Wednesday , March 4 2026
👁️ আজকের ভিউ: 2,908 | মোট ভিউ: 324,690
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 16. Suits to be instituted where subject-matter situate | যেখানে বিষয়বস্তু অবস্থিত সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করিতে হইবে

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে ক্লিক করুন।

Section 16. Suits to be instituted where subject-matter situate:

Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits-

  • (a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits,
  • (b) for the partition of immovable property,
  • (c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property,
  • (d) for the determination of any other right to or interest in immovable property,
  • (e) for compensation for wrong to immovable property,
  • (f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen.

Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain.

Explanation: In this section “property” means property situate in Bangladesh.

ধারা ১৬। যেখানে বিষয়বস্তু অবস্থিত সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করিতে হইবেঃ

    কোন আইন দ্বারা নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, নিম্নলিখিত মোকদ্দমাসমূহ—

  • (এ) ভাড়া বা মুনাফা সহ বা ব্যতিরেকে স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
  • (বি) স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা জন্য,
  • (সি) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা চার্জের ক্ষেত্রে ফোরক্লোজার, বিক্রয় বা রিডেম্পশনের জন্য,
  • (ডি) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোন অধিকার বা স্বার্থ নির্ধারণের জন্য,
  • (ই) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের ক্ষতিপূরণের জন্য,
  • (এফ) প্রকৃতপক্ষে আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য, সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে দায়ের করিতে হইবে যাহার এখতিয়ারের মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, (সি) দফায় উল্লিখিত মোকদ্দমাসমূহের ক্ষেত্রে, যে স্থানে কার্যকারণ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হইয়াছে সেই স্থানেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর নিকট বা পক্ষে ধারণকৃত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কে প্রতিকার বা অন্যায়ের জন্য ক্ষতিপূরণ লাভের জন্য মোকদ্দমা, যেক্ষেত্রে প্রার্থিত প্রতিকার তাহার ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে সম্পূর্ণভাবে লাভ করা যায়, সেইক্ষেত্রে সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে দায়ের করা যাইতে পারে যাহার এখতিয়ারের মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, (সি) দফায় উল্লিখিত মোকদ্দমাসমূহের ক্ষেত্রে, যে স্থানে কার্যকারণ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হইয়াছে সেই স্থানে, অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে বিবাদী প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে, অথবা ব্যবসা পরিচালনা করে, অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করে সেই আদালতে।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারায় “সম্পত্তি” বলিতে বাংলাদেশে অবস্থিত সম্পত্তিকে বুঝাইবে।

বিশ্লেষণাত্মক আলোচনাঃ

ধারা ১৬ দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা আঞ্চলিক এখতিয়ার (Territorial Jurisdiction) নিয়ে আলোচনা করে, বিশেষ করে যখন মোকদ্দমাটি সম্পত্তি সংক্রান্ত হয়। এই ধারার মূল কথা হলো, স্থাবর সম্পত্তি (যেমনঃ জমি, বাড়ি) বা আটককৃত অস্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কিছু নির্দিষ্ট মোকদ্দমা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে, যার স্থানীয় সীমার মধ্যে সেই সম্পত্তিটি অবস্থিত। ধারাটির শুরুতেই বলা হয়েছে, “কোন আইন দ্বারা নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে” – এর মানে হলো, ধারা ১৫ (নিম্নতম পর্যায়ের আদালত) এবং ধারা ৬ (আর্থিক এখতিয়ার) এর মতো অন্যান্য বিধানগুলোও এখানে প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, শুধু সম্পত্তি যে এলাকায়, সেখানেই মোকদ্দমা করলেই হবে না, আদালতকে মোকদ্দমার আর্থিক মূল্য বিচার করার ক্ষমতাও থাকতে হবে।

এরপর, ধারাটি নিম্নলিখিত ছয় ধরনের মোকদ্দমার কথা বলেছে যা সম্পত্তির অবস্থান অনুযায়ী দায়ের করতে হবেঃ

