Wednesday , March 4 2026
👁️ আজকের ভিউ: 1,565 | মোট ভিউ: 326,751

বিভিন্ন প্রকাশনা সমূহ

বর্গা চাষ, পর্ব-০৮

নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হলে প্রতিকারঃ ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের কোনো বিধানের অধীনে যদি নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ, সিদ্ধান্ত বা ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে কোনো ব্যক্তি সন্তুষ্ট না হন তাহলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি উক্ত আদেশ বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। {১৯৮৪ সালের ভূমি সংক্রান্ত অধ্যাদেশের ১৭(২) ধারা} কত …

Read More »

বর্গা চাষ, পর্ব-০৭

জমি বর্গা নেয়ার সীমাবদ্ধতাঃ কোন বর্গাদারই ১৫ বিঘার বেশী জমি বর্গাচাষের জন্য গ্রহণ করতে পারবেন না। (১৯৮৪ সালের ভূমি সংক্রান্ত অধ্যাদেশের ১৪ ধারা) চাষ কার্যে বাধা নিষেধঃ বর্গা চাষের সংগে জরিত ব্যক্তি বর্গাচুক্তির অধীনে চাকুরে বা শ্রমিক হিসাবে জমি চাষ করবেন। যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার নিয়মাবলী লংঘন করে জমি চাষ করেন তাহলে নির্ধারিত …

Read More »

বর্গা চাষ, পর্ব-০৬

বর্গাদারের ক্রয়াধিকারঃ যদি কোনো বর্গাজমির মনিব তার বর্গাজমি বিক্রি করার ইচ্ছা পোষন করেন সেক্ষেত্রে তিনি বর্গাদারকে লিখিত ভাবে জানাবেন যে তিনি (বর্গাদার) উক্ত জমি ক্রয় করতে ইচ্ছুক কিনা, তবে মনিব যদি তার কোনো সহ শরিক বা পিতা, মাতা, স্ত্রী পুত্র কন্যা বা পৌত্রের নিকট বা তার পরিবারের অপর কোনো সদস্যের নিকট …

Read More »

বর্গা চাষ, পর্ব-০৫

বর্গা জমির উত্‍পন্ন ফসলের ভাগ এবং ফসলের ভাগ সংক্রান্ত বিষয়ে যা যা করণীয়ঃ বর্গা জমিটি চাষ করার জন্য চাষের ব্যয় ভার যে বহন করবে সে অবশিষ্ট ১/৩ অংশ ফসলের ভাগ পাবে অথবা যদি উভয় পক্ষই চাষের ব্যয়ভার বহন করে তাহলে অবশিষ্ট ১/৩ অংশ উৎপন্ন ফসলের ভাগ ব্যয়ভারের আনুপাতিক হারে পাবে। …

Read More »

বর্গা চাষ, পর্ব-০৪

বর্গাদারের মৃত্যুর পর বর্গা জমির চাষ পদ্ধতিঃ যে ক্ষেত্রে কোনো বর্গাদার বর্গাচুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই মারা যান সেক্ষেত্রে বর্গাচুক্তির মেয়াদ অবসান না হওয়া পর্যন্ত মৃত বর্গাদারের পরিবারের জীবিত সদস্যগণ বর্গা জমির চাষ অব্যাহত রাখতে পারেন। যে ক্ষেত্রে বর্গাদার তার পরিবারের উক্ত জমি চাষ করবার মত অবস্থায় কোনো ব্যক্তিকে না …

Read More »

বর্গা চাষ, পর্ব-০৩

বর্গাচাষ সংক্রান্ত বিস্তারিতঃ বর্গাদারঃ ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ২(ক) ধারায় বর্গাদার বলতে যে ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির জমি আধি বা বর্গা বা ভাগ বলে সাধারণভাবে পরিচিত পদ্ধতিতে এই শর্তে জমি চাষ করেন যে ঐ জমির উত্‌পন্ন ফসলের একটি অংশ জমির মালিককে দিবেন সেই জমি চাষকারী ব্যক্তিকে বর্গাদার বলে। মালিকঃ ১৯৮৪ সালের …

Read More »

বর্গা চাষ, পর্ব-০২

লঙ্ঘনঃ চুক্তি সম্পাদনের ব্যাপারে একমত হওয়ার পর চুক্তি সম্পাদনের জন্য সময় না পাওয়া। জমি বর্গা দেওয়ার পর বর্গা জমি চাষ করতে না দেওয়া। বর্গা জমি হতে উত্‌পন্ন ফসলের ভাগ না দেওয়া। বর্গাকৃত জমিটি নির্ধারিত সময়ের জন্য ভোগ দখল করতে না দেওয়া। চুক্তি সম্পাদন নিয়ে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে সরকার কর্তৃক …

Read More »

বর্গা চাষ, পর্ব-০১

বর্গা চাষ কি? কোনো ব্যক্তি যখন কোনো জমির মূল মালিকের নিকট হতে কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ঐ জমি হতে ফসলের ভাগ দেবার শর্তে জমি চাষাবাদ করে  তখন ঐ ধরনের চাষাবাদকে বর্গা চাষ বলে। (১৯৮৪ সালের ভুমি সংস্কার অধ্যাদেশ মতে) বর্গা চাষ সংক্রান্ত অধিকারঃ বর্গাদারের সাথে জমির মালিকের বর্গাচাষ সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনের …

Read More »

নিলাম সংক্রান্ত অধিকার, লংঘন ও প্রতিকার, পর্ব-০৫

সার্টিফিকেট সহকারীর কাজঃ সার্টিফিকেট রিকুইজিশন পাওয়ার পর তা যাচাই ও আদেশপত্রভুক্ত করে সার্টিফিকেট  অফিসারের নিকট পেশ করা; সার্টিফিকেট অফিসার সার্টিফিকেটে স্বাক্ষর করলে তা রেজিস্টারে এন্ট্রি করা; সার্টিফিকেট দেনাদারের বরাবরে ৭ ধারার নোটিস জারীর ব্যবস্থা করা; যথাযথভাবে জারী নোটিসের এস.আর. সহ নথি সার্টিফিকেট অফিসারের নিকট উপস্থাপন করা; ধার্য তারিখে নথি উপস্থাপনের …

Read More »

নিলাম সংক্রান্ত অধিকার, লংঘন ও প্রতিকার, পর্ব-০৪

নিলাম চূড়ান্তকরণঃ নিলাম বিক্রয়ের পর যদি ৩০ দিন অতিবাহিত হয় এবং (দি পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী এক্ট ১৯১৩ আইনের) ২২ এবং ২৪ ধারা অনুসারে নিলাম রদের কোন আবেদন না হয় বা আবেদন অগ্রাহ্য হয় এবং ২৩ ধারার কোন অনিয়ম (নিলাম কার্যক্রমে) না হয় তবে সার্টিফিকেট অফিসার ২৫ ধারা মতে নিলাম চূড়ান্তকরণের ঘোষণা …

Read More »