রে কি হবে? এ ক্ষেত্রে এই বিধিমালায় বলা হয়েছে যে কমিশনারের কাছে যদি মনে হয় দারিদ্রতার কারনে মামলার খরচ বহন করতে পারবেনা বা নির্ধারিত ফি দিতে পারবেনা, তবে তাকে সব ধরনের ফি প্রদান করা থেকে রেহাই দিতে পারবেন। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-৩৪]

১২৷ মামলার পদ্ধতিঃ যদি কখনও এমন  যে, একটি ঘটনা থেকে একের অধিক মামলা হয়েছে এবং সেক্ষেত্রে দুটি মামলার বিষয়বস্তু এক, বিচার্য বিষয় এক তবে শুনানীর ক্ষেত্রে কমিশনার চেষ্টা করবেন যত টুকো সম্ভব একসাথে শুনানী করা৷ মামলা পরিচালনা করার ক্ষেত্রে ১ঌ০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করবেন। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি -৪০, ৪১]

১৩৷ রায়ঃ কমিশনার আবেদনকারীর কাছ থেকে আবেদন পাওয়ার পর তদন্ত শেষ করে, জবানবন্দী গ্রহণ করে, সাক্ষ্য গ্রহণ করে একেবারে মামলার শেষ পর্যায়ে এসে রায় প্রদান করেন। রায় প্রদান করার সময় কমিশনার যে বিষয়ের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন তার কারণ রায়ে উল্লেখ করবেন অর্থাত্‍ কি কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন তার কারণ রায়ে লিখতে হবে। রায়ে অবশ্যই কমিশনার তারিখসহ স্বাক্ষর করবেন৷ রায় প্রদান করার পর রায়ের কোন অংশ পরিবর্তন করা যাবে না তবে শুধু মাত্র করনিক বা গানিতিক ভুল সংশোধন করা যাবে এছাড়া আর অন্য কোন কিছু সংশোধন করা যাবে না। [১৯২৪ সালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালার বিধি-৩২]

উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তঃ কাজে যাওযার পথে দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে শ্রমিকরা ক্ষতিপূরণ পাবে কি না এ ব্যাপারে  ভরন্দারজুলা নাইডু বনাম মাসাইয়া রয়ান এ আই আর ১৯৫৪ মাদ্রাজ ১১১৩  মামলায় সিদ্ধান্ত দেয় যে শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে আনা নেয়ার ক্ষেত্রে গাড়ীতে যদি দূর্ঘটনা ঘটে তবে ধরে নেয়া হবে যে দূর্ঘটনাটি কাজের কারণে ঘটেছে। অর্থাত্‍ শ্রমিককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

<<< ২য় পর্ব দেখতে এখানে ক্লিক করুন ১ম পর্ব দেখতে এখানে ক্লিক করুন >>>

Check Also

ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১(ক) ধারা মোতাবেক মামলার দায় হতে অব্যাহতির আবেদন।

বিঃদ্রঃ নিম্নে ড্রাফটিং এর কাল্পনিক তথ্য পর্যাক্রমিকভাবে উপস্থাপন করা হল এবং এই তথ্যগুলো কিভাবে সাজিয়ে …