  • (এ) ভাড়া বা মুনাফা সহ বা ব্যতিরেকে স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্যঃ
    যদি আপনি আপনার কোনো জমি বা বাড়ি (স্থাবর সম্পত্তি) ফেরত পেতে চান, সেটা থেকে পাওয়া ভাড়া বা অন্য কোনো লাভসহ হোক বা না হোক, সেই মোকদ্দমাটি সেই আদালতে করতে হবে যেখানে সেই সম্পত্তিটি আছে।
  • (বি) স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্যঃ
    যদি কোনো স্থাবর সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা (যেমনঃ পারিবারিক সম্পত্তি ভাগ করা) নিয়ে মোকদ্দমা হয়, তাহলে সেই মোকদ্দমাও সম্পত্তি যেখানে আছে, সেখানকার আদালতেই করতে হবে।
  • (সি) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা চার্জের ক্ষেত্রে ফোরক্লোজার, বিক্রয় বা রিডেম্পশনের জন্যঃ
    যদি জমি বা বাড়ির বন্ধক বা ঋণের দায় (charge) সংক্রান্ত কোনো মোকদ্দমা হয় (যেমনঃ বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রি করে ঋণ আদায় করা বা বন্ধক ছাড়িয়ে সম্পত্তি ফেরত নেওয়া), তাহলে সেই মোকদ্দমাটিও সম্পত্তি যেখানে আছে, সেখানকার আদালতেই করতে হবে। তবে, এই নির্দিষ্ট ধরনের মোকদ্দমা (‘সি’ দফায় উল্লিখিত) একটি বিকল্প স্থানেও করা যাবে, যে স্থানে মোকদ্দমার কারণটি (cause of action) সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হয়েছে, অর্থাৎ যেখানে ঋণের চুক্তি হয়েছে বা যেখানে কোনো ঘটনার কারণে মোকদ্দমা করার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
  • (ডি) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোন অধিকার বা স্বার্থ নির্ধারণের জন্যঃ
    যদি কোনো জমি বা বাড়ির ওপর আপনার অন্য কোনো অধিকার বা স্বার্থ (যেমনঃ পথ চলার অধিকার, ইজমেন্টের অধিকার) নির্ধারণের জন্য মোকদ্দমা হয়, তাহলে সেটিও সম্পত্তি যেখানে আছে, সেখানকার আদালতেই করতে হবে।
  • (ই) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের ক্ষতিপূরণের জন্যঃ
    যদি আপনার জমি বা বাড়ির কোনো ক্ষতির জন্য (যেমনঃ কেউ জোর করে দখল করেছে বা ক্ষতি করেছে) ক্ষতিপূরণ চেয়ে মোকদ্দমা করেন, তাহলে সেটিও সম্পত্তি যেখানে আছে, সেখানকার আদালতেই করতে হবে।
  • (এফ) প্রকৃতপক্ষে আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্যঃ
    যদি আপনার কোনো অস্থাবর সম্পত্তি (যেমনঃ গাড়ি, গহনা) কেউ জোর করে আটক করে রাখে বা আইনগতভাবে ক্রোক করা হয়, আর আপনি সেটা ফেরত পেতে চান, তাহলে সেই মোকদ্দমাটিও সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে দায়ের করতে হবে যার এখতিয়ারের মধ্যে সম্পত্তিটি আটক অবস্থায় আছে।
  • উপরে উল্লিখিত ছয় ধরনের মোকদ্দমা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যার স্থানীয় সীমার মধ্যে সম্পত্তিটি অবস্থিত। তবে (সি) দফার ক্ষেত্রে একটি বিকল্পও আছে।

এই ধারার শর্তঃ “তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর নিকট বা পক্ষে ধারণকৃত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কে প্রতিকার বা অন্যায়ের জন্য ক্ষতিপূরণ লাভের জন্য মোকদ্দমা, যেক্ষেত্রে প্রার্থিত প্রতিকার তাহার ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে সম্পূর্ণভাবে লাভ করা যায়, সেইক্ষেত্রে সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে দায়ের করা যাইতে পারে যাহার এখতিয়ারের মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, (সি) দফায় উল্লিখিত মোকদ্দমাসমূহের ক্ষেত্রে, যে স্থানে কার্যকারণ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হইয়াছে সেই স্থানে, অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে বিবাদী প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে, অথবা ব্যবসা পরিচালনা করে, অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করে সেই আদালতে।”

চলুন, এটাকে সহজ করে বুঝিঃ এই শর্তাংশটি প্রযোজ্য হবে স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত সেইসব মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, যেখানে বিবাদী নিজেই সম্পত্তিটি ধারণ করে আছে বা তার পক্ষে ধারণ করা হয়েছে, এবং বাদী সেই সম্পত্তি ফেরত পেতে বা তার ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ পেতে চায়।

“যেক্ষেত্রে প্রার্থিত প্রতিকার তাহার ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে সম্পূর্ণভাবে লাভ করা যায়”: এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মানে হলো, যদি মোকদ্দমার রায় বিবাদীর ব্যক্তিগতভাবে কোনো কাজ করার (in personam) বাধ্যবাধকতা তৈরি করে এবং সেই বাধ্যবাধকতা পালনের মাধ্যমেই সম্পূর্ণ প্রতিকার পাওয়া যায়, তখন এই শর্তাংশটি প্রযোজ্য হবে। উদাহরণস্বরূপ, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের (specific performance of contract) মোকদ্দমা।

এই ধরনের মোকদ্দমা কোথায় করা যাবে?

