এসিড হলো দহনকারী, ক্ষয়কারী ও বিষাক্ত যে কোন পদার্থ। সহজভাবে বলা যায় এসিড হলো গাঢ়, তরল অথবা মিশ্রনসহ যে কোন প্রকার সালফিউরিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, ফসফরিক এসিড, ক্ষার জাতীয় কস্টিক সোডা, কস্টিক পটাশ, কার্বলিক এসিড, ব্যাটারী ফ্লুইড (এসিড), ক্রোমিক এসিড ও একোয়া-রেজিয়া এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত এসিড জাতীয় …
Read More »বিভিন্ন প্রকাশনা সমূহ
নারী অধিকার (পারিশ্রমিক বা মজুরী সংক্রান্ত), পর্ব-৫
১৯৬৫ সালের শ্রমিক নিয়োগ (স্থায়ী আদেশ) আইন অনুযায়ী যদি কখনও কারখানায় অগ্নিকান্ড, আকস্মিক বিপদ ঘটে, যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে যায়, বিদ্যুত্ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, মহামারী বা অসামরিক হাঙ্গামা সংঘটিত হয় অথবা কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত অন্য কোন কারণ ঘটে তবে মালিক বা কর্তৃপক্ষ কর্তৃপক্ষ উক্ত কারখানা সম্পূর্ণ বা যেকোন অংশ বা অংশসমূহ …
Read More »নারী অধিকার (পারিশ্রমিক বা মজুরী সংক্রান্ত), পর্ব-৪
যে সব ক্ষেত্রে মজুরী দেয়া যাবে নাঃ ১৯৩৬ সালের মজুরী পরিশোধ আইনের ১৫ (৩) উপধারায় বলা আছে যেখানে যেখানে মজুরী দেয়া যায় না, যেমনঃ মজুরীর ব্যাপারে প্রকৃত কোন ভুল ভ্রান্তি থাকলে বা কোন বিরোধ থাকলে, অথবা এমন কোন জরুরী বা অস্বাভাবিক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল যার কারণে যুক্তিসংগত ভাবে চেষ্টা করা সত্বেও মজুরী …
Read More »নারী অধিকার (পারিশ্রমিক বা মজুরী সংক্রান্ত), পর্ব-৩
কখন মজুরী কাটা যাবেঃ যে সব ক্ষেত্রে কাজে নিয়োজিত কোন ব্যক্তির মজুরী কেটে নেয়া যাবে তা ১৯৩৬ সালের মজুরী পরিশোধ আইনের ৭ ধারায় বলা আছে। তবে ১৮৯০ সালের রেলওয়ে আইনের ৪৭ (২) ধারার বিধান থাকা সত্বেও ১৯৩৬ সালের মজুরী পরিশোধ আইন দ্বারা বা এই আইনে যদি নিষেধ করা না থাকে তবে …
Read More »নারী অধিকার (পারিশ্রমিক বা মজুরী সংক্রান্ত), পর্ব-২
১৯৩৬ সালের মজুরী পরিশোধ আইন অনুযায়ী মজুরীর সংজ্ঞাঃ মজুরী বলতে ১৯৩৬ সালের মজুরী পরিশোধ আইনের ২(৬) ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন শ্রমিককে তার চাকরির শর্ত পূরণ সাপেক্ষে, তার আচরণ, নিয়মিত কাজে উপস্থিতি, তার ভাল ব্যবহার এবং তার কাজের উপর ভিত্তি করে তাকে যে অর্থ প্রদান করা হয় তা মজুরী হিসাবে বিবেচিত হবে। …
Read More »নারী অধিকার (পারিশ্রমিক বা মজুরী সংক্রান্ত), পর্ব-১
যখন থেকে শ্রম, মালিক এবং শ্রমিকের সূচনা তখন থেকেই পারিশ্রমিক বা মজুরীর সৃষ্টি। সাধারন ভাষায় মজুরী হলো কর্মক্ষেত্রে কাজের বিনিময়ে অর্থ প্রাপ্তি। অর্থাত্ চাকরির্ শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যা কিছু পরিশোধযোগ্য তাই মজুরী। ১৯৩৬ সালের মজুরী পরিশোধ আইনের ২(৬) ধারায় মজুরীর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে৷ সেখানে বলা হয়েছে, মজুরী বলতে অর্থ …
Read More »রেন্ট সার্টিফিকেট মোকদ্দমার পদ্ধতি ও ফলাফল, পর্ব-৩
৮ ধারা অনুসারে ৭ ধারার নোটিসের ফলাফলঃ দেনাদার সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত কোনো সম্পত্তি বিক্রয়/দান বা অন্যকোনো প্রকার হস্তান্তর করতে পারবেন না; সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি ক্রয় করলে তাতে আইনত ক্রেতার কোনো স্বত্ব সৃষ্টি হবে না; মামলাভুক্ত সম্পত্তিতে সার্টিফিকেটে উল্লেখিত পাওনা প্রথম দাবী হিসেবে গণ্য হবে এবং অন্য সকলের দাবী স্থগিত থাকবে; ৭ …
Read More »রেন্ট সার্টিফিকেট মোকদ্দমার পদ্ধতি ও ফলাফল, পর্ব-২
দেনাদারের উপর ৭ ধারার নোটিস জারিঃ দেনাদার বা তার প্রতিনিধি নোটিশ গ্রহণে রাজি না হলে বা যুক্তিসংগত অনুসন্ধানের পরও তাদের খুজে না পাওয়া গেলে জারীকারকঃ (ক) নোটিশের কপি দেনাদারের ঘরের দরজায় বা প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে জারী করবেন, অথবা (খ) যে সম্পত্তির উপর মোকদ্দমা হয়েছে সে সম্পত্তিতে এক কপি এবং সার্টিফিকেট …
Read More »রেন্ট সার্টিফিকেট মোকদ্দমার পদ্ধতি ও ফলাফল, পর্ব-১
মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতিঃ ভূমি উন্নয়ন কর যথাসময়ে স্বেচ্ছায় আদায় করা প্রত্যেক ভূমি মালিকের অবশ্য করণীয় কাজ। ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া রাখা উচিত নয়। নিজের প্রয়োজনেই এটি আদায় করা প্রয়োজন। কোন বছরের ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া পড়ার সাথে সাথেই তহসিলদার তা আদায়ের লক্ষ্যে দি পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী (পি.ডি.আর) এক্ট, ১৯১৩ এর ৪ …
Read More »আদিবাসী বা উপজাতীয়দের জমি হস্তান্তরের বিধান, পর্ব-২
১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের ৯০ ধারার ৫ উপধারায় বলা হয়েছে, যে কোন আদিবাসী তার জমি কেবলমাত্র সম্পূর্ণ খাইখালাসি বন্ধক হিসাবে হস্তান্তর করতে পারবে। তবে যদি কোন আদিবাসী কৃষি ঋণ প্রাপ্তির জন্য কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন এর নিকট হতে অথবা কোনো সমবায় সমিতির নিকট হতে ঋণ গ্রহন করতে চান …
Read More »
Legal Study A True Art of Learning
