Sunday , May 17 2026
👁️ আজকের ভিউ: 3,793 | মোট ভিউ: 563,019
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 6. Pecuniary Jurisdiction | আর্থিক এখতিয়ার

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে ক্লিক করুন।

Section 6 of the Code of Civil Procedure, 1908

Pecuniary Jurisdiction:

Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৬

আর্থিক এখতিয়ার:

স্পষ্টভাবে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, এই কার্যবিধির কোন কিছুই কোন আদালতকে এমন মোকদ্দমার উপর এখতিয়ার প্রদান করিবে না, যাহার বিষয়বস্তুর পরিমাণ বা মূল্য উহার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমাকে (যদি থাকে) অতিক্রম করে।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৬ (ভাষ্য)

আইনে স্পষ্টভাবে অন্য কোনো বিধান না থাকলে, এই কার্যবিধির কোনো কিছুই কোনো আদালতকে এমন কোনো মোকাদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না, যে মোকাদ্দমার বিষয়বস্তুর পরিমাণ বা মূল্য ওই আদালতের সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমাকে ছাড়িয়ে যায়। এই ধারার মাধ্যমে দেওয়ানি আদালতগুলোর মোকদ্দমার মূল্যমান নির্ধারণের একটি সীমারেখা টানা হয়েছে। অর্থাৎ, একজন বিচারক সর্বোচ্চ কত টাকার মোকদ্দমার বিচার করতে পারবেন, ধারা ৬ সেই নীতিটি প্রতিষ্ঠা করে।

The Civil Courts Act, 1887 এর সাথে সম্পর্ক: দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৬ সরাসরি টাকার অঙ্ক নির্দিষ্ট করে দেয় না, এটি মূলত সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। ওই আইনের ১৯ ধারা অনুযায়ী, বর্তমানে একজন সিনিয়র সিভিল জজ সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত এবং একজন সিভিল জজ সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের মূল মোকাদ্দমার বিচার করতে পারেন। ২৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের মোকাদ্দমা জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বিচার্য হবে।

সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ১৯:

পদবি পরিবর্তন (CPC Amendment 2025): সিভিল কোর্টস অ্যাক্টের সাম্প্রতিক সংশোধনী অনুযায়ী, পূর্বে যারা সহকারী জজ এবং সিনিয়র সহকারী জজ ছিলেন, তাদের পদবি পরিবর্তন করে যথাক্রমে সিভিল জজ ও সিনিয়র সিভিল জজ রাখা হয়েছে। ধারা ৬ পড়ার সময় আর্থিক এখতিয়ারসম্পন্ন এই নতুন পদবিগুলোই বিবেচনায় নিতে হবে।

প্রশ্নঃ ধারা ৬ মূলত কী নিয়ে বলছে?

উত্তরঃ ধারা ৬ আদালতের আর্থিক ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি বলে যে, কোনো আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের বাইরে কোনো মোকদ্দমা গ্রহণ করতে পারবে না।

প্রশ্নঃ ‘আর্থিক এখতিয়ার’ বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ আর্থিক এখতিয়ার হলো আদালতের ক্ষমতা যা তাকে একটি নির্দিষ্ট আর্থিক মূল্যের মোকদ্দমা বিচার করার অনুমতি দেয়। প্রতিটি দেওয়ানী আদালতের সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সীমা থাকে।

প্রশ্নঃ উদাহরণ দিয়ে বোঝানো যায় কীভাবে?

উত্তরঃ ধরুন, একটি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমা ২৫ লক্ষ টাকা। যদি ৩০ লক্ষ টাকার একটি মোকদ্দমা আসে, আদালত তা নিতে পারবে না। কিন্তু যদি মোকদ্দমা ২০ লক্ষ টাকার হয়, আদালত সহজেই তা বিচার করতে পারবে।

প্রশ্নঃ ‘অন্যথা সুস্পষ্টভাবে বিধান করা না থাকিলে’ অর্থ কী?

উত্তরঃ অর্থাৎ যদি অন্য কোনো আইন স্পষ্টভাবে আদালতকে তার আর্থিক সীমা অতিক্রম করার অনুমতি দেয়, তাহলে ধারা ৬ প্রযোজ্য হবে না। তবে এমন বিধান খুবই বিরল।

প্রশ্নঃ ধারা ৬ এর উদ্দেশ্য কী?

উত্তরঃ উদ্দেশ্য হলো, আদালতগুলো যেন তাদের ক্ষমতার বাইরে মোকদ্দমা গ্রহণ না করে, যাতে বিচার ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল থাকে এবং বিচার প্রক্রিয়া বিঘ্নিত না হয়।

আরও জানুন →

  • কোনও পোস্ট পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক প্রকাশিত ভিডিওসমূহ

বাংলাদেশের আইনসমগ্র

আমাদের সেবাসমূহ

প্রয়োজনীয় সরকারি লিংক

📱 অ্যাপ ডাউনলোড করুন — দ্রুত

অ্যাপ ইন্সটল করে সবকিছু এক জায়গায় দেখুন।

Check Also

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 1. Short title, commencement and extent | সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রবর্তন ও ব্যাপ্তি

মূল পাতায় ফিরে যান আইনসমগ্র এর সূচী দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে …

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 2. Definitions | সংজ্ঞা

মূল পাতায় ফিরে যান আইনসমগ্র এর সূচী দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে …

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Index