  • ১) যেখানে সম্পত্তি অবস্থিতঃ মূল ধারার মতোই, সম্পত্তি যেখানে আছে সেখানকার আদালতে।
  • ২) (সি) দফায় উল্লিখিত মোকদ্দমাসমূহের ক্ষেত্রে, যে স্থানে কার্যকারণ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হইয়াছে সেই স্থানেঃ (সি) দফার মতো এখানেও যেখানে মোকদ্দমার কারণ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ঘটেছে, সেখানকার আদালতে।
  • ৩) যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে বিবাদী প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে, অথবা ব্যবসা পরিচালনা করে, অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করে সেই আদালতেঃ এটিই নতুন বিকল্প। যদি বিবাদী অন্য কোনো এলাকায় বসবাস করে, ব্যবসা করে বা ব্যক্তিগতভাবে কাজ করে, তাহলে সেই আদালতেও মোকদ্দমাটি দায়ের করা যাবে।

উদাহরণঃ ধরুন, ক (ঢাকা), এর একটি জমি (রাজশাহী), খ (খুলনা) কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে। কিন্তু খ চুক্তি ভঙ্গ করেছে। ক এখন চুক্তিটি কার্যকর করার জন্য খ এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে চায়। যদিও সম্পত্তি রাজশাহীতে, কিন্তু যেহেতু বিবাদী খ খুলনায় বাস করে এবং এখানে প্রার্থিত প্রতিকার ‘সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন’, যা বিবাদীর ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে কার্যকর করা যায়, তাই ক এই মোকদ্দমাটি রাজশাহীর আদালতে না করে খুলনার আদালতেও দায়ের করতে পারবে।

অত্র ধারার ১টি ব্যাখ্যাঃ “এই ধারায় “সম্পত্তি” বলিতে বাংলাদেশে অবস্থিত সম্পত্তিকে বুঝাইবে।” এই ব্যাখ্যাটি স্পষ্ট করে দেয় যে, ধারা ১৬ কেবলমাত্র বাংলাদেশে অবস্থিত সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। বাংলাদেশের বাইরের সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা এই ধারার আওতায় আসবে না।

ধারা ১৬ দেওয়ানী মোকদ্দমার আঞ্চলিক এখতিয়ার নির্ধারণ করে, বিশেষত যখন স্থাবর সম্পত্তি বা নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি জড়িত থাকে। এটি মূলত ‘সম্পত্তি যেখানে, মোকদ্দমা সেখানে’ নীতি অনুসরণ করে। তবে, এর শর্তাংশটি এমন কিছু মোকদ্দমার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম তৈরি করে যেখানে বিবাদীর ব্যক্তিগত পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়া যায়; সেই ক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি বিবাদী যেখানে বাস করে বা ব্যবসা করে, সেখানকার আদালতেও দায়ের করা যেতে পারে। এই ধারাটি দেওয়ানী বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও সুষম বন্টন নিশ্চিত করে।

প্রশ্নঃ ধারা ১৬ আসলে কী নিয়ে আলোচনা করে?

উত্তরঃ এটি আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে, বিশেষ করে স্থাবর (জমি, বাড়ি) সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে।

প্রশ্নঃ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে?

উত্তরঃ সেই আদালতে, যার স্থানীয় সীমার মধ্যে সম্পত্তিটি অবস্থিত।

প্রশ্নঃ ধারা ১৬ এর সঙ্গে ধারা ১৫ ও ৬ এর কী সম্পর্ক আছে?

উত্তরঃ ধারা ১৬ কার্যকর হবে ধারা ১৫ (সর্বনিম্ন আদালত) ও ধারা ৬ (আর্থিক এখতিয়ার) এর শর্ত সাপেক্ষে।

প্রশ্নঃ স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা করার মোকদ্দমা কোথায় করতে হয়?

উত্তরঃ সম্পত্তি যেখানে আছে, সেখানকার আদালতে।

প্রশ্নঃ বন্ধক সংক্রান্ত মোকদ্দমা কোথায় করা যায়?

