Saturday , May 30 2026
👁️ আজকের ভিউ: 1,513 | মোট ভিউ: 606,692
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 14. Presumption as to foreign judgments | বিদেশী রায় সম্পর্কে অনুমান

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে ক্লিক করুন।

Section 14 of the Code of Civil Procedure, 1908

Presumption as to foreign judgments:

The Court shall presume, upon the production of any document purporting to be a certified copy of a foreign judgment, that such judgment was pronounced by a Court of competent jurisdiction, unless the contrary appears on the record; but such presumption may be displaced by proving want of jurisdiction.

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৪

বিদেশী রায় সম্পর্কে অনুমান:

আদালত, বিদেশী রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপি (certified copy) বলিয়া প্রতীয়মান কোন দলিল উপস্থাপিত হইলে, অনুমান করিবে যে, উক্ত রায়টি একটি উপযুক্ত এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত হইয়াছিল, যদি না নথিপত্র হইতে ইহার বিপরীত কিছু প্রতীয়মান হয়; তবে এখতিয়ারের অভাব প্রমাণ করিয়া উক্তরূপ অনুমান খণ্ডন করা যাইতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৪ (ভাষ্য)

আদালতে যখন কোনো বিদেশি রায়ের সার্টিফাইড কপি (certified copy) বা জাবেদা নকল উপস্থাপন করা হয়, তখন আদালত ধরে নিবেন (presume) যে, রায়টি একটি উপযুক্ত এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত (Court of competent jurisdiction) কর্তৃক প্রদান করা হয়েছে।

  • অনুমান বা Presumption: এটি মূলত সাক্ষ্যগ্রহণের একটি সহজীকরণ প্রক্রিয়া। বিদেশি রায়ের সার্টিফাইড কপি দাখিল করলেই আদালত প্রাথমিকভাবে ধরে নিবেন যে, বিদেশি আদালতটির ওই মোকদ্দমাটি বিচার করার বৈধ আইনি ক্ষমতা ছিল।
  • ব্যতিক্রম বা অনুমান খণ্ডন: এই অনুমানটি কিন্তু চূড়ান্ত (conclusive) নয়। যদি দাখিল করা নথিপত্র দেখেই পরিষ্কার বোঝা যায় যে আদালতটির এখতিয়ার ছিল না, তবে এই অনুমান কাজ করবে না। এছাড়া, অপরপক্ষ চাইলে উপযুক্ত প্রমাণ হাজির করে দেখাতে পারে যে, ওই বিদেশি আদালতের কোনো এখতিয়ার ছিল না। এখতিয়ারহীনতা প্রমাণিত হলে রায়টি আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

প্রশ্নঃ ধারা ১৪ আসলে কী বলে?

উত্তরঃ ধারা ১৪ বলে, বিদেশী রায়ের সত্যায়িত কপি আদালতে জমা দিলে আদালত ধরে নেবে যে সেটা সঠিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত দিয়েছে, যদি না এর উল্টো প্রমাণ হয়।

প্রশ্নঃ বিদেশী রায়ের সত্যায়িত কপি বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ বিদেশী আদালতের মূল রায়ের সরকারিভাবে অনুমোদিত ও সিলমোহরযুক্ত কপিকেই সত্যায়িত কপি বলা হয়।

প্রশ্নঃ বিদেশী রায়ের কপি জমা দিলে আদালত কী করে?

উত্তরঃ আদালত প্রাথমিকভাবে অনুমান করে যে রায়টি সঠিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতই দিয়েছে।

প্রশ্নঃ এই অনুমান কি সব সময় চূড়ান্ত থাকে?

উত্তরঃ না, যদি নথিপত্রে এখতিয়ারের অভাব দেখা যায়, তবে আদালত আর এই অনুমান করবে না।

প্রশ্নঃ অনুমান ভেঙে দেওয়ার সুযোগ আছে কি?

উত্তরঃ হ্যাঁ, যে পক্ষ বিদেশী রায় চ্যালেঞ্জ করবে সে প্রমাণ করতে পারলে এই অনুমান ভেঙে যাবে।

প্রশ্নঃ কিসের অভাব প্রমাণ করলে অনুমান খণ্ডন হবে?

উত্তরঃ যদি প্রমাণ করা যায় যে বিদেশী আদালতের সঠিক এখতিয়ার ছিল না।

প্রশ্নঃ এই অনুমানের সুবিধা কী?

উত্তরঃ এতে বিদেশী রায় কার্যকর করতে চাইলে আলাদাভাবে আদালতের এখতিয়ার প্রমাণ করতে হয় না।

প্রশ্নঃ এই নিয়ম বিচার ব্যবস্থার কী উপকার করে?

উত্তরঃ এতে সময় বাঁচে, প্রক্রিয়া দ্রুত হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

প্রশ্নঃ যদি বিদেশী আদালতের এখতিয়ারই না থাকে, তাহলে রায়ের কী অবস্থা হবে?

উত্তরঃ তাহলে সেই রায় বাংলাদেশে কার্যকর হবে না।

প্রশ্নঃ ধারা ১৪ কেন ধারা ১৩ এর পরিপূরক বলা হয়?

উত্তরঃ কারণ ধারা ১৩ বলে বিদেশী রায় কখন চূড়ান্ত হবে বা হবে না, আর ধারা ১৪ বলে সেই রায়কে প্রাথমিকভাবে কীভাবে ধরা হবে।

প্রশ্নঃ আদালত কীভাবে বুঝবে রায় সঠিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত দিয়েছে?

উত্তরঃ রায়ের সত্যায়িত কপি দেখে প্রাথমিকভাবে অনুমান করবে, যতক্ষণ না এর উল্টো প্রমাণ হয়।

প্রশ্নঃ বিদেশী রায় চ্যালেঞ্জ করতে হলে কী করতে হবে?

উত্তরঃ প্রমাণ করতে হবে যে আদালতের রায় দেওয়ার এখতিয়ার ছিল না বা নথিতে অন্য সমস্যা আছে।

প্রশ্নঃ নথিপত্রেই যদি দেখা যায় যে আদালতের এখতিয়ার ছিল না, তখন কী হবে?

উত্তরঃ তখন আদালত আর কোনো অনুমান করবে না, সরাসরি প্রমাণ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।

প্রশ্নঃ ধারা ১৪ এর মূল উদ্দেশ্য কী?

উত্তরঃ প্রমাণের ঝামেলা কমানো, বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুত করা এবং একই সাথে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

প্রশ্নঃ সংক্ষেপে ধারা ১৪ থেকে আমরা কী শিখি?

উত্তরঃ বিদেশী রায়ের সত্যায়িত কপি আদালতে দিলে সেটা সঠিক আদালত দিয়েছে ধরে নেওয়া হয়, তবে প্রমাণ করলে এর উল্টোও প্রমাণ করা যায়।

আরও জানুন →

  • কোনও পোস্ট পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক প্রকাশিত ভিডিওসমূহ

বাংলাদেশের আইনসমগ্র

আমাদের সেবাসমূহ

প্রয়োজনীয় সরকারি লিংক

📱 অ্যাপ ডাউনলোড করুন — দ্রুত

অ্যাপ ইন্সটল করে সবকিছু এক জায়গায় দেখুন।

Check Also

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 1. Short title, commencement and extent | সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রবর্তন ও ব্যাপ্তি

মূল পাতায় ফিরে যান আইনসমগ্র এর সূচী দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে …

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 2. Definitions | সংজ্ঞা

মূল পাতায় ফিরে যান আইনসমগ্র এর সূচী দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে …

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Index