Tuesday , May 26 2026
👁️ আজকের ভিউ: 2,775 | মোট ভিউ: 590,699
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 15. Court in which suits to be instituted | যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করিতে হইবে

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে ক্লিক করুন।

Section 15 of the Code of Civil Procedure, 1908

Court in which suits to be instituted:

Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫

যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করিতে হইবে:

প্রত্যেক মোকদ্দমা বিচার করিবার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে দায়ের করিতে হইবে।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫ (ভাষ্য)

প্রত্যেকটি মোকদ্দমা বা দেওয়ানি মোকদ্দমা বিচারের যোগ্যতাসম্পন্ন সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে দায়ের করতে হবে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চ আদালতগুলোকে (যেমন: জেলা জজ বা হাইকোর্ট) অতিরিক্ত মোকদ্দমার চাপ থেকে মুক্ত রাখা। পাশাপাশি, বিচারপ্রার্থীদের সুবিধার জন্য একেবারে তৃণমূল বা সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা।

The Civil Courts Act, 1887 এর সাথে সরাসরি সম্পর্ক: দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫ বুঝতে হলে সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর সাহায্য নেওয়া অপরিহার্য। ওই আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতের একটি নির্দিষ্ট পদসোপান (Hierarchy) বা স্তর রয়েছে, যেমন: জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ, যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সিভিল জজ এবং সিভিল জজ।

এই ধারাটি সঠিকভাবে বোঝার জন্য সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৩ মিলিয়ে পড়তে হবে:

আর্থিক এখতিয়ার প্রয়োগ (Pecuniary Jurisdiction): সিভিল কোর্টস অ্যাক্টের ১৯ ধারা অনুযায়ী, বর্তমানে একজন ‘সিভিল জজ’ (সর্বনিম্ন স্তরের আদালত) সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত এবং একজন ‘সিনিয়র সিভিল জজ’ সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের মোকাদ্দমার বিচার করতে পারেন।

এই ধারাটি সঠিকভাবে বোঝার জন্য সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ১৯ মিলিয়ে পড়তে হবে:

উদাহরণ: ধরুন, আপনার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আর্থিক মূল্য ১০ লাখ টাকা। আইন অনুযায়ী এই মোকদ্দমাটি বিচার করার এখতিয়ার সিভিল জজ, সিনিয়র সিভিল জজ এবং যুগ্ম জেলা জজ—সবারই আছে। কিন্তু সিপিসি-র ধারা ১৫ এর কঠোর নিয়মের কারণে আপনাকে অবশ্যই আপনার মোকদ্দমাটি এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন স্তরের আদালত, অর্থাৎ ‘সিভিল জজ’ আদালতে দায়ের করতে হবে। আপনি সরাসরি উচ্চতর কোনো আদালতে এটি দায়ের করতে পারবেন না।

প্রশ্নঃ ধারা ১৫ দেওয়ানী কার্যবিধির মূল কথা কী?

উত্তরঃ প্রতিটি দেওয়ানী মোকদ্দমা বিচার করার জন্য যে আদালত উপযুক্ত এবং সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে, সেখানে দায়ের করতে হবে।

প্রশ্নঃ “প্রত্যেক মোকদ্দমা” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তরঃ এখানে সব ধরনের দেওয়ানী মোকদ্দমাকেই বোঝানো হয়েছে।

প্রশ্নঃ “বিচার করিবার উপযুক্ত” বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ এর মানে হলো, আদালতের আর্থিক, আঞ্চলিক ও বিষয়গত এখতিয়ার থাকতে হবে।

প্রশ্নঃ আর্থিক এখতিয়ার বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ মোকদ্দমার আর্থিক মূল্যের ভিত্তিতে আদালতের ক্ষমতাকে বোঝায়।

প্রশ্নঃ আঞ্চলিক এখতিয়ার কী?

উত্তরঃ যে এলাকায় ঘটনা ঘটেছে, সেই এলাকার আদালতের এখতিয়ারকে আঞ্চলিক এখতিয়ার বলে।

প্রশ্নঃ বিষয়বস্তুগত এখতিয়ার বলতে কী বোঝানো হয়?