উত্তরঃ সাধারণত সম্পত্তি যেখানে আছে সেখানে, তবে বিকল্পভাবে যেখানে চুক্তি হয়েছে বা কার্যকারণ ঘটেছে সেখানেও করা যায়।

প্রশ্নঃ স্থাবর সম্পত্তির ওপর অন্য অধিকার (যেমন পথ চলার অধিকার) নিয়ে মোকদ্দমা হলে কোথায় হবে?

উত্তরঃ সম্পত্তি যেখানে অবস্থিত, সেই আদালতে।

প্রশ্নঃ স্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ চাওয়া হলে মোকদ্দমা কোথায় হবে?

উত্তরঃ সম্পত্তি যেখানে আছে, সেই আদালতে।

প্রশ্নঃ আটক বা ক্রোক করা অস্থাবর সম্পত্তি ফেরত চাওয়া হলে কোথায় মোকদ্দমা হবে?

উত্তরঃ যেখানে সম্পত্তিটি আটক অবস্থায় আছে, সেই আদালতে।

প্রশ্নঃ (সি) দফার মোকদ্দমা কোথায় কোথায় হতে পারে?

উত্তরঃ সম্পত্তি যেখানে আছে, অথবা যেখানে মোকদ্দমার কারণ ঘটেছে সেখানে।

প্রশ্নঃ ধারা ১৬ তে কোন শর্ত (Proviso) যোগ করা হয়েছে?

উত্তরঃ যদি প্রতিকার বিবাদীর ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে পাওয়া যায়, তবে বিকল্পভাবে অন্য আদালতেও মোকদ্দমা করা যায়।

প্রশ্নঃ ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতার উদাহরণ কী?

উত্তরঃ কোনো চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য (specific performance) মোকদ্দমা।

প্রশ্নঃ এই শর্ত অনুযায়ী কোন কোন আদালতে মোকদ্দমা করা যাবে?

উত্তরঃ ১) সম্পত্তি যেখানে আছে। ২) যেখানে কার্যকারণ ঘটেছে। ৩) যেখানে বিবাদী বাস করে, ব্যবসা করে বা কাজ করে।

প্রশ্নঃ ধারা ১৬ অনুযায়ী বিদেশের সম্পত্তি নিয়ে মোকদ্দমা করা যাবে?

উত্তরঃ না, কেবল বাংলাদেশের ভেতরের সম্পত্তির জন্য এই ধারা প্রযোজ্য।

প্রশ্নঃ ধারা ১৬ এর মূল নীতি কী?

উত্তরঃ “সম্পত্তি যেখানে, মোকদ্দমা সেখানে।”

প্রশ্নঃ ধারা ১৬ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তরঃ কারণ এটি সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা কোথায় হবে তা নির্ধারণ করে এবং বিচার ব্যবস্থায় সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে।

প্রশ্নঃ ধারা ১৬ অনুযায়ী কি সব সময় সম্পত্তির এলাকায় মোকদ্দমা করতে হয়?

উত্তরঃ সাধারণত হ্যাঁ, তবে শর্ত অনুযায়ী কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে।

প্রশ্নঃ ধারা ১৬ এর ব্যতিক্রম কখন প্রযোজ্য হয়?

উত্তরঃ যখন প্রতিকার কেবল বিবাদীর ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে কার্যকর করা সম্ভব।

প্রশ্নঃ সংক্ষেপে ধারা ১৬ কী বলে?

উত্তরঃ দেওয়ানী মোকদ্দমা যদি সম্পত্তি সম্পর্কিত হয়, তবে সাধারণ নিয়মে সম্পত্তি যেখানে আছে, সেখানেই মোকদ্দমা করতে হবে; তবে বিশেষ ক্ষেত্রে বিবাদী যেখানে থাকে বা ব্যবসা করে, সেখানেও করা যাবে।

আরও জানুন →

  • কোনও পোস্ট পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক প্রকাশিত ভিডিওসমূহ

বাংলাদেশের আইনসমগ্র

আমাদের সেবাসমূহ

প্রয়োজনীয় সরকারি লিংক

📱 অ্যাপ ডাউনলোড করুন — দ্রুত

অ্যাপ ইন্সটল করে সবকিছু এক জায়গায় দেখুন।

Check Also

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 1. Short title, commencement and extent | সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রবর্তন ও ব্যাপ্তি

মূল পাতায় ফিরে যান আইনসমগ্র এর সূচী দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে …

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ – Code of Civil Procedure (CPC 1908) Bangladesh

Section 2. Definitions | সংজ্ঞা

মূল পাতায় ফিরে যান আইনসমগ্র এর সূচী দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর সূচীপত্রে ফিরে যেতে এখানে …

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Table of Contents

Index