উত্তরঃ মোকদ্দমার ধরণ বা বিষয়বস্তু বিচার করার ক্ষমতাকে বোঝায়।

প্রশ্নঃ “সর্বনিম্ন পর্যায়ের আদালতে দায়ের করতে হবে” কথার মানে কী?

উত্তরঃ যদি একাধিক আদালতের মোকদ্দমা শোনার ক্ষমতা থাকে, তবে সবচেয়ে নিচের স্তরের আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

প্রশ্নঃ একটি ৫ লক্ষ টাকার মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের হবে?

উত্তরঃ সহকারী জজ আদালতে, কারণ এটি সর্বনিম্ন স্তরের আদালত যার এখতিয়ার এর মধ্যে পড়ে।

প্রশ্নঃ কেন সরাসরি সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা করা যাবে না?

উত্তরঃ কারণ ধারা ১৫ অনুযায়ী সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

প্রশ্নঃ ধারা ১৫ আদালতের কাজের ওপর কী প্রভাব ফেলে?

উত্তরঃ এটি আদালতের কাজ সঠিকভাবে বণ্টন করতে সাহায্য করে এবং উচ্চ আদালতের ওপর চাপ কমায়।

প্রশ্নঃ এই ধারা সময় ও খরচ বাঁচাতে কীভাবে সাহায্য করে?

উত্তরঃ নিম্ন আদালতে সাধারণত খরচ কম হয় এবং প্রক্রিয়াও তুলনামূলক দ্রুত হয়।

প্রশ্নঃ বিচার ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধিতে এই ধারার ভূমিকা কী?

উত্তরঃ ছোট মোকদ্দমা নিম্ন আদালতে হলে উচ্চ আদালত বড় জটিল মোকদ্দমায় মনোযোগ দিতে পারে।

প্রশ্নঃ ধারা ১৫ কিভাবে অপব্যবহার রোধ করে?

উত্তরঃ এটি নিশ্চিত করে যে বিচারপ্রার্থী নিজের সুবিধামতো আদালত বেছে নিতে না পারে।

প্রশ্নঃ ধারা ১৫ কি নির্দেশমূলক নাকি বাধ্যতামূলক?

উত্তরঃ এটি একটি নির্দেশমূলক বিধান।

প্রশ্নঃ ধারা ১৫ এর উদ্দেশ্য কী?

উত্তরঃ ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করা এবং আদালতের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ কমানো।

প্রশ্নঃ কেন এই ধারাটি গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তরঃ এটি আদালতের কাজ সহজ করে, সময় ও খরচ বাঁচায় এবং বিচার প্রক্রিয়াকে কার্যকর করে।

প্রশ্নঃ একাধিক আদালতের এখতিয়ার থাকলে কোন আদালত বেছে নেওয়া হবে?

উত্তরঃ সর্বনিম্ন স্তরের আদালত।

প্রশ্নঃ সংক্ষেপে ধারা ১৫ এর মূল বার্তা কী?

উত্তরঃ দেওয়ানী মোকদ্দমা সর্বনিম্ন উপযুক্ত আদালতে দায়ের করতে হবে।

আরও জানুন →

  • কোনও পোস্ট পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক প্রকাশিত ভিডিওসমূহ

বাংলাদেশের আইনসমগ্র

আমাদের সেবাসমূহ

প্রয়োজনীয় সরকারি লিংক

📱 অ্যাপ ডাউনলোড করুন — দ্রুত

অ্যাপ ইন্সটল করে সবকিছু এক জায়গায় দেখুন।

Check Also

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 1. Short title, commencement and extent | সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রবর্তন ও ব্যাপ্তি

মূল পাতায় ফিরে যান আইনসমগ্র এর সূচী দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে …

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 2. Definitions | সংজ্ঞা

মূল পাতায় ফিরে যান আইনসমগ্র এর সূচী দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে …

